
নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরে প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ফসলের নাল জমি কেটে লাইসেন্স বিহীন ফিসারী প্রজেক্টের নাম দিয়ে চলছে রমারম বালু উত্তোলন। অবৈধভাবে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করছেন চররুহিতা ইউনিয়নের বাসিন্দা ওসমান গনি নামের এক ব্যক্তি।
৩১ই মার্চ রোজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে সদর উপজেলার ২০নং উত্তর চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডে বেড়িবাঁধ খালের উপরে ব্রিজ নির্মাণ কাজ চলছে। এসময় তথ্য সংগ্রহ করে লক্ষ্মীপুরের উদ্দেশ্যে চররুহিতা ইউনিয়ন হয়ে আসার পথে হঠাৎ চোখের নজরে পড়ে নাল ফসলী জমির উপর দিয়ে নেওয়া বালু উত্তোলনের পাইব।
এর জন্য স্থানীয় সরকার গ্রামের কাঁচা রাস্তা কেটে পাইপ নেওয়া হয়েছে। এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ প্রকাশ হলেও কেউ মুখ খুলতে চাননি তাদের নাম প্রকাশের ভয়ে। রয়েছে আতঙ্কে এলাকার স্থানীয়রা।চোখের নজরে এইসব অনিয়ম দেখেও মুখ খুলতে বাধ্য হচ্ছে না স্থানীয় প্রতিবেশী পরিবারের স্বজনরা।
তবে নাম প্রকাশ অনিশ্চিত কয়েকজন স্থানীয় প্রতিবেশী বালু উত্তোলনকারী ওসমান গনির ব্যাপারে সাংবাদিকদের জানান, ওসমান গনি এলাকার কাউকে মানছেন না। যে সময় যে সরকার আসে সেই সরকারের নাম বিনয় করে তার নিজের ক্ষমতা দেখিয়ে বাল উত্তোলন করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।
অভিযোগ রয়েছে ওসমান ব্যক্তি ওই ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করেন প্রতি রাতে। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় বালু উত্তোলনে আশপাশের শত শত পরিবার ক্ষতির সম্মুখিন হতে পারে। বালু উত্তোলন হচ্ছে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ২০নং চররমনী ইউনিয়নের চরবালাম মৌজার ৯নং ওয়ার্ডে।
ঘটনাস্থল লোকেশন কাদিরের গোজ ৮’শ গজ হইতে ১হাজার গজ পরে সবুজের গোজ এর পশ্চিম দিকে কাজল কোম্পানি ব্রিকস ফিল্ড সংলগ্ন কাঁচা রাস্তার পশ্চিমে একটি বাড়ির সামনে উত্তর দিকে তাকাইলে চোখের নজরে পড়বে একটি ছোট্ট ফিসারী। তার চতুর দিকে রয়েছে নাল ফসলী জমি ও ছোট ছোট বাড়ি ঘর।
স্থানীয় বাসিন্দারা বালু উত্তোলনে নিষেধ করে বাধা দিলে উল্টো হিতে বিপরীত সবাইকে হুমকি ধমকি দেয় বালু উত্তোলনকারী ওসমান।
স্থানীয় বাসিন্দা নাম অনিশ্চিত সাংবাদিকদের কে বলেন, বালু উত্তোলনে আমরা বাধা দিয়েছি। বালু উত্তোলনের কারণে যে কোনো সময় আশপাশের প্রায় ৭০ একর ফসলী জমি ও এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশীদের বসতবাড়ি ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ঘটনাটি নিয়ে আমরা স্বোচ্চার। সরজমিনে গিয়ে বালু উত্তোলনকারী ড্রেজার মেশিন এর মালিক ওসমান এর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়। দিনে প্রশাসন দেখবে, তাই রাতের অন্ধকারে প্রতি রাতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে।
ওসমান ড্রেজার মেশিনের মালিক প্রতি ফুট বালু মাটি ৭ টাকার ধরে কিনে, এখন ফুট বিক্রি করা হচ্ছে ২০ টাকা দামে। শুধু তাই নয়, একই সাথে আরো রয়েছে সরকার অনুমতি বিহীন বেকু দিয়ে নাল জমি থেকে মাটি কেটে বিভিন্ন ব্রিকস্ ফিল্ডে পিকআপ, ট্রাক ও পাহাড় ট্রলি যোগে মাটি বিক্রির বাণিজ্য।এইসব অবৈধ বেকু ও ড্রেজার মেশিন জব্দ করে এলাকার অপরিচিত স্থানীয় প্রতিবেশীদের নাল ফসলী জমি ও বাড়িঘর রক্ষার দাবিতে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছেন ভুক্তভোগী এলাকার স্থানীয়রা।