
লক্ষ্মীপুর স্টাফ রিপোর্টার :পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম।প্রতিবছরের ন্যায় সাইফিয়া দরবার শরীফ এই দিনটি বিশেষভাবে আয়োজন করে। পূর্বের ধারাবাহিকতা এই বছরও নানা আয়োজনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে মাধ্যমে এই দিনটি উজ্জীবিত হয়। দিনব্যাপী সাইফিয়া দরবার শরীফ কর্তৃক পরিচালিত,সাইফিয়া দরবার শরীফ উক্ত দিনটি রাসুল পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পূর্ণাঙ্গ জীবন বৃত্তান্ত নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মানবতার মুক্তির দূত জানাবে খোদা হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই দিনে বিশ্ব জাহানের জন্য রহমত এবং মুক্তির এক বিশেষ মশাল রূপে আগমন করেন। তাঁহার আগমনে আকাশে বাতাসে ধরাধমে পুরো বিশ্ব জাহান আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে পড়ে। আরব জাহানে অন্ধকার কেটে গিয়ে এক আলোর অভিসংবাদ পায়। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ৫৭০ ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে ১২ই রবিউল আউয়াল ৮ই জুন জন্মগ্রহণ করেন। মক্কা নগরীর এক সম্ভ্রান্ত পরিবার কোরাইশ বংশে তাঁহার জন্ম। পিতা ছিলেন তাহার আব্দুল্লাহ। তাঁহার মাতা ছিলেন আমেনা। জন্মের পর প্রথম পাঁচ বছর ধাত্রীমা হালিমের ঘরে অবস্থান করেন। দুখী নবী হযরত মোহাম্মদ সাঃ ছয় বছর কালে মা হারা হয়ে পড়েন। ছয় থেকে সাত বছর দাদা আব্দুল মোতালেব এর নিকট লালিত পালিত হন। দাদা আব্দুল মোতালেব এর মৃত্যুর পর, ৮ থেকে ২৫ বছর চাচা আবু তালিব এর বড় হন। ২৫ বছর বয়সে তিনি মা খাদিজার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এরপর ১৭ ই রমজান পহেলা ফেব্রুয়ারি, ৬১০ খ্রিস্টাব্দে
নবুওয়াত লাভ করেন। এরপর থেকে তিনি এক আল্লাহ এক রাসূল এবং আল্লাহর একত্ববাদের জন্য সবাইকে আহ্বান করেন। আরব জাহান থেকে সকল মূর্তি পূজা, মদ,জুয়া নানা রকম কুসংস্কার দূর করার জন্য তিনি পুরো জীবনটা সংগ্রাম করে গেছিলেন। ৬৩ বছর বয়সে সোমবার ১২ই রবিউল আউয়াল ৮জুন ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে ২২,৩৩০ দিন ৬ ঘন্টার মতো সময় দুনিয়ার জীবন কাটিয়ে পরলোক গমন করেন।
