লক্ষ্মীপুরে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশ অমান্য করে চলছে বিবাদীর বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ

লেখক: Admin
প্রকাশ: ৫ ঘন্টা আগে

 

পর্ব -১

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর সদর থানার আওতাধীন পৌরসভার পৌর ৬নং ওয়ার্ড বাঞ্চানগর গ্রামে মিয়া বাড়ির বাসিন্দা মৃত আমানত উল্যার পুত্র মাহবুবুল করিম ও রুপে আল আমিন মিয়ার মালিকানা সম্পত্তির জবরদখলের চেষ্টায় বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ করাচ্ছে বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবু।এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী মাহবুবুল করিম ওরফে আল আমিন মিয়া লক্ষ্মীপুর জেলার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদালতে একটি মিছ মামলা দায়ের করেন।১৪৪ ও ১৪৫ ধারা অনুযায়ী মিছ মামলা নং- ৫৯৯/২০২৬ইং, ৩১ শে-ই আগস্ট ২০২৬ ইং তারিখে। পরে বাদীর অভিযোগ সুত্রে লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর নোটিশ প্রেরণ করেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। আরজির নোটিশে উল্লেখ থাকে যে বাদী ও বাবাদীর মালিকানা সম্পত্তির তদন্ত রিপোর্ট না আশা পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ শীতল বজায় রাখার নির্দেশ প্রদান করেন বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।তবুও বন্ধ হয়নি বিবাদীর বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ। বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশ অমান্য করে বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবু বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান রাখেন।ভুক্তভোগী বাদীর কোটি টাকার সম্পত্তিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মাহবুবুল করিম অভিযুক্ত কারী শাহাদাৎ উল্যা বাবু নামের এক প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মামলার পূর্বে অভিযোগ সুত্রে জানা যায় গত ২৫ শেই আগস্ট রোজ শুক্রবার সকাল আনুমানিক ১০ঘটিকার সময় ভুক্তভোগীর মালিকানা সম্পত্তির মধ্যে শহীদ উল্যার ছেলে বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবু তার মালিকানা সম্পত্তি দাবী করিয়া জবর দখলের চেষ্টায় বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ শুরু করেন। এতে মামলার বাদী মাহবুবুল করিম বাধা প্রদান করিলে বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবু তার সন্ত্রাসী গ্রুপের দল বাহিনী দিয়ে ঘটনাস্থলে বাদীর উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালানোর চেষ্টা করিলে বাদী ঘটনাস্থল থেকে আত্মরক্ষার চেষ্টায় দৌড়ে পালিয়ে যান।এদিকে হামলার চেষ্টার পরিকল্পনা কারীদের প্রত্যেকের হাতে দ্যাঁ ছেনি ও হকেস্টক এবং অস্র-স্র ছিল বলে বাদীর অভিযোগ। ভুক্তভোগী বাদী আদালতের আশ্রয় নিয়েও রক্ষা পায়নি মালিকানা ভুমি দখল কারীদের হাত থেকে। পুলিশ আদালতের দেওয়া নোটিশ দিয়েও বন্ধ করাতে পারেনি বিবাদীর বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ। এবং কি বাদী মাহবুবুল করিমকে তার সম্পত্তির মধ্যে মেরে পেলে মাটিতে পুতে ফেলার হুমকি ধমকি দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগী বাদীর স্বজনদের। ভুক্তভোগী বাদীর মাহবুবুল করিম নিরুপায় হয়ে লক্ষ্মীপুর আর এফ টিভি ও দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কার্যালয়ে গিয়ে এইসব বিষয়ে অভিযোগ করে বলেন,আমি নিরুপায় হয়ে লক্ষ্মীপুর জেলার বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মিছ মামলা দায়ের করি।যাহার মাছ মামলা নং- ৫৯৯/২০২৬ ইং, প্রসেস নং- ১৩৮০,তারিখ ৩১/০৮/২০২৬ ইং,ধারা – ফৌ:কা: বি: আইনে – ১৪৪/১৪৫ ধারা অনুযায়ী পিতা মাতা ও নিজ খরিদ সুত্রে মালিক আমি মাহবুবুল করিম ও রুপে আল আমিন মিয়া। ৬৩নং বাঞ্চানগর মৌজার পি এস ২৫৭৫ ও ২৫৭৬ নং খতিয়ান ভুক্ত ৮২৭৪ দাগ, ও ৫৭৪ খতিয়ান ভুক্ত ৮২৯৫ দাগের বর্তমান ৪১নং বাঞ্চানগর মৌজার ৫৫৩৫ আর এস খতিয়ান ভুক্ত ১১৭৩৬ দাগের ৫শতক এর অন্দরে২,৫০ শতাংশ জমি খরিদ ও ওয়ারিশ বর্তমান রেকর্ড সুত্রে মালিক আমি আল আমিন। বাদী আরও বলেন,আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আমার বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবু ভাড়াটিয়া, সন্ত্রাসী গ্রুপের প্রদান ইন্ধন দাতা ও নাঠা, লাঠিয়াল, বাহিনী কুচক্র মহল শ্রেণি বটে। যে কারণে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশ অমান্য করে বহুতল ভবনে নির্মাণ কাজ করিতেছে।কিসের ক্ষমতার বলে আদালতের নিষেধাজ্ঞা নোটিশ পাওয়ার পরেও বন্ধ হচ্ছে-না বিবাদীর নির্মাণ কাজ। পুলিশ প্রশাসন কে বৃদ্ধ আঙুল দেখিয়ে অপশক্তি দিয়ে কোর্টের আদেশ অমান্য করে বিবাদীর নির্মাণ কাজ চালু রাখা হচ্ছে তার পেশা আর নেশা।কয়েকজন অপরিচিত স্থানীয় প্রতিবেশী সাংবাদিকদের বলেন, বাদীর মালিকানা জমি এখানে দখল করে খাচ্ছে বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবু। প্রশাসন কিছুই বলছে না,বাদীর লাখ লাখ টাকা ক্ষতি হচ্ছে। আদালত যেখানে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সেটাও মানছে না,এটা কি ভাবে সম্ভব। এখন দেখছি সন্ত্রাসী কায়দা করে দখলের জন্য স্থাপনা নির্মাণের কাজ চলছে দীর্ঘ ১৫দিন যাবত ধরে, দিনে রাতে।পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে আর নিষেধ করে দেখে চলে যায়।পরে বাদী লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এর নিকট কম্পিউটার টাইপ এর মাধ্যমে একটি অভিযোগ করেন বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবুর বিরুদ্ধে।দেখা যাচ্ছে বাদী প্রশাসনকে জানিয়েও বিবাদীর নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়নি।তবে বাদীর সঙ্গে কথা হয় ওই এলাকার স্থায়ীদের নিয়ে বসে সমাধান করবেন, কিন্তু তা না করে আবারও বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবু নির্মাণ কাজ শুরু করেন। এ বিষয়ে সরজমিন গিয়ে দেখা যায় বাদীর অভিযোগ সুত্রে ঘটনা সত্য।পরে দখলদার শাহাদাৎ উল্যা বাবুকে অনেক খোজাখুজি করেও কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। যার ফলে বাদীর মালিকানা সম্পত্তির জবরদখল ও বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ এবং বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর আদেশ অমান্য করে তার বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ কেনো চলমান রাখা হয়েছে, তা জানা সম্ভব হয়নি। এদিকে পৌরসভার পৌর ভুমি কর্মকর্তা তহসিলদার বাদী কে মালিকানা দলিল ও খতিয়ান সহ সকল কাগজ পত্র জমা দিতে তড়িঘড়ি করে চাপ প্রয়োগ করেন এবং না হলে রিপোর্ট বিবাদীর পক্ষে যাবে বলে জরুরী সর্তক বার্তা দিলেন পৌর ভুমি কর্মকর্তা তহসিলদার। বাদী কে জরুরী রিপোর্ট দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া বিষয়ে সাংবাদিক জানতে চাইলে পৌর ভূমি কর্মকর্তা তহসিলদার সাংবাদিক কে বলেন,বাদীর মালিকানা জমি দখল দিয়েছে বিবাদী শাহাদাৎ উল্যা বাবু, আমাকে কোর্ট থেকে তদন্তের রিপোর্ট দিতে নোটিশ প্রেরণ করেছে আদালত। আমি তদন্ত করেছি, বাদীর মালিকানা কাগজ পত্র দিলে কোর্টে তদন্তের রিপোর্ট দিতে পারি।তবে কোনো বাদীকে হুমকি দেওয়ার বিষয় নয়। বিবাদীর মালামাল নষ্ট হচ্ছে তাই তাড়াতাড়ি বাদীকে বলছি রিপোর্ট দিতে হবে। ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা বলেন,বিবাদী একজন সন্ত্রাস তার হাত অনেক লম্বা, সে মানুষকে জিম্মি করে মানুষের সম্পত্তি দখল করে নেওয়া তার প্রেশা ও নেশা। এইসবের মূল যন্ত্র হচ্ছে কিছু টাকার বিনিময়ে প্রশাসনকে ম্যানেজ করে তার এই সব অপকর্মের হাতিয়ার হয়ে কোটিপতি হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য । তবে মালিকানা বুঝি পেতে মাননীয় সরকার মহোদয় তারেক রহমানের কাছে ও মামলার বিচারকদের কাছে উপযুক্ত বিচার কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন