
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুরে থানার আওতায় দিন ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বাসিন্দা নাছরিন আক্তার মৌ বন বিভাগের গাছ কেটে নিয়ে সরকারি জায়গার উপর বহুতল ভবনের বাউন্ডারী দেওয়াল নির্মাণ কাজ চলছে।

রামগঞ্জ টু লক্ষ্মীপুর মীরগঞ্জ বাজার ২০০ গজ দক্ষিণে গ্রামীণ ব্যাংক সংলগ্ন মেইন মহাসড়ক পূর্ব পাশে নাসরিন আক্তার মৌ এর নতুন ভবনের সামনে গাছ কাটার ঘটনাটি ঘটে। প্রতিদিনের মতো ২৯/০১/ ২০২৫ ইং তারিখ রোজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে চোখের নজরে পড়ে বন বিভাগের কেটে নেওয়া আকাশ মনি ৮টা থেকে ১০টা গাছের শিকড় মাটি ও ইটের আদলা দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে তার চিত্র ছবি।

এছাড়া সাংবাদিকদের চোখের নজরে আরও পড়ে নাসরিন আক্তার মৌয়ের গোপন স্থানে রাখা হয়েছে কেটে নেওয়ার গাছের ছোট ছোট কয়েকটি খন্ডয়ের টুকরো। অনুমতি ছাড়াই কাটা হয় এত গুলি গাছ। নাসরিন আক্তার আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে সরকারি গাছ কেটে গুম করে নিজ টাকা আর ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বৃদ্ধ আঙুল দেখিয়ে দিল ক্ষমতা কাকে বলে। সরজমিনে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানার চেষ্টা করিলে স্থানীয় অপরিচিত প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি নাসরীন আক্তার মৌ হাজী উল্যা বাড়ির বাসিন্দা।

বন বিভাগের গাছ কেটে নিয়ে সরকারি জায়গা দখল দেওয়ার চেষ্টায় সরকারি জায়গার উপর বহুতল ভবনের বাউন্ডারি দেওয়াল নির্মাণ কাজ শুরু করেন নাসরিন আক্তার মৌ। যার ফলে কেটে নেওয়া হয়েছে আকাশ মনি সহ কয়েক জাতের সরকারি বন বিভাগের গাছ।গাছ কেটে নেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত অপরাধ কারী নাসরিন আক্তার মৌ কে অনেক খোঁজাখুজি করেও কোথাও তার সন্ধান না পেয়ে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে তিনি ঢাকায় থাকেন।আরও জানা গেছে তিনি একটি পাইভেট কার প্রতিষ্ঠানের মালিক।

যে কারণে টাকার বিনিময়ে সরকারি জায়গা দখল দেওয়ার চেষ্টা করে বন বিভাগের গাছ কেটে নিয়ে গুম করে রেখেছেন।এবিষয়ে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা নোয়াখালী আবু ইউসুফ এর নিকট দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা সম্পাদক এর মুঠোফোন রবি নাম্বার থেকে কল করে গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।

পরে তিনি বিস্তারিত ঘটনার সম্পর্কে শুনে বন বিভাগের গাছ উদ্ধার ও অভিযুক্ত অপরাধ কারী নাসরিন আক্তার মৌ এর বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান।তবে বন বিভাগের বাকী গাছের অংশ গুলি কেটে নিয়ে কোথায় গুম করে রেখেছে নাসরিন আক্তার মৌ,তার কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

তবে গোপনে খোঁজ নিলে মিলবে সরকারি বন বিভাগের গাছ কেটে নিয়ে গুম করে টাকার বানিজ্য করার আসল রহস্য। বেরিয়ে আসবে সরকারি কোটি টাকা গাছ কোথায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে আত্মসাৎ করা মূল তথ্য।টাকা থাকলে ক্ষমতা আর প্রভাব বিস্তার করা কোনোই ব্যাপার না।

সরকারি বন বিভাগের গাছ,টাকা আর ক্ষমতার কাছে জিম্মি।যেমনটি সম্ভব হয়েছে নাসরিন আক্তার মৌ এর পক্ষে। সরকারি জায়গা দখল দেওয়ার চেষ্টা করে বন বিভাগের গাছ কেটে নিয়ে গুম করা হয়েছে।সাংবাদিকদের যাওয়ার সংবাদ পেয়ে কেটে নেওয়া গাছের মূল শিকড় তুলে ফেলা হচ্ছে। শিকড় তোলা চিত্রের আলামত ছবি সংযুক্ত দেওয়া হয়েছে। তথ্য অনুসন্ধানে দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা প্রতিনিধি গণ গোপন তথ্য সংগ্রহ কালের ছবি।

তবে এলাকার স্থানীয় অপরিচিত প্রতিবেশীদের মধ্যে আলোচনা সমালোচনা চলছে প্রতিনিয়ত। তারা বলেন,সরকারি জায়গায় দখল দেওয়ার চেষ্টা কায়দায় করে বন বিভাগের গাছ কেটে নিয়ে গুম করা কিভাবে সম্ভব হয়েছে গুন গুন করে কথা বলতে শুনা যায়।আরও বলতে শুনা যাচ্ছে যে সাংবাদিক ও বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কিছু টাকার বিনিময়ে সমাধান হয়ে যাবে। আমরা বলে কি লাভ, পরিশেষে আমরা শত্রু। তাদের লাভ এইসব কথা বলে বেড়াচ্ছে প্রতিবেশীরা।

তবে অপরাধী ক্ষমতা শীল নাসরিন আক্তার মৌ কে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞেসা বাদের মাধ্যমে জিজ্ঞেস করিলেই বেরিয়ে আসবে সরকারি জায়গায় দখল দেওয়ার চেষ্টা ও বন বিভাগের গাছ কেটে নিয়ে গুম করা তথ্য অনুসন্ধানে আসল রহস্য।পরবর্তী সংখ্যা দেখতে চোখ রাখুন দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পত্রিকায়।
