আটদিন ধরে অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী পরিক্ষার হল থেকে রহস্যজনক নিখোঁজ

লেখক: Admin
প্রকাশ: ৬ মাস আগে

মইনুল হোসেন সুমন

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে সাতদিন ধরে অষ্টম শ্রেণির স্কুল ছাত্রী পরিক্ষার হল থেকে রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,স্কুল ছাত্রী লক্ষ্মী পুর পৌরসভার পৌর ১১নং ওয়ার্ডের জাহাঙ্গীর আলম বাসিন্দার মেয়ে জেদনী ফারহানা সুলতানা ( ১৩)।

কিন্তু অভিযোগ দায়ের করার পরেও নিখোঁজ ছাত্রীর কোন হদিশ না মেলায় চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবার বর্গ।এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পৌর ১১নং ওয়ার্ড আটিয়াতলী এলাকায়।

নিখোঁজ স্কুল ছাত্রীর জেদনী ফারহানা সুলতানা ছিল বাইশমারা একাডেমি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণি বার্ষিক পরিক্ষার্থী।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে ,গত ৩-ই ডিসেম্বর রোজ বুধবার দুপুর ২টার দিকে অষ্টম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষা শুরু হবে, তায় মা জান্নাতুন ফেরদৌসি বেগম তার মেয়ে জেদনী ফারহানা সুলতানা কে লক্ষ্মীপুর ১৫নং লাহারকান্দি ইউনিয়ন বাইশমারা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছে দেয়।

তিনি মেয়ের পরিক্ষা শেষ হলে মেয়েকে নিয়ে বাড়ী যাবেন বলে সেই অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু পরিক্ষার হল থেকে পরিক্ষা দিয়ে পরিক্ষার্থীদের বের হতে দেখা গেলেও দেখা যায়নি মেয়ে জেদনী ফারহানা সুলতানা কে।

মা জান্নাতুন ফেদৌসি নিরুপায় হয়ে হতাশায় পড়ে পরীক্ষার হল খুঁজতে গিয়ে দেখেন কেউ পরীক্ষার হলে নেই। একপর্যায়ে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে গিয়ে প্রধান শিক্ষক কে জিজ্ঞেস করিলে তিনি উপরে দেখেছেন বলে খোঁজে দিখতে বলেন।

এর পর হইতে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজোও তার কোন সন্ধান পাওয়া যায়নি বিদেয় আত্মীয়-স্বজন বাড়িতে খোঁজতে শুরু করেন মা জননী।

ভুক্তভোগী জাহাঙ্গীর আলম লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় গত ০৪/১২/২০২৫ইং তারিখে হাজীর হয়ে কর্মকর্তা ওসি বরাবর মেয়ে জেদনী ফারহানা সুলতানা নিখোঁজের কারণ জানিয়ে একটি অভিযোগের সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন। যার জিডি নং ২০৬/২০২৫ইং,
কিন্তু ডায়েরী করলেও, পুলিশ এখনও পর্যন্ত তার কোন খোঁজ পাননি।এখন চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে গোটা পরিবার।

তারা পুলিশের কাছে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া মেয়েকে দ্রুত খুঁজে বের করার আবেদন জানিয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করেন। একইসাথে অপহরণকারীকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনা একান্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন নিখোঁজ পরিবারের স্বজনরা।

নিখোঁজ পরিবারের স্বজনদের অভিযোগ পেয়ে অভিযুক্ত কিডনাফ কারী সুমনের বাড়িতে গিয়ে সুমন কে না পেয়ে তার পিতা ওমর ফারুক কে দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা জিজ্ঞেস করে সুমন কোথায় আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৪ তারিখে লক্ষ্মীপুর সেনা ক্যাম্পে আমার ছেলে সুমনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছে।

জাহাঙ্গীর আলম এর মেয়ে জেদনী ফারহানা সুলতানা কে কিডনাফ করেছে, এবং আগামী ২৪ঘন্টার মধ্যে  লক্ষ্মীপুর সেনাক্যাম্পে হাজির করতে আমাকে কল করে বলা হয়েছে। আমি ৮টা পযন্ত সময় নিয়ে অনেক জাগায় খোঁজ করে পায়নি।ছেলের আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে খোঁজেও তার সন্ধান মিলে নাই। জাহাঙ্গীর আলম তার মেয়ে চাচ্ছে আমার কাছে,আমি তার কাছে নিখোঁজ ছেলে চাচ্ছি।

তার মেয়ে আমার ছেলে নিয়ে পালিয়েছে কোথায় ছেলে আমার নিখোঁজ। তিনি আরও বলেন, সেনাক্যাম্প থেকে আমাকে কল করার পরে আমি কোটে গিয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি জাহাঙ্গীর আলম এর মেয়ে জেদনী ফারহানা সুলতানা ও আমার ছেলে সুমন বিয়ে করেছে। তাদের বিয়ের  কাবিন নামা আমার কাছে এক কপি আছে। স্থানীয় প্রতিবেশী সেলিম বলেন,বাইশমারা সরকারি একাডেমী স্কুল থেকে একদিনে ১১,১২,১৩বছরে তিনটি মেয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে হয়েছে।

তিনি আরও জানান,এই স্কুল থেকে ১বছরে ১০০ মেয়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে হয়েছে, কিন্তু আমার জানা মতে স্কুল শিক্ষক শিক্ষিকাদের ইন্ধনে অল্প বয়সে প্রেমের পাদে পড়ে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে হচ্ছে।এখন প্রেমের স্কুল নামে সুপরিচিত বললেই চলে, এই একাডেমী স্কুল কে।তবে এর মূল হোতা হচ্ছে, এই স্কুল প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষিকা বৃন্দ।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন