
লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীর হৃদয়ে এ টি এস আই ট্রাফিক পুলিশ সাইফুদ্দিন
পর্ব -১
জেলা প্রতিনিধিঃ এ টি এস আই সাইফুদ্দিন সদর ট্রাফিক লক্ষ্মীপুর। লক্ষ্মীপুরে পথচারী ও যানবাহন চালকদের সঙ্গে হাসিখুশি সুন্দর ব্যবহার সাথে দীর্ঘদিন ধরে দ্বায়িত্ব পালন করায় লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীর এই যেনো হৃদয়ের প্রাণ। লক্ষ্মীপুরে তিনি একের পর এক লক্ষ্মীপুর জেলা বাসীকে চমক মেসেজ দিয়ে আসছেন,যা লক্ষ্মীপুর বাসীর জন্য গৌরব ও অহংকার। শৃঙ্খলা বজায় রাখা তার মূল দায়িত্ব,যা অনেক সময় চালক- পথচারীর আইন ভাঙার প্রবণতা ও অসচেতনতার কারণে কঠিন হয়ে যায়, ফলে ট্রাফিক পুলিশকে কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়। তাদের কাজ হলো যানজট কমানো ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সাহায্য করা, কিন্তু অনেক সময় দেখা যায়, চালক ও পথচারীদের কাছ থেকে খারাপ ব্যবহার ও আইন ভাঙার প্রবণতার সম্মুখীন হয়েও দ্বায়িত্ব পালনে মোড়ে মোড়ে দাঁড়িয়ে হাতের ইশারায় বা সিগন্যাল ব্যবহার করে যানবাহন ও পথচারীদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে আসছেন তিনি।অবৈধ হাটবাজার, ওভারটেকিং ও বেপরোয়া গতির মতো বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণে এনে দুর্ঘটনা কমানো ছিলো তার মুল উদ্দেশ্য। বেশিরভাগ চালক ও পথচারী আইন মানতে চান না, যা সাইফুদ্দিন এ টি এস আই ট্রাফিক পুলিশের দ্বায়িত্ব কে কঠিন করে তোলে।আইন সম্পর্কে সচেতনতার অভাবে দুর্ঘটনা বাড়ে, যা ট্রাফিক পুলিশ একা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।তবুও সাইফুদ্দিন এ টি এস আই ট্রাফিক পুলিশ রোদ, বৃষ্টি, ধুলো-বালি ও শব্দদূষণের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে ডিউটি পালন করে পথচারী ও যানবাহন চালকদের সুন্দর আচার আচরণের সাথে দ্বায়িত্ব পালন করে যেতে দেখা যায়।তিনি লক্ষ্মীপুরে আসার পর হইতে টাফিক দ্বায়িত্ব পালনের পাশাপাশি লক্ষীপুর জেলা সাংবাদিকদের নিয়ে নিজ উদ্যোগে লক্ষ্মীপুর চকবাজার জামে মসজিদ এর সামনে ফুলের টপ লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক কার্যালয় সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে চারা গাছ লাগান। এছাড়াও বিভিন্ন জায়গায় ফুল ও ফলের বাগান করে যখন যেখানে তিনি ডিউটি পালন করতেন সেই খানের সড়কে যানজট পরিষ্কার পরিচ্ছ ন্নতা রাখার চেষ্টা করে সঠিক দ্বায়িত্ব পালন করতেন। দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা সাইফুদ্দিন এ এস আই ট্রাফিক পুলিশ সম্পর্কে জানতে চাইলে, পথচারী ও যানবাহন চালকরা জানান,আমরা কখনো তার খারাপ দিক দেখি নাই বা কোনো যানবাহন চালককারীদের সাথে অথবা পথচারীদের সাথে কখনো খারাপ বাসায় গালমন্দ থাক দুরের কথা,একটি কথা কাটাকাটি বা বিতর্কে হয়েছে বলে আমাদের চোখের নজরে আসেনি। তিনি একজন ভালো পরিবারের সন্তান তাই তিনি সকলের সঙ্গে ভালো ব্যবহার দিয়ে দ্বায়িত্ব পালন করেছেন।তারা আরও বলেন,সাইফুদ্দিন স্যার আমাদেরকে সবসময় আপনি করে বলতেন, এবং হাসি মুখে আমাদের সাথে হ্যানসাব করতেন। আমাদের ভুল হলে সঠিকভাবে চলার জন্য বলতেন, আমরা তার হাসি মুখে কথা শুনে সঠিকভাবে গাড়ি চালাচ্ছি। পথচারীরা বলেন, তিনি যে সময় যেখানে দায়িত্ব পালন করেছেন, সেখানে আমাদের চলাচলের পথে যানজটের সৃষ্টি আমরা দেখিনি। তাই আমরা তার জন্য দোয়া কামনা করছি বলে জানান। এদিকে সাইফুদ্দিন এ টি এস আই ট্রাফিক পুলিশ বলেন, মানুষ কত দিন বাঁচে,মানুষ মরণশীল। চাকরি আর বেশি সময় নেই, আগামী জুনিতে চলে যাব পি এফ দিতে। লক্ষ্মীপুর বাসীর জন্য দোয়া রইল, কেউ যদি আমার কথায় কষ্ট পেয়ে থাকেন, তাহলে আমাকে ক্ষমার চোখে দেখবেন। আর যাদের উপকার করতে পেরেছি, তারা আমার জন্য দোয়া করবেন। তিনি আরো বলেন, লক্ষ্মীপুরে ট্রাফিক পুলিশের দ্বায়িত্ব পাওয়ার পর হইতে আপনাদের পাশে ছিলাম,সরকারি দায়িত্ব পালনে আপনাদের সেবা করায় আমার মূল লক্ষ্য উদ্দেশ্য ছিল। জানিনা কতটুকু আপনাদের সেবা করতে পেরেছি,তবুও আপনাদের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। আপনারা সকলে আমার ও আমার পরিবারের জন্য দোয়া করবেন,আমিও আপনাদের সকলের জন্য দোয়া করছি। আশা করছি কি লক্ষীপুর বাসি আমি যাতে থাকা অবস্থায় যেভাবে আপনারা যানবাহন চালক ও পথচারীরা সতর্কর সাথে আমাকে সহায়তা করে আপনারা চলাচল করেছেন। গাড়ি চালকরা গাড়ি চালিয়েছেন। আগামীতে আমার পরে যারা দায়িত্বে আসবে, তাদেরকে সহযোগিতা করবেন, আপনারা সর্তকতার সাথে যানবাহন চাইবেন। পথচারীরা সাবধান সইতে চলাফেরা করবেন বলে জানান।
