
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পৌর ১ নং ওয়ার্ড মজুপুর এলাকায় দীর্ঘ ৫বছর পরে প্রবাসী ইব্রাহিমের ক্রয়কৃত খরিদ করা সম্পত্তির ৬ শতাংশ জায়গা উদ্ধার হয়েছে ২১/০৬/২০২৫ইং তারিখে।যদিও ভুক্তভোগী ইব্রাহিমের জমি এত বছর পরে উদ্ধার হলেও হত্যার হুমকির মুখ থেকে রক্ষা পায়নি ভুক্তভোগী ইব্রাহিম পরিবারের স্বজনরা। ১নং মজুপুর এলাকার বর্তমান স্থায়ী বাসিন্দা ইব্রাহিমের স্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন,আমার স্বামী একজন প্রবাসী ছিলেন। বর্তমানে তিনি অসুস্থ্য প্যারালাইসিস রোগে আক্রান্ত হয়ে চলাচল বন্ধ, তিনি হাঁটাচলা করতে পারেন-না,আমি একজন মহিলা, আমার পক্ষে সম্ভব নয় এইসব আওয়ামী লীগ নেতা সন্ত্রাসী দলের লোকজনের সাথে লড়াই করা। আমার স্বামী এই জমির শোগে পড়ে আজ তার এই করুণ অবস্থা। আগে জ্বালিয়েছে আওয়ামী লীগ দলের সন্ত্রাসী মিলে একদল। এখন জ্বালাচ্ছে বিএনপির নেতার আত্মীয় পরিচয় দিয়ে আমাদের ক্রয় কৃত মালিকানা সম্পত্তি দখল দেওয়ার চেষ্টায় বার বারে হামলা মামলা শিকার হচ্ছি। গ্রাম্য আদালত ও লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় সহ বিভিন্ন গোল টেবিলে বৈঠকে বসেও কোনো সুবিধা পায়নি বিবাদীরা।বিভিন্ন গোল টেবিলে বসে সুফল না পেয়ে এবং সঠিক কাগজ পত্র ও দলীল দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে বিবাদী সাবেক কাউন্সিলর মোস্তফা এবং তার ভাগিনা আরিফ বোন মুন্নী বেগম ও মনির।তবে আমাদের কোনো জনবল না থাকায় আজ আমরা সত্য বড় অসহায়, আমাদের পক্ষে কথা বলার মতো মুরুব্বি নেই। এই জমি কিনতে গিয়ে বহু ঋণে জর্জরিত। আজ পথে বসেছি, সব টাকা শেষ, স্বামী অকালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন, আমার আল্লাহ ছাড়া কেউ নেই আপন, প্রশাসনের কাছে উপযুক্ত বিচার দাবি প্রার্থনা করছি। তবে আমাদের বসতবাড়ির ঘর ভেঙ্গে জায়গায় দখল দেওয়ার পরিকল্পনা করার চেষ্টা চালিয়ে আসছে আমাদের প্রতি পক্ষ দলের কেডার বাহিনীর ভায়া করা সন্ত্রাস।আমাদের ঘর করার জন্য ইট, বালু, রড, সিমেন্ট, আনা হয়েছে।কিন্তু আমাদের কে ঘর বাড়ি করতে দিবেনা বলে আমাদের ইট, বালু, রড, সিমেন্ট, তাদের সন্ত্রাসী গ্রুপ মিলে রাতের অন্ধকারে সব নিয়ে গেছে।কিন্তু আমরা কোনো বিচার পায়নি।বর্তমানে আমাদের ঘরে ঢুকে অস্ত্র ঠেকিয়ে হত্যার হুমকি প্রদান করেন সাবেক কাউন্সিলর গ্রুপ।আমরা নিরুপায়, প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি। ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে লক্ষ্মীপুর সেনা ক্যাম্প কর্মকর্তার বরাবর অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। আমাদের ক্রয় কৃত মালিকানা সম্পত্তির উপর জোর পূর্ব ভূয়া মালিকানা দাবি করে দখল দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে বিএনপির নেতা কর্মীর পরিচয়ে।প্রবাসী ইব্রাহিম এর সালা সাংবাদিকদের জানান,জমির আশপাশে যেতে দিচ্ছে না সাবেক কাউন্সিলর মোস্তফা ও তার বোন ভাগিনা আরিফ মনির।তিনি আরও জানান,দীর্ঘ ৫বছর পরে ফিরে পেলাম পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় ক্রয় কৃত খরিদ করা সম্পত্তি। ৭৬নং মজুপুর মৌজার জেলা জরিপী ১৬৫ এস এ ১৭৭ খতিয়ান ভুক্ত ১২৩ দাগ আর এস জরিপী ২৭৭৭ নং খতিয়ান ভুক্ত নামজারি জমাখারিজ খতিয়ান ভুক্ত ১০৪২ দাগ আনন্দরে ৬ শতাংশ জমি
দলিল মূলে জমির মালিক ভগ্নীপতী ইব্রাহিম। সন্ত্রাসী কায়দায় করে যেকোন সময় আমার বোন ভগ্নীপতি ও তার পরিবারের স্বজনদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করতে পারে। আমাদের এই জায়গা নিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা সিনিয়র জজ আদালতে দেওয়ানী মামলা চলমান আছে।মামলা নং- ৪৫৭/২০২৫ইং। মামলার বিচারক মহোদয়ের নিকট উপযুক্ত বিচারের জোর দাবি জানাচ্ছি,আমরা নিরুপায়, দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল,বিবাদীরা খুব টাকা পয়সাওলা,আইনের প্রতি শ্রদ্ধা নয়। তাদের বিরুদ্ধে গোপনে তথ্য নিলে মিলবে শত শত মাদক ব্যবসায়ীর সাথে মাদক ইয়াবা ব্যবসা নিয়ে জড়িত। গত দুই বছর আগে লক্ষ্মীপুর ঝুমুর হোটেলে গরুর মাংস বলে গোড়ার মাংস দিতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়ে এক কশায়। সেই ঘটনার সাথে জড়িত সাবেক কাউন্সিলরের এক ভাই।শুরু হয় ভাইয়ের বিরুদ্ধে বিভিন্ন পেপার পত্রিকা সংবাদ প্রকাশ।এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের নিরাপত্তা নেই বলে মন্তব্য করেছেন এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশী গণ। অন্যদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা বলেন, বিবাদীরা হলেন মানুষের টাকা পয়সা ও ঘর বাড়ি এবং জমি জমা দখলে আত্মসাৎ কারী। স্বজনদের বক্তব্যে, আবারও প্রতিবেশী গণ বলেন,যেকোনো সময় দুই পক্ষের মধ্যে হামলার ঘটনা ঘটে গুরুত্ব আহত হয়ে খুন হওয়ার আশংকা রয়েছে। তবে পুলিশ প্রশাসন চাইলে দুই পক্ষের সঠিক কাগজ পত্র ও দলিল খতিয়ান পর্যায়ে আলোচনা করে বিবেচনার মাধ্যমে সুন্দর একটা সমাধান দিতে পারে। তবে ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী ঘটে যাওয়া ঘটনার বিস্তারিত জানার জন্য অভিযুক্তদের নিকট গিয়ে অনেক খোজাখুজি করেও কোথাও মিলেনি বিবাদীর সন্ধান। বিবাদীদের কাউকে না পেয়ে জানা হলোনা ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য বৃন্দ কে হত্যা ও প্রাণনাশের হুমকি প্রদান, এবং মালিকানা সম্পত্তির উপর থেকে উচ্ছেদ করে জমি দখল দেওয়ার চেষ্টা সম্পর্কে বিস্তারিত জানা। পরবর্তী সংখ্যা দেখতে চোখ রাখুন দৈনিক জাতীয় পত্রিকা ডেইলি প্রেজেন্ট টাইম সহ,আরও কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা।এবং দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পত্রিকা সহ আরও অন্যান্য পত্রিকায়।
