পায়ে গুলি নিয়েই মারা গেলেন জুলাই যোদ্ধা খলিল,অভাবে মারা গেছেন দাবী পরিবার স্বজনদের

লেখক: Admin
প্রকাশ: ১ বছর আগে

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ঢাকার কাজীপাড়া এলাকায় পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত মো. খলিলুর রহমান (৩৫) মারা গেছেন।বুধবার (১৪ মে) বিকেল তিনটার দিকে ঢাকার আগারগাঁও নিউরো সাইন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা তার মৃত্যু হয়। নিহত খলিলুর রহমান খান বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাশা ইউনিয়নের ঘটকের চর গ্রামের মৃত কাশেম খান এর ছেলে।

নিহত খলিলুর রহমান পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রি ছিলেন। সুচিকিৎসার অভাবে মারা গেছেন বলেন দাবী করেন পরিবারের সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১৫ ই মে) সকাল ৯ টায় জুলাই যোদ্ধা মোঃ খলিলুর রহমান খানের নিজ বাড়িতে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।তার জানাজায় অংশ নেন বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ।

খলিলুর রহমান খানের স্ত্রী নার্গিস বেগম জানায়, তার স্বামী ঢাকাতে রাজমিস্ত্রি কাজ করতেন এবং আমি গার্মেসে চাকুরি করতাম। জুলাই বিপ্লবে খলিলুর রহমান ঢাকার রাজপথে আন্দোলনে অংশ নিয়ে গত ২০ জুলাই কাজীপাড়া এলাকায় পুলিশের গুলিতে গুরুতর আহত হন। এ সময় তার পায়ে দুটি গুলিবিদ্ধ হন। তৎকালিন সময় স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের ভয়ে লুকিয়ে লুকিয়ে চিকিৎসা নেন।

৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর তাকে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসকরা তার পা থেকে ১টি গুলি বের করতে পারলেও একটি গুলি রয়ে যায় বলে দাবি করেন স্ত্রী। গত ১০ মে খলিলু রহমান বেশি অসুস্থ্য হয়ে পড়লে তাকে ঢাকা নিউরোসাইন্স হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ( ১৪ ই মে) বুধবার তার মৃত্যু হয়। খলিলুর রহমানের বৃদ্ধ মা পেয়ারা বেগম বলেন, ‘ছেলের উন্নত চিকিৎসা করাতে পারিনি। তার স্ত্রী নার্গিস বেগম এক সন্তানের জননী গার্মেন্টসে চাকরি করে যে টাকা দিয়ে যতটুকু পেরেছে ততটুকু চেষ্টা করেছেন।

আমি একজন বিধবা মহিলা আমার একমাত্র আয়ের সম্বল ছিল আমার পুত্র খলিলুর রহমান খান। গুলির ঘটনার পর থেকে আমার ছেলে সব সময় বিচলিত ছিল এবং সব সময় বলতো পায়ে ব্যথার সমস্যা কথা। উন্নত ও সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হলে আমার ছেলে বেঁচে যেত।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন