উঠতি প্রজন্মের স্মার্টফোনে আসক্ত, ঝুকির মুখে তরুণ সমাজ

লেখক: Admin
প্রকাশ: ৯ মাস আগে

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ সাম্প্রতিক সময়ে লক্ষ্য করা যাচ্ছে,দেশের উঠতি বয়সের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে।

সময় কাটাচ্ছে স্মার্টফোনে, সামাজিক যোগাযো গমাধ্যমে, কিংবা অনলাইন গেমে। এতে তারা পড়াশোনা থেকে যেমন দূরে সরে যাচ্ছে, তেমনি ধীরে ধীরে জড়িয়ে পড়ছে আসক্তি, অনৈতিক সম্পর্ক ও সামাজিক অবক্ষয়ের মধ্যে দিয়ে চলছে তাদের জীবন।

বিশেষ করে কিশোর-তরুণদের মধ্যে মোবাইল গেম ও কেসিনো ধরণের (apps) অ্যাপের প্রতি আসক্তি ভয়াবহ আকার রূপ ধারণ করছে।

অন্যদিকে, অনেক মেয়েও অনলাইন বন্ধুত্ব ও প্রেমে জড়িয়ে মানসিক ও সামাজিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

এতে পারিবারিক অশান্তি, সম্পর্কের ভাঙন ও ইজ্জত হানির মতো ঘটনা ক্রমেই বাড়ছে। সাম্প্রতিক প্রায় দেখা মিলছে বিয়ের দাবিতে প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে প্রেমিকা I

আশ্চর্যের কিছুই নেই, কল্পনা হলেও সত্য ঘটনা। দুঃখজনক কিংবা লজ্জাজনক হলেও সমস্যার সমাধান করছে পরিবার ও সামাজিক নেতৃবৃন্দরা । প্রেম ভালোবাসা ছিল আছে এবং থাকবে কিন্তু বর্তমান ধরনটা আলাদা । সবই স্মার্টফোনের কারুকার্য।

তরুণ তরুণীরা স্মার্টফোন ব্যবহার করার কারণে নেই কোন পরিবারের শান্তি। প্রতিটি মুহূর্তে রয়েছে ঝগড়া আর অভিযোগ। প্রতিহিংসার ক্ষোভ, রাগ, অভিমানে, প্রতিনিয়ত ঘটছে হত্যা, ঘুম, খুন, আর পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা।

ব্যক্তিগত ভাবে মনে করি, অতিরিক্ত ফোন ব্যবহার তরুণদের মনোযোগ নষ্ট করছে, বাড়াচ্ছে হতাশা ও অপরাধ। তাই এখনই প্রয়োজন অভিভাবক, শিক্ষক ও সমাজের সক্রিয় ভূমিকা। সন্তানদের প্রতি যত্ন ও নজরদারি রাখা।

যদিও প্রশাসনিকভাবে তরুণ সমাজের দিকে লক্ষ্য রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের। তরুণ তরুণীদের হাতে স্মার্টফোন না দেওয়ার আহ্বান।তবুও বন্ধ হচ্ছে না তরুণ তরুণীদের স্মার্টফোন ব্যবহার করা।

তাকালেই চোখের নজরে পড়ে প্রতিটি স্কুল কলেজে ফাঁকি দিয়ে চলছে তরুণ তরুণীদের স্মার্টফোনে আলাপ।

তরুণ প্রজন্মকে বুঝাতে হবে, জীবনের আসল উদ্দেশ্য মোবাইল নয়, জ্ঞান, চরিত্র ও আদর্শের চর্চা।

তাদের হাতে বই ফিরিয়ে দিতে হবে, নৈতিকতা ফিরিয়ে দিতে হবে। পারিবারিক শিক্ষাই বড় শিক্ষা।  পরিবার-পরিজন যথেষ্ট ভাবে সন্তানদের প্রতি যত্নশীল হইতে  সক্ষম হন।

বিপদ থেকে রক্ষা করুন, তাই যুবসমাজ কে এগিয়ে আসতে হবে। তরুণ তরুণীদের হাতে স্মার্ট ফোন নয়,বই শিক্ষা হচ্ছে তাদের আগামী দিনের ভবিষ্যৎ।

আগামী প্রজন্মে তরুণ তরুণীদের হাতে বই তুলে দিন, শিক্ষায় হোক একটি শিক্ষিত সমাজ।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন