মিথ্যা অভিযোগে বিবাদী কে হয়রানি, দীর্ঘ ১১ মাস নির্মাণ কাজ বন্ধ

লেখক: Admin
প্রকাশ: ২ দিন আগে

পর্ব -১

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:লক্ষ্মীপুরে নির্মাণ কাজে বাধা ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে ৫ অভিযুক্তকারী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে।এমন অভিযোগ করেন অভিযুক্তকারীদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা।ভুক্তভোগী খলিল কাজী বলেন, আমাদের পুরো একটি বাড়িতে ২একর ৫৭ শতক জমি রয়েছে। ওল্ড পি,এস ১৭৭৫ নং খতিয়ান মূলে ১ একর সাড়ে ২৮ শতাংশ জমির মালিক আমার দাদা আব্দুল গনি কাজী গং। পরে দাদা আব্দুল গনি কাজী গং মৃত্যুর পরে আমার পিতা ওয়ারিশ সূত্রে মালিক গং। বাবার মৃত্যুর পরে আমরা দাতাগণ ওয়ারিশ সূত্রে মালিক গং। আমার প্রতিপক্ষ বাদি, আমাকে বিবাদী করে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় একটি অভিযোগ করেন তাদের মালিকানা সম্পত্তি দাবি করে। এতে আমার লাখ লাখ টাকার রড সিমেন্ট বালু ইট ও কণা নষ্ট হয়েছে। আজ দীর্ঘ ১১ মাস যাবত আমার নির্মাণ কাজ বন্ধ করে রেখেছে বাদি গং। আমার একটাই অপরাধ,একটাই দোষ,আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল যে কারণে আমার লাখ লাখ টাকার রট সিমেন্ট বালু ও কণা নষ্ট হয়েছে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই, আমার প্রতিপক্ষরা নাঠা ও লাঠিয়াল বাহিনী সন্ত্রাসী কুচক্র মহল শ্রেণীর লোক হন। তাদের অশক্তির কাছে আমি জিম্মি। কিছু বলতে গেলে তাদের স্ত্রী ও কন্যা সন্তান লেড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে,তাদের পেশা ও নেশা। আমি বয়স্ক মানুষ,বৃদ্ধ হিসাবে আমার আত্মবোধ সম্মান আছে।তাদের না থাকতে পারে। আইনকে নিজের হাতে তুলে নিতে পারছি না। আত্মসম্মানের দিকে তাকিয়ে বার বার আইনের সহযোগিতা চেয়েও আমি ব্যর্থ হয়েছি।

এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় বাদিগণদের সঙ্গে কয়েকবার পারিবারিক ভাবে বাড়ি ও থানার গোল টেবিলের মাধ্যমে বৈঠক করে সমাধান হয়নি। ওই সময় থানার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার সার্ভেয়ার জাকির ও সার্ভেয়ার শামীম এবং ২পক্ষের আমিন। বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সার্ভেয়ার ও আমিনের পরিমাপের কফি এখন পর্যন্ত আমি বুঝে পাইনি। সঠিক মালিকানা দলিল ও খতিয়ান আইনের কাছে প্রমাণ করতে পারে নাই বাদিগণ। তার পরেও তারা আমাকে দীর্ঘ ১১মাস ধরে হয়রানি করেছে। নির্মাণ কাজে বাধা কারীরা হলেন,কাকন ও কাউছার কাজী, পিতা আব্দুর রাজ্জাক কাজী। সোহেল কাজী, পিতা মানিক কাজী। মানিক ও বাসার কাজী, পিতা আব্দুল বারেক কাজী। বিবাদী খলিল কাজীর দাদা ও বাবার ক্রয়কৃত মালিকানা সম্পত্তির বসত বাড়ির মধ্যে ঘর স্থাপনা নির্মাণ কাজ করতে গেলে কাকন কাজী, কাউছার কাজী, সোহেল কাজী, মানিক ও বাসার কাজী সহ তারা ৫ ব্যক্তি মিলে পুলিশ দিয়ে আমার নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করেন।

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড মধ্য বাঞ্ছানগর গ্রামের কাজী বাড়িতে ঘটনা ঘটে। দফায় দফা বৈঠক করে লাখ, লাখ,টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে বলেও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা। প্রতিনিয়ত ভুক্তভোগী খলিল কাজী কে হয়রানি করা হচ্ছে বলে জানান, কিছু অপরিচিত তাদের প্রতিবেশী গণেরা।ভুক্তভোগীর ছেলে বলেন,এইসবের মূল কারণ হচ্ছে আমার বাবা খলিল কাজীর থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করা। মুখ খুলে না বলতে পারলেও, আকার ইঙ্গিতে নির্মাণ কাজ বন্ধ করা মানে হচ্ছে, চাঁদা দাও, তোমার নির্মাণ কাজ শুরু করো।

ভুক্তভোগী খলিল কাজীর স্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে থানায় ও বাড়িতে বৈঠকও হয়েছে এবং সেখানে প্রতিপক্ষের জমির কোনো মালিকানা প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
যার ফলে আমি ভুক্তভোগী পরিবার, অভিযুক্ত ৫ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হয়রানির সুষ্ঠু বিচার দাবি কামনা করছি প্রশাসনের কাছে।

দীর্ঘ ১১ মাস ধরে বসতবাড়ি যে ঘর নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে, তা যেন অতি দ্রুত সমাধান করে নির্মাণ কাজে অনুমতি দেন এই অভিযোগের বিচারক’রা । এমনিতে আমরা শেষ আমাদের বসত বাড়ি ঘর নির্মাণের কাজে যে রট সিমেন্ট বালু ইট ও কণা সহ মালামাল আনা হয়েছে তা নষ্ট হয়ে গেছে।আর কত ক্ষতি করবে, মিথ্যা অভিযোগে।প্রায় আমাদের ৪ হইতে ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে মিথ্যা অভিযোগের কারণে। আর ক্ষতিগ্রস্ত হইতে চায়না এবার মিথ্যা অভিযোগের থেকে মুক্তি দিয়ে আমাদের নির্মাণের কাজের অনুমতি চায়।

তবে সরজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ সুত্রে অভিযুক্ত কারীদের কে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। যার ফলে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পৌরসভার স্থানীয় মহল্লাবাসীদের অভিযোগ,খলিল কাজীদের পূর্বপুরুষ গংরা এই সম্পত্তির মালিক। বর্তমানে খলিল কাজিদের ওয়ারিশ সূত্রে মালিকানা সত্য।

তবে থানায় অভিযোগ দেওয়া বাদি কাকন কাজী, কাওছার কাজী, সোহেল কাজী, মানিক কাজী, বাসার কাজী, সহ দলবদ্ধ হয়ে বিবাদী খলিল কাজীর বসত বাড়ির ঘর নির্মাণ কাজে বাধা দিয়ে বন্ধ রাখা হয়েছে কেনো, তা আমাদের জানা নেই। তবে আশা করি অতি দ্রুত বিবাদী খলিল কাজীর নির্মাণ কাজ শুরু করতে প্রশাসন সহযোগিতা করবেন।

মহল্লা বাসীরা আরো বলেন,কারণ আগের মত এখন আর প্রশাসন নেই। একক ভাবে দলীয় পক্ষে কাজ করে না, অসহায় নিরীহ নির্যাতিত মানুষের পক্ষে কাজ করেন। সেই হিসেবে আমাদের দাবি খলিল কাজীর বসত বাড়ির ঘর নির্মাণ কাজে প্রশাসন অনুমতি দিবেন।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন