
কমলনগর উপজেলা প্রতিনিধিঃ কমলনগর উপজেলা আওতায় দিন ৩নং চর লরেন্স ইউনিয়নের চরলরেন্স গ্রামে নিরীহ গোলাম মাওলার বসতবাড়িতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে প্রতিবেশী নুরুল আমিন নামে এক ব্যক্তি। এ ঘটনায় কমলনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভোক্তভোগি গোলাম মাওলা।
জানা যায়, চরলরেন্স ইউনিয়নের চরলরেন্স গ্রামের গোলাম মাওলা বাড়ির প্রত্যেকেই বহু বছর আগেই সমহারে বুঝে নেন বাড়িভিটাসহ পৈতৃক সূত্রে পাওয়া জমি। তবে মৃত মফিজুল হকের ছেলে নুরুল আমিন সুপার সবার মধ্যে ব্যতিক্রম। তুচ্ছ কারনেই যেকারো সঙ্গে ঝগড়া বাঁধিয়ে বসেন। তার হাত থেকে রেহাই পাননি গোলাম মাওলা।
থানায় দায়েরকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে প্রতিনিয়ত চলে নুরুল আমিন সুপারের বকাবকি। কেউ কিছু বলতে গেলে, দা, কুড়াল অথবা হাতের কাছে লাঠিসোটা যা পান তা নিয়েই আঘাত করতে তেড়ে আসেন নুরুল আমিন সুপার। রবিবার দিনভর গোলাম মাওলার জমিতে থাকা একটি চলাচলের রাস্তায় শতাধিক ময়লা আবর্জনা যাওয়া হাউজ এর কয়েকটি ময়লার ট্রাংকী দেওয়া হয়েছে।
ওই ঘটনায় ১৩/০৪/২০২৫ইং তারিখ রোজ রবিবার বিকাল ৪টার দিকে ভোক্তভোগি গোলাম মাওলা বাদী হয়ে কমলনগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ তদন্তে ঘটনাস্থলে যান কমলনগর থানার এস আই ইসমাঈল হোসেন।ভোক্তভোগি গোলাম মাওলা জানান, আমার মালিকানাধীণ জমির , বাড়িতে চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে হাজি পাড়া আল আরাফা দাখিল মাদ্রাসার ছুঁইফার নুরুল আমিন সুপার। কিছু বলতে গেলেই দা, কুড়াল ও লাঠিসোটা নিয়ে আঘাত করতে তেড়ে আসে মানুষের গায়ের দিকে।
এর আগে আমার ছয় শতাংশ জমি মাদ্রাসার নামে বেদখল দেয়।পরে বিভিন্ন গ্রামে গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের উপস্থিতিতে শাল্লীসের মাধ্যমে রাস্তার জন্য দুই শতাংশ জমি বাদ দিয়ে বাকী চার শতাংশ জমি ফেরত দিবে। কিন্তু আজও সেই জমি বুঝিয়ে না দিয়ে উল্টো এখন আমার চলাচলের পথ বন্ধ করে দিয়ে রাস্তার সম্পত্তি দখল দেওয়ার চেষ্টা করে ময়লার ট্রাংকীর ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে।
বর্তমানে প্রচন্ড রকমের একটা আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটছে আমাদের।এস আই ইসমাঈল হোসেন জানান,মাদ্রাসায় গিয়ে কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। তিনি আরও বলেন বিবাদী নুরুল আমিন সুপার এর সঙ্গে আমার মুঠোফোনে কথা হয়েছে এবং কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
স্থানীয় প্রতিবেশীদের উপস্থিতিতে দুই দিনের মধ্যে সমস্যা সমাধান করতে বলে আসছি।এব্যাপারে নুরুল আমিন সুপার থানায় আসবে বলেছে। গোলাম মাওলাদের চলাচলের রাস্তা জমিটি তার নিজের। দা, কুড়াল ও লাঠিসোটা নিয়ে আঘাত করতে তেড়ে আসার বিষয়টিও অস্বীকার করেন তিনি। তবে অভিযুক্ত জবর দখল কারী নুরুল আমিন সুপার কে ঘটনার স্থলে গিয়ে পাওয়া যায়নি এবং তার মুঠোফোনে কল রিসিভ না করার কারণে মালিকানা সম্পত্তির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে কিসের ক্ষমতার বলে ময়লার ট্রাংকী ও ড্রেন নির্মাণ কাজ চলছে তা জানা সম্ভব হয়নি।
এদিকে এলাকাবাসীরা সাংবাদিকদের জানান, বসতবাড়িতে চলাচলের এ রাস্তাটি গোলাম মাওলা নিজের জমিতে। রাতেদিনে হরহামেশাই চলে বকাবাদ্য।
