
পর্ব – ১
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নাম ও ঠিকানা বিহীন মোসলে উদ্দিন নামের এক ব্যক্তি মরহুম নুর নবীর খরিদ কৃত সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে দলিল ও খতিয়ানের বিরুদ্ধে গত ৭ জানুয়ারী ২০২৬ইং তারিখে কমলনগর উপজেলা ভুমি অফিসে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভুমি কর্মকর্তার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর নিকট মোসলে উদ্দিন বাদি হয়ে মরহুম নুর নবী ও তার ওয়ারিশ গণদের কে বিবাদী করে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
পরে ঐ অভিযোগে মরহুম নুর নবী গংদের মালিকানা সম্পত্তির দলিল ও খতিয়ান সহ সকল কাগজ পত্র নিয়ে কমলনগর উপজেলা ভুমি অফিসে হাজির থাকতে নোটিশ প্রেরণ করেন কমলনগর উপজেলা সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন।
পরে বিবাদী মরহুম নুর নবীর ২ সন্তান, ইকবাল ও নয়ন বেগম সহ ওয়ারিশ গণ তাদের মালিকানা দলিল ও খতিয়ান নিয়ে হাজির হলে তাদের মালিকানা কোনো দলিল ও খতিয়ান দেখাতে পারিনি বলে বিবাদী মরহুম নুর নবীর ওয়ারিশ কতৃক মালিক গংদের মধ্যে ইকবাল ও নয়ন বেগম কে মোবাইল কোড এর মাধ্যমে কোনো কারণ ছাড়া ১মাসের জেল দিয়ে হাজতে পাঠিয়েছে বলে ভুক্তভোগী মরহুম নুর নবীর ওয়ারিশ গণদের অভিযোগ।
এমন অভিযোগে সাংবাদিকরা গত বুধবার সকাল ১১টার সময় সরজমিনে গিয়ে কমলনগর উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা ও ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের আয়নিত অভিযোগ কতটুকু সঠিক জিজ্ঞেস করে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাদি মোসলে উদ্দিন এর মালিকানা পাওয়া গেছে।
কিন্তু তিনটি শুনানিতে বিবাদী পক্ষের মরহুম নুর নবীর ওয়ারিশ গণেরা তাদের কোনো মালিকানা দলিল বা খতিয়ান দেখাতে পারেন-নি তায় বিবাদী মরহুম নুর নবীর ২ সন্তান কে একমাসের কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে।
সাংবাদিক গণ আবারও জানতে চেয়ে জানান,ভুক্তভোগীরা শুনানির দিনে তাদের মালিকানা সম্পত্তির দলিল ও খতিয়ান দেখানো হলে দলিল ও খতিয়ান না দেখে কোন কারণ ছাড়া আপনার মোবাইল কোডের মাধ্যমে তাদের ২জন কে জেলে পাঠান।
পরে সাংবাদিক’রা ভুক্তভোগীদের দেওয়া দলিল ও খতিয়ান দেখালে সহকারী কমিশনার(ভুমি) কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আরাফাত হুসাইন সাংবাদিক দের প্রশ্নের জবাবে বলেন, সেদিন এ ধরণের কোনো দলিল বা খতিয়ান তাদের সাথে ছিলো- না।
তিনি আরও আসামিরা চাইলে আপিল করতে পারেন। স্বজনদের হয়রানি খোঁজ নিয়ে জানা যায় নামজারি ও খতিয়ান এর বিরুদ্ধে গত সাথে জানুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে মোসলে উদ্দিন নামের ব্যক্তি মৃত নুর নবীর ওয়ারিশ গংদের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করে অভিযোগ সূত্রে সরেজমিন তদন্ত করে উভয়পক্ষকে বৈঠকের সিদ্ধান্ত দিলে বাদি মোশলে উদ্দিন তারপর থেকে পলাতক বলে জানা যায়।
এ ঘটনা কে কেন্দ্র করে মরহুম নুর নবীর ওয়ারিশ গণেরা লক্ষ্মীপুর জেলা জজকোর্ট দেওয়ানী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন বাদি মোসলে উদ্দিন কে বিবাদী করে। যার মামলা নম্বর ৪৬/২৬। মরহুম নুর নবী ৫ছেলে ও ৪ মেয়ে এবং ১ স্ত্রী সহ জয়নাল আবেদিন ও আবদুল মালেক এর ওয়ারিশ গণ সহ ২৫ জন বাদী হইয়া এই মামলাটি করা হয়েছে।
মরহুম নুর নবী এর ওয়ারিশ গণেরা হলেন, ছেলে মোহাম্মদ তারেক হোসেন, মোহাম্মদ ইউসুফ, মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ কবির,মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন ও মেয়েরা হলেন, নয়ন বেগম, নাসিমা আক্তার, নাজমা আক্তার, জরিনা আক্তার, স্ত্রী মনোয়ারা বেগম।
এবং মৃত জয়নাল আবেদিন এর ওয়ারিশ গণেরা হলেন,ছেলে ইসমাইল, হেলাল, মৃত আজিজুল হক, মৃত নজরুল হক, মৃত শহীদ উদ্দিন,ও মরহুম নুর নবীর স্ত্রী জয়নাল আবেদিন এর মেয়ে মনোয়ারা বেগম, পাখি বেগম, রুকিয়া বেগম, রাবেয়া বেগম, নাসিমা বেগম।মৃত আজিল হকের ছেলে ওয়ারিশ কতৃক মালিক মোহাম্মদ ফিরোজ ও মোহাম্মদ রাশেদ, মৃত নজরুল হকের ওয়ারিশ কতৃক মালিক গণেরা হলেন,ছেলে মোহাম্মদ রাজু ও মেয়ে লাখি বেগম, সাথী বেগম, ও স্ত্রী পারভিন বেগম।
জয়নাল আবেদিন এর ছেলে মৃত শহিদ উদ্দিন এর ওয়ারিশ গনেরা হলেন,ছেলে মোহাম্মদ শাকিল।মৃত আব্দুল মালিক এর ওয়ারিস গনেরা হলেন, ছেলে মোহাম্মদ মনির হোসেন ,মৃত আব্দুল গনি, মেয়ে জমিলা খাতুন, মেয়ে পারুল বেগম।
বিবাদী মোসলে উদ্দিন ও ইন্ধন দাতারা হলেন, ১।মোহাম্মদ ইউপি সদস্য নিজাম উদ্দিন ,পিতা মৃত ইউনুস। ২। বদ্ধি বেপারী, কালো মুন্সিবাড়ি।৩। ,নিজান উদ্দিন, পিতা মৃত জালাল আহমেদ।৪। শাকিল,পিতা মসলে উদ্দিন।৫। মোহাম্মদ বেপারী, মোহাম্মদ বেপারি বাড়ি।৬।নাসির বেপারী, মোহাম্মদ বেপারি বাড়ি। ৭। মোহাম্মদ হানিফ, পিতা মোঃ বেপার।৮। মোতায়ের হোসেন,পিতা মোঃ বেপার।৯। সিদ্দিক বেপার,পিতা জালাল আহমদ।১০। দেলোয়ার হোসেন, পিতা মোঃ বেপারী। ১১।আকবর হোসেন, মোহাম্মদ বেপারী বাড়ি।
দেওয়ানী মামলার ১নম্বর বাদি তারেক বলেন, আমাদের দেওয়ানী মামলার বিবাদী মোসলে উদ্দিন মৃত নুর নবীর মালিকানা ক্রয় করেছেন বলে দাবি করে খতিয়ান ও ওয়ারিশ গণদের বিরুদ্ধে ভুমি অফিসে বিবাদী করে এসিল্যান্ড স্যারের কাছে মামলা দায়ের করেছে।
আমরা তার দলিলের বিরুদ্ধে লক্ষ্মীপুর জেলা জজকোর্ট দেওয়ানী মামলা করা হয়েছে। মৃত নুর নবীর স্ত্রী মনোয়ারা বেগম বলেন,আমি মৃত জয়নাল আবেদিন মেয়ে ওয়ারিশ কতৃক সম্পত্তি মালিক হই।এবং আমার স্বামী মারা যাওয়ার পূর্বে আমার পিতা মৃত জয়নাল আবেদিন ও আমাদের বিভিন্ন ওয়ারিশ গণদের মালিকানা অংশ ক্রয় করেছেন।তিনি আরও বলেন,এই মোসলে উদ্দিন কে বা কাঁহারা তার নামও কখনো শুনি নাই, দেখা থাক দুরের কথা, কিন্তু আমরা দীর্ঘ ৩৫ হইতে ৪০ বছর যাবত বাড়ি ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছি।
স্বামী নুর নবী মারা গেছে আজ প্রায় ২ হইতে আড়াই বছর হবে। এখন নতুন করে মোসলে উদ্দিন নামের এই ব্যক্তি বলে আমার স্বামীর কাছ থেকে জমি ক্রয় করেছেন কিন্তু তাকে দলিল ও খতিয়ান দেখাতে বলিলে সেই বলে তার না-কি দলিল ও খতিয়ান আগুনে পুড়ে গেছে। তাহলে সেই আমাদের হক জাল জালিয়াতি করে আমি ও আমার ছেলে মেয়ে এতিমদের হক মেরে খাওয়ার ধান্দা শুরু করে চাঁদাবাজির নতুন পরিকল্পনা চেষ্টা চালিয়ে আমাদের কে হয়রানি করে আসছেন মোসলে উদ্দিন।
এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশী বিভিন্ন জনের সাথে সাক্ষাৎ নিলে তারা বলেন, মোসলে উদ্দিন কে বা কাঁহারা তার নাম ও শুনি নাই এখন ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে শুনি আমাদের বুঝ জ্ঞান হওয়ার পর হইতে দেখি নুর নবীর ওয়ারিশ গণেরা ভোগদখলে আছে এবং ভুক্তভোগীরা বিভিন্ন ওয়ারিশ গণদের কাছ থেকে খরিদ করে তারা মালিক হয়েছে।
মোসলে উদ্দিন এর নাম ও বাড়ির কোথায় তার কোনো ঠিক ঠিকানা পাওয়া যায়-নি। কেউ বলে ভোলা, কিন্তু কত নম্বর ইউনিয়ন বা ওয়ার্ড কারোই জানা না থাকার কারণে ভুক্তভোগীরা মোসলে উদ্দিন এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করার পর হইতে এখন পর্যন্ত পুলিশ তার ঠিকানা খুজে পাচ্ছে না।
তবে অভিযুক্ত কারী নিজাম উদ্দিন মেম্বার সাংবাদিকদের জানান,আমি ঘটনার সাথে জড়িত নয় কেউ যদি আমার নামে মিথ্যা অভিযোগ দেয় তাহলে আমি মনে করি আমার মানহানি হয়েছে বলে সত্যি ঘটনা কে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা এইসব কথা মন্তব্য করেছেন। এদিকে ভুক্তভোগী পরিবার সদস্যদের অভিযোগ সুত্রে অভিযুক্ত বিবাদী মোসলে উদ্দিন এর ঠিকানা অনুযায়ী অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোথাও সন্ধান মিলেনি। যার ফলে অভিযুক্ত মোসলে উদ্দিন এর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
মৃত নুর নবী এর ভাগিনা মিজান উদ্দিন বলেন,আমার মামা মৃত নুর নবী ২৫/০১/১৯৮০ ও ২১/০৪/১৯৮৪ সনে ওয়ারিশ গণদের কাছ থেকে খরিদ সুত্রে ২টি দলিল ও ৩টি খতিয়ানে ৮৬ শতাংশ জমির মালিক হন। যার দলিল নং -১৯৫০ ও ৯২৫০ এবং খতিয়ান নং-২০১,১৬৩,৬৭ নামজারি নথি – ৫০৭। বিবাদী মোসলে উদ্দিন গত ১৯/১০/১৯৯২ সনে ৬০১১ দলিল করেন।
যাহার নামজারি নথি নং-৫০৮।৪৬/২৬ দেওয়ানী মামলার বিবাদী মোসলে উদ্দিন এর মালিকানার সাথে বাদীদের মালিকানার কোনো মিল পাওয়া যায়-নি। এতে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, মিথ্যা মামলার অভিযোগ দায়ের করে আমার ভাই ইকবাল ও বোন নয়ন বেগম কে ১মাসের সাঁজা দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে ইন্ধন দাতাদের কারণে ।
তবে এলাকাবাসীদের অভিযোগ সঠিক তদন্ত করে ভুক্তভোগী পরিবারের দুই সদস্যের মিথ্যা মামলা থেকে মুক্তি দিয়ে। আসল অপরাধী মোসলে উদ্দিনকে খুঁজে বের করে উপযুক্ত বিচার দাবি কামনা করছি। এদিকে এলাকার স্থানীয় শাহাবুদ্দিন বলেন,আমার ছোটকাল থেকে মৃত নুর নবীকে এই বসতবাড়িতে থাকতে দেখেছি এবং তার মালিকানা বৈধ রয়েছে। নুর নবী আমাদের জানা মতে কোন জায়গায় জমি বিক্রি করেন নাই।
মোসলে উদ্দিন ভূয়া, তার মালিকানাও ভুয়া, সে আমাদের এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা নয়, কোথায় থেকে এসেছে, তাও আমরা জানি না। তার জন্ম, ঠিকানা, পরিচয়, সবকিছু ভুয়া। বর্তমানে শুনেছি সে ভোলা জেলায় আছে। কিন্তু কোথায় থাকে তাও আমরা জানি না। খতিয়ান ও দলিল জাল করার অভিযোগ উঠেছে তা সঠিক নয়।এটি একটি সাধারণ নাটক পরিকল্পিতভাবে ইকবাল ও নয়নকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং তাদেরকে বিনা কারণে জেলে প্রেরণ করা, এক মাসের সাঁজা দেওয়া বড় দুঃখজনক ঘটনা।
আমরা এর প্রতি নিন্দা জানাই। একই সাথে আমরা আশা করছি দেওয়ানী মামলার বিচারকরা অতি দ্রুত দুইজন মিথ্যা মামলার আসামিকে যাবিনে এনে তাদের নামের মামলা ও তার করবে। এবং ইন্দন দাতা ও মিথ্যা মামলার সাজানোর নাটকীয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একই সাথে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচার প্রার্থনা করছি আমরা এলাকার সাধারণ জনগণ। মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে তাদের মুক্তি দেওয়া হোক। বিচারকদের কাছে একটা দাবি জানিয়েছেন এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশীরা।
নুর নবীর মেয়ে নাজমা বেগম বলেন, দাদা নিজাম উদ্দিন ইউপি সদস্য ও বদ্ধি ব্যাপারি মিলে দেওয়ানী মামলার বিবাদী মোসলে উদ্দিনের সাথে যোগ দিয়ে বসত ভিটা ছাড়া করার পরিকল্পনা চালিয়ে আসছে। যে দলিল দিয়ে মালিকানা দাবি করেছে, আমাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে নিজাম উদ্দিন ও বদ্ধি বেপারী আমাদের কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদে দাবি করে। আমরা দশ লক্ষ টাকা না দেওয়ার কারণে আমার ভাই ইকবাল ও বোন নয়নী কে পরিকল্পনা করে জেলে ফাটানো হয়েছে।
একমাত্র দায়ী ইউপি সদস্য নিজামুদ্দিন ও বুদ্ধির বেপারী শহর তারা ১০ জন ইন্ধন দাতা। এই দলিল সম্পর্কে আমরা কিছুই জানি না। আমাদের জন্মের আগে এইসব দলিল করেছে আমার বাবা। আমাদের মালিকানা সত্য, কিছু কুচক্র মহল আমাদের পিছনে লেগেছে।
আমাদের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। আমাদেরকে বাড়ি ছাড়া করার পরিকল্পনা চালাচ্ছে। এলাকার মধ্যে নিজাম উদ্দিন ইউপি সদস্য ও বদ্ধি বেপারীর মতো কিছু কুচক্র মহল এলাকায় পড়ে চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে।এরা বন্ধুদের সুখ অন্যের জমি দখল করা অন্যকে গুনগুন হত্যা করা তাদের পেশা আর নেশা। আমরা নিরীহ অসহায় মানুষ, আমাদের পাশে কেউ নেই। যার টাকা আছে, তার সব আছে।
আমাদের টাকা নেই, মানুষও নেই। তাই আমাদের উপর সবাই জুলুম করছে। নিজাম উদ্দিন মেম্বার হুমকি ধমকি দিয়ে আমাদের কে বসতবাড়ী ছাড়া করবেন এবং বাড়িতে থাকতে দিবে না বলে গায়ের দিকে তেড়ে এসে গালমন্দ করছেন প্রতিনিয়ত। বসতবাড়ির মাটি ও ৫টি গাছ কেটে নিয়ে গেছে মোহাম্মদ ব্যাপারি ও তার ছেলে মেয়ে এবং নাতিরা। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদেরকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আমাদের গায়ের দিকে তেড়ে আসা হচ্ছে প্রতিনিয়ত।হুমকিও দিচ্ছে, আমাদেরকে মেরে আমাদের লাশগুম করবে।
আমরা প্রশাসনের কাছে এর সুবিচার চাই। মামলার বিচারকদের কাছে আমাদের দাবি, ৮৬ শতাংশ জমি বসতবাড়ি আমাদেরকে বুঝিয়ে দেয়া হোক।
আমাদের আল্লাহ ছাড়া কেউ নেই,
তবে, এলাকার কিছু স্থানীয় অপরিচিত ব্যক্তিরা সাংবাদিকদের জানান, ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা নিরাপত্তাবিহীন অবস্থায় ভুগছে। যেকোনো সময় হত্যা, গুম, খুন, হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। এলাকার স্থানীয়দের দাবি, অসহায় ভুক্তভোগী পরিবারদের কে আইনের সহায়তা করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের কাছে সহায়তা কামনা করছেন।