
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর পৌর ৬নং ওয়ার্ড বাসিন্দা মোঃ আমির হোসেন কালাম অবসরপ্রাপ্ত বি ডি হাবিলদার বলেন,আমি পৌর ৬ নং ওয়ার্ড জামায়াতের আমির হিসেবে দায়িত্বে আছি।আপনাদের এই সংবাদ মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর আর এফ টিভি আমাকে কথা বলার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট শুকরিয়া জ্ঞাপন করছি, আলহামদুলিল্লাহ। তিনি আরো বলেন সামনে যে ডামাডলে আছি। আমরা আলহামদুলিল্লাহ এই নির্বাচনে দীর্ঘদিন আমাদের আন্দোলন সংগ্রামের কারণে আল্লাহ পাক এই শহীদ শরিফ ওসমান হাদির মতো দেশের জন্য শেষ তাজা বুকের রক্তবিন্দু দিয়ে যারা শহীদ হয়ে গেছেন তাদের কারণে আল্লাহ আজকের এই জমিন উর্বর করে দিয়েছে।আমরা এখন কামনা করছি, যে আল্লার রহমতে ইনশাআল্লাহ জামায়াত এদেশে ক্ষমতায় আসবে। জামায়াতে ভোট দিবে, জনগণের যথেষ্ট সাড়া পাচ্ছি ।আমরা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা করছি, দাওয়াতী কাজে সবাইকে ডক্টর রেজাউল করিম এর সালাম জানাচ্ছি। যেহেতু এখন নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা বন্ধ রয়েছে। ইনশাআল্লাহ আমাদের লক্ষ্মীপুরে জামায়াতের ইসলামের মনোনীত নমনী সংসদ সদস্য (এমপি) প্রার্থী ডক্টর রেজাউল করিম উনি অত্যন্ত জ্ঞানী মানুষ, মেধাবী ধর্ম বিরো একজন জ্ঞানী অভিজ্ঞ ব্যক্তি,তাকে লক্ষ্মীপুর ৩ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) হিসাবে লক্ষ্মীপুর জেলাবাসী দেখতে চায়। তিনি আরো বলেন, এ ধরনের লোকজনের উপর আল্লার রাষ্ট্রক্ষমতায় কখনো যদি এদের উপর অর্পিত হয়,রাষ্ট্র এবং রাষ্ট্রের জনগণ নিরাপদে থাকবে। এবং জনগণের প্রাপ্য অংশ মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছে দিয়ে আসবে,উনি সেই ধরনের একজন লোক। তো মহান আল্লাহর কাছে এটুকু কামনা করছি। আল্লাহ যেন এই ধরনের নেককার লোকদেরকে দেশের রাষ্ট্রে এবং আমাদের জেলায় উনাদের হাতে ক্ষমতা অর্পণ করে, তাহলে আমরা শান্তিতে থাকবো,দেশ ও জনগণ শান্তিতে থাকবে। এটা হবে লক্ষ্মীপুর জেলাবাসীর জন্য সৌভাগ্যের বিষয়। নির্বাচনী ভোট কেন্দ্রে ভোটার’রা যেতে পারবে কি-না জানতে চাইলে, শুক্রবার ১৯ই ডিসেম্বর বাদ জুমার শেষে তিনি সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাব বলেন, লক্ষ্মীপুর পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা রয়েছে প্রায় ছয় হাজার সাত,শ। তার মধ্যে আমি আশাবাদী ৮০% ভোটার ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে যাবে।তাছাড়া এই ৬নং ওয়ার্ডবাসীরা দীর্ঘদিন থেকে নানান দলের অত্যাচার নির্বিচার নির্যাতন দেখেছে, সেই ক্ষেত্রে আমরা যারা জামায়াতে রাজনীতি করি, আমাদের দ্বারা কেউ ক্ষতিগ্রস্ত বা অত্যাচারিত হয়নি,আমরা কারো ক্ষতি করি নাই, পারলে উপকার করেছি।তিনি আরো বলেন, ইনশাল্লাহ সামনে যদি দিনের সরকার ক্ষমতায় আসে, জনগণের যেটা প্রাপ্য, আমরা সেটা জনগণের দরজায় দাঁড়িয়ে পৌঁছে দিয়ে আসবো। লক্ষ্মীপুর জেলা পৌরসভা জনগণের যে সুবিধা রয়েছে এই সুবিধা গুলো থেকে পৌরসভা বাসি বঞ্চিত। এছাড়াও যারা পূর্বে দীর্ঘদিন থেকে পৌরসভা প্রশাসক কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা দায়িত্বে ছিলেন।পৌরসভার জনগণের জন্য সরকারের দেওয়া বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক অনুদান লুটপাট করে নিয়ে খেয়ে পেলছে।এছাড়া পুরসভার উন্নয়নমূলক কোনো কাজ হয়নি। দীর্ঘ ১৭টি বছর ধরে পৌরসভাবাসী উন্নয়নমূলক কাজ থেকে বঞ্চিত। বিভিন্ন সমস্যায় জর্জিত রয়েছে এই পৌরসভা বাসি ইনশাল্লাহ পরিচয় নং ওয়ার্ডবাসীরা যদি আমাদের জামাতের নেতা ডক্টর রেজাউল করিম সংসদ সদস্য( এমপি) প্রার্থীকে তাদের মূল্যবান ভোটটি দিয়ে জয়যুক্ত করেন, তাহলে আমরা এই ওয়ার্ডের পানি নিষ্কাশন হইতে সকল ধরনের সমস্যা সমাধান সবাইকে সাথে নিয়ে করব ইনশাল্লাহ।এবারে দীর্ঘদিন থেকে ময়লা ফেলার কোন ডাস্টবিন নেই কোন জায়গা নেই চলাচলের পথের উপর শহর প্রান্তিক মহল্লায় ময়লা ফেলে চলে যায়। যার ফলে এই ওয়ার্ডবাসীরা ভোগান্তির শিকার প্রতিনিয়ত হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হচ্ছে। এ ময়লা আবর্জনার কারণে অসুস্থ হয়ে শত শত পরিবার হাসপাতালে তাদের দিন কাটতে হয়। এবার আমাদেরকে একটু সুযোগ দেক, আমরা সবচাইতে আশাবাদী যে মানুষ আগে পরে সবাইকে দেখেছে। এবার আমাদেরকে দেখুক। আমরা যদি তাদের দেওয়া ওয়াদা পালন করতে না পারি, ব্যর্থ হই। তাহলে সামনে সুযোগ আছে, মানুষ আমাদেরকে ঘৃণা করবে। আমরা যদি নির্বাচিত হই আমাদের সর্বপ্রথম উদ্যোগ থাকবে লক্ষ্মীপুর পৌরসভা ৬ নং ওয়ার্ড থেকে মাদক প্রতিহত করা।মাদক মুক্ত করে একটি সু-সমাজ গড়ে তোলা আমাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য থাকবে। এছাড়াও আমি বিগত দিন আমার চাকরি জীবন থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর ভূমিকা পালন করে আসছি। এ মাদককে দমন করতে গিয়ে আমি ২টি মামলায় জর্জরিত হয়েছি। বর্তমানে আরো কয়েকটি মামলা আমার নামে চলমান রয়েছে।ইনশাল্লাহ সেই সকল মামলাতেও মাদকরা হেরে যাবে। ৬নং ওয়ার্ডে কোন মাদকের আড্ডা থাকতে পারবেনা। সুশীল একটি সমাজ চাই। ৬ নম্বর ওয়ার্ড হবে, সুশীল একটি সমাজ,মাদকের আড্ডা নয়। আমরা চৌকিদারের দায়িত্ব নিতে চাই। জনগণকে শান্তি দিতে চাই, জনগণ শান্তিতে থাকলে আমরা শান্তিতে থাকবো। আমরা দ্বীনের কাজে দায়িত্ব নিতে চাই, লক্ষ্মীপুরবাসী আমাদেরকে দ্বীনের কাজ করতে সুযোগ করে দেন। আমরা আপনাদের পাশে থাকতে চাই,বিগত দিনে আপনাদের পাশে আমরা যেমন ছিলাম, চৌকিদারের দায়িত্ব নিয়ে আপনাদের সেবা করতে চাই। আপনারা আমাদেরকে সেই সুযোগ দিন।
