

নিজস্ব প্রতিবেদক
লক্ষ্মীপুরে পারিবারিক কোলাহলের বিরোধের জের ধরে বাদী খোরশেদ নামের এক ব্যাক্তির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টায় বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে বিবাদী প্রভাবশালী সোলায়মান দুলাল গ্রুপদের।এমন অভিযোগের সত্যাতা পাওয়া গেছে সরজমিন গিয়ে। ভুক্তভোগী দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান,বিবাদী সোলায়মান কিশোর গ্যাং গ্রুপদের কাছে আমি ও আমার পরিবারের স্বজনরা জিম্মি,আমাদের বসতবাড়ির চলাচলের পথে রাস্তা বন্ধ করে তার বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ করে।বাদী ভুক্তভোগী গংরা সাংবাদিকদের বলেন,চলাচলের রাস্তার মধ্যে তাদের কোনো জমি নেই। এটি একটি বাড়ির পরিবারদের চলাচলের পথ এবং রাস্তা। এই জমির মালিক সোলায়মান দুলাল গ্রুপরা মালিক নয়। মূল মালিক গং হলেন বাদী মোঃ খোরশেদ আলম এর পিতা হাজী সৈয়দ আহাম্মদ।বর্তমানে তিনি শারীরিক মানসিক অসুস্থ থাকার কারণে ছেলে মোঃ খোরশেদ আলম এই মামলার বাদী হয়ে মামলাটি পরিচালনা করেন।গত ২৩ শে ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখ হইতে দুটি মামলা থাকার স্বর্থেও এখন পর্যন্ত বিবাদীদের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।রাস্তা বন্ধ করে নির্মাণ কাজ করাকে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী পরিবারের ৫- ৬ সদস্য আহত হন।আহতরা গ্রামের পল্লী চিকিৎসকের নিকট প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,উত্তর চর পাতা ৫নং ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের লনী মিয়া মিঝি বাড়ির স্থায়ী বাসিন্দা হাজী সৈয়দ আহাম্মদ এর ছেলে বাদী খোরশেদ আলম গংরা ও মৃত সিদ্দিক মুন্সীর ছেলে বিবাদী সোলায়মান দুলাল ও সোলায়মান দুলালের ছেলে মাসুদ গং এর মধ্যে মালিকানা ২ শতক জমি নিয়ে বিগত কয়েক মাস পূর্ব থেকে বিরোধ চলছে।এনিয়ে দফায় দফা গ্রামে ও রায়পুর থানায় এস আই মজিবুল হক উপ সহকারী পুলিশ পরিদর্শক এর ঘোল টেবিল সহ কয়েকটি দুই পক্ষের সাল্লিশদারদের উপস্থিতিতে জমির পরিমাপ করে বৈঠকীয় সাল্লিশ হয়। তবে আমিন ও সার্ভেয়ার জমি পরিমাপ করে বিবাদী, বাদীর নিকট অতিরিক্ত কোনো সম্পত্তি পাওয়া যায়নি।এদিকে নুর আলম অভিযোগ করে জানান,জায়গাটি আমাদের দখলীয় কৃতক সম্পত্তি , আমার বাবা খরিদ সুত্রে মালিক।কি করে সম্ভব হয়েছে আমাদের চলাচলের পথ বন্ধ করে চলাচলের রাস্তার উপর বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ করা। আমরা এর উপযুক্ত বিচার চাই পুলিশ প্রশাসনের কাছে, বিবাদী গংদের বিরুদ্ধে। বিবাদী সোলায়মান দুলাল তার কিশোর গ্যাং সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে এসে এইভাবে আমাদের পরিবারের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে বহুতল ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হচ্ছে।এঘটনার প্রতিবাদে প্রতিনিন্দা জানাচ্ছি বিবাদী সোলায়মান দুলাল সন্ত্রাসী গংদের বিরুদ্ধে। শাহ আলম আজাদ বলেন, জায়গাটি আমাদের বাড়ির পারিবারিক চলাচলের রাস্তা,বিবাদী গংরা সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে পায়তারা করিয়া আসিতেছে ভাড়াটিয়া একদল প্রভালশালী সহযোগী কারী দিয়ে। আমরা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি। বাদীর বোন জাহানারা বেগম জানান,উত্তর চর পাতা ২৬নং মৌজার মালিকানা খরিদ কৃতক সম্পত্তির আমরা গংরা মালিক,যাহার ৯৯৮ নং আর এস খতিয়ান ভুক্ত ৯০৪ দাগের ভূমি অন্দরে ২ শতক ভূমি নালিশী হয়। গত ৪০ বছর ধরে ৬২৯নং দলিল মূল্যে খরিদ সুত্রে ৮৮৬ দাগে সাড়ে ১১ ডিং জমির মালিক সিদ্দিক মুন্সী,ও ওয়ারিশ সুত্রে আসিক মালিক সৈয়দ আহমদ,ও ২১৪৫নং দলিল মুল্যে ২৬ শতাংশ সম্পত্তির খরিদ সুত্রে ৮৮৬ দাগে মালিক ডাক্তার বশির উদ্দিন হইতে খরিদ সুত্রে মালিক সৈয়দ আহমদ।হয়ে ওই দখলীয় জমিতে রাস্তা সহ বসত বাড়ি ভিটিঘর তৈরী করে বসবাস করে আসছি।গত তিন মাস পূর্বে আমাদের দখলীয় জমির মালিকানা চলাচলের রাস্তায় জোর পূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালায় প্রতিপক্ষ সোলায়মান দুলাল গ্রুপ গংরা। জবর দখলের চেষ্টার বিষয়টি নিয়ে রায়পুর থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বরাবর ঘটনার সম্পর্কে জানাই, পরে থানায় থেকে পুলিশ এসে বিবাদীদের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়। কিন্তু কিছুইতে বন্ধ রাখা হয়নি বিবাদীদের নির্মাণ কাজ। দেখা যায় পরের দিন বিবাদীরা আবারও তাদের নির্মাণ কাজ শুরু করিলে গত২৩/১২/২০২৪ইং তারিখে বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজীর হয়ে একটি মিছ মামলা দায়ের করেন। যাহার মিছ মামলার নং – ৬৩৮,ধারা ১৪৪/১৪৫। সেখানেও কোনো আইনের সুফল না পেয়ে ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম বাদী হয়ে। বার বার বিবাদীদের ক্ষমতা আর শক্তির টাকার কাছে হেরে গিয়ে নিরুপায় হয়ে আবারও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে আরও একটি মামলা দায়ের করেন গত ৩০/১২/২০২৪ইং তারিখে। যাহার মামলা নং- ৬৩৮ ধারা ১৮৮। একপর্যায়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে গত ৪এ জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে পুলিশ সুপার মহোদয় এর বরাবর একটি অভিযোগ দায়ের করেন কম্পিউটার টাইপের মাধ্যমে সেই অভিযোগে বাদী ভুক্তভোগী খোরশেদ আলমের লিখিত থাকে যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর দেওয়া দুটি মামলার দুটি নোটিশ রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বরাবর প্রেরণ করার পরও বন্ধ হয়নি বিবাদীদের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ। জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় সম্মেলন কক্ষে জরুরি সভা অনুষ্ঠানে থাকার কারণে বাদী ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম কে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের নিকট পাঠায়।সেখানে গিয়ে ভুক্তভোগী খোরশেদ আলম দুটি মামলার বিষয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিস্তারিত জানান,পরে বাদীর অভিযোগ শুনে অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কে কল করে ব্যবস্থা নিতে বলেন, এবং বাদী কে রায়পুর থানায় যেতে বলা হয়। বাদী থানায় গিয়ে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি কে না পেয়ে ওসি মহোদয়ের মুঠোফোনে কয়েকবার কল করা হয়। পরে দীর্ঘ সময়ের আবারও কল করা হলে তিনি কল রিসিভ করিলে বাদী তার নিজের পরিচয় দিয়ে ঘটনার সম্পর্কে অবগত করিলে তিনি সেকেন্ড অফিসার এর নিকট যেতে বলেন। সেকেন্ড অফিসার এর নিকট গিয়ে যখন ঘটনার বিস্তারিত বুঝিয়ে বলা হয় । ঘটনার স্থলে পুলিশ বার বার গিয়েও বিবাদীদের নির্মাণ কাজ বন্ধ করিতে ব্যর্থ হন।বিবাদীদের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজে পুলিশ তদন্ত করে সত্যতা পেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট এর বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করেন।একইসাথে বিবাদী সন্ত্রাসী কিশোর গ্যাং কে গ্রেপ্তার পরওনা অনুমতি প্রার্থনা করেন। তাতে প্রমাণ করে যে বাদীর দখলকৃত মালিকানা সম্পত্তির উপর জোর পূর্ব দখল দেওয়ার চেষ্টা ঘটনা সত্য। নুর হোসেন এর স্ত্রী ফাতিমা বেগম সাংবাদিকদের জানান,সোলায়মান দুলাল গ্রুপ মিলে একদল মহিলা কিশোর গ্যাং নিয়ে এসে আমার ভাসুর ও আমার স্বামী নুর আলম গংদের গায়ের দিকে তেড়ে আসে লাঠি, হকিস্টিক, দ্যাঁ, চেনি, সহ যায়ী কিছু হাতের কাছে পান, তাই নিয়ে ছুটে আসেন মালিকানা ভূমি দখল নেওয়ার চেষ্টা করে।বাদীর বোন ছকিনা বেগম জানান,আমাদের চলাচলের পথে রাস্তার উপরে বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করতেছে, যার ফলে আমার ভাই বাদী খোরশেদ আলম বাঁধা দেওয়ার চেষ্টা করিলেই ওই সময় ভাড়াটিয়া মহিলা কিশোর গ্যাং লেলিয়ে দেয় আমাদের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা করার চেষ্টা।শনিবার সকাল নয়টার দিকে ৫নং উত্তর চর পাতা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের চরপাতা এলাকার লনী মিয়া মিঝি বাড়িতে চলাচলের পথে রাস্তার উপরে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজের ঘটনাটি ঘটে। তবে পুলিশ আশার সংবাদ থানায় থেকে বিবাদীদের সোর্স দাতারা ঘটনার স্থল থেকে সরে যেতে বলা হলে বিবাদীরা দলবল নিয়ে ঘটনার স্থল থেকে পুলিশ আসার আগেই চলে যায়। কিন্তু কে শুনে কার কথা বিবাদী পরিবার রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নও, যে কারণে পুলিশ প্রশাসন কে বৃদ্ধ আঙুল তুলে দেখিয়ে দিলো অপরাধ আর ক্ষমতাশীল সন্ত্রাসী দল কাকে বলে।এঘটনার পর হইতে কয়েকবার অভিযুক্ত কারী বিবাদীদের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে বিবাদীদের কেউ দেখা করতে চাননি। ঘটে যাওয়া ঘটনার বিস্তারিত জানতে সাংবাদিকদের সামনে থেকেও তিনি তার নাম পরিচয় দিতে আত্ম গোপন রাখেন।যার ফলে সাংবাদিকদের জানা হয়ে গেছে অভিযোগ কারীদের দেওয়া অভিযোগ সম্পূর্ণ সত্য।যেহেতু অভিযুক্ত কারীদের নিকট হইতে মালিকানা কোনো দলিল বা খতিয়ান সম্পর্কে জানা যায়নি।এদিকে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর পাঠানো রিপোর্ট তদন্তের দ্বায়িত্ব পড়ে রায়পুর ভূমি অফিসের তহসিলদার বাহাউদ্দীনের বরাবর।বাহাউদ্দীন তদন্তের নোটিশ বাদীকে দিয়ে রায়পুর ভূমি অফিসে আসতে বলা হয়।পরে বাদী নোটিশ পেয়ে ভূমি অফিসে তার সকল কাগজ পত্র নিয়ে আসা হইলে বাদীর পক্ষে তদন্ত রিপোর্ট দেওয়ার কথা বলে ৫০ হাজার টাকা দাবী করেন ভূমি তহসিলদার বাহাউদ্দীন।বাদী ওই ৫০ হাজার টাকা দিতে অনহিয়া প্রকাশ করিলে বাদী বলে আমার দুটি দলিল ও একটি সি এস খতিয়ান, ও আর এস খতিয়ান দিয়ে সঠিক তদন্ত রিপোর্ট প্রতিবেদন দিন।৫০ হাজার টাকার বিষয়ে বাদীর স্বাক্ষী রয়েছে বিজ্ঞ আদালত চাইলে প্রমাণ দেওয়া যাবে।পরে তিনি ঘটনার স্থল গিয়ে বাদীর মালিকানা সম্পত্তির দখলীয় দলিল ও খতিয়ান দেখার পরও সঠিক তদন্ত রিপোর্ট না দিয়ে বিবাদীর রেকর্ডটিয় মালিকানা দেখিয়ে বাদীর বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষই শান্তি বজায় আছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে বটে। তবে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের অভিযোগ রায়পুর ভূমি অফিস তহসিলদার বাহাউদ্দীন বিবাদীদের নিকট হইতে মোটা অংকের টাকা খেয়ে মন গড়া তদন্ত প্রতিবেদনের রিপোর্টের কারণে বাদীর মামলাটি খারিজ হয়।যার ফলে ভূমি অফিস তহসিলদার বাহাউদ্দীন কে আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞেসা বাদের মাধ্যমে উপযুক্ত বিচার দাবি প্রার্থনা করেছেন বাদী ও বাদীর পরিবারের স্বজনরা।তবে পুনরায় তদন্ত না করা হলে যে কোনো সময় বাদী ও বিবাদীদের মধ্যে বড় ধরনের রক্তাক্ত হয়ে দুর্ঘটনায় গড়তে পারে বলে আংস্কা রয়েছে।বর্তমানে দুই পক্ষের কারোই মধ্যে শান্তি দেখা যাচ্ছে না বিদেয় পরিস্থিতি ভয়াবহ বিরাজওমান দেখা দিয়েছে।এছাড়াও ভূমি তহসিলদার বাহাউদ্দীন এর বিষয়ে গোপনে ওই এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি তদন্ত রিপোর্ট নামে টাকার বানিজ্য করা হয়েছে তার পেশা আর নেশা। বাহাউদ্দীন এর বিরুদ্ধে এ রকম হাজারো ভুক্তভোগীর অভিযোগ রয়েছে যা প্রকাশ্য বলতে তার ভয়ে আতংকে থাকতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। গোপনে খোঁজ নিলে মিলবে আরও হাজারো অনিয়মের তথ্য।
