
রায়পুর প্রতিনিধি ঃ রায়পুর উপজেলা-এর দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন-এর ৮নং ওয়ার্ডে সোহাগ নামের এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর ওপর অমানবিক নির্যাতন চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।এমন অভিযোগ করেন এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশীরা।
সোহাগ ঘরের দরজা বন্ধ করে তার স্ত্রীর উপর অমানব ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। স্বামীর মার ধরে স্ত্রীর শো-র চিৎকার শুনে আশেপাশে লোকজন ছুটে গিয়ে জল্লাদ স্বামী সোহাগের হাত থেকে স্ত্রীকে রক্ষা করেন।
শুধু তাই নয়, এর পূর্বেও কয়েকবার দফায় দফা মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে ভুক্তভোগী স্ত্রীর স্বামী সোহাগের বিরুদ্ধে। সোহাগ কথায় কথায় তার স্ত্রী উপর পারিবারিক তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঘরের দরজা জানালা বন্ধ রেখে মারধর করা তার পেশা আর নেশা।
একজন নারীর উপর এ ধরনের নির্যাতন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে এলাকাবাসী সোহাগের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।প্রতিবেশীদের অভিযোগ, স্ত্রীকে গরুর মত পিটানো মারধর করা মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক নীতি এবং আইনের দৃষ্টিতে এটি একটি গুরুতর অপরাধ।
অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় এনে যথাযথ তদন্তের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরী বলে এলাকাবাসীর দাবি। যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো নারী এ ধরনের নির্যাতনের শিকার না হন তার জল্লাদ স্বামীর হাতে।সোহাগ সমাজে ন্যায়বিচার কোন কিছুকে তোয়াক্কা করে না।
মানবতা, ন্যায়বিচার ও নারীর মর্যাদা রক্ষায় আমরা সবাই সচেতন হই এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চারে এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশীদের ক্ষোভ প্রকাশ। তারা আরো বলেন, একজন স্বামী হয়ে নারীর গায়ে হাত তোলা কোন সভ্য সমাজের ব্যক্তি মনে হচ্ছে না। দেশে বিচার আচার থাকার সত্ত্বেও কি করে সম্ভব হয় পুরুষ নারীর গায়ে হাত তোলে। আমরা এর উপযুক্ত বিচার দাবি জানাচ্ছি বিচারকদের নিকট।
