
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর সদর থানার আওতায়ধীন ২০নং চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে মনপুরা ব্রিজ হইতে ভূঁইয়ার হাট ও করাতির হাট বাজার এবং বটতলী বেড়ীবাঁধ পর্যন্ত এই সলিং সড়কটি এখন কাঁচা রাস্তায় পরিণত হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায় দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাও কর্মচারীদের অবহেলায় রাস্তাটির দুরবস্থা। নেই সংস্কার,দীর্ঘদিন রাস্তার নির্মাণ কাজ না করার কারণে জনসাধারণের নানান দুর্ভোগ পোহাতে হয়। রাস্তা ভাঙ্গা ও অসম্পূর্ণ থাকার কারণে চলাচলের পথে বিভিন্ন জায়গায় বৃষ্টি মৌসুমে ছোট ছোট গর্ত হয়ে পানি জমে থাকে। যেকারণে দুর্ঘটনা, এবং জরুরি পরিষেবায় বিঘ্ন ঘটে প্রতিনিয়ত। এছাড়াও, ব্যবসায়িক কার্যক্রম এবং দৈনন্দিন জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব বিস্তারে রয়েছে হুমকির মুখে। দীর্ঘ১৭বছরে রাস্তার নির্মাণ কাজ না হওয়ার কারণে জনসাধারণের যে দুর্ভোগ হচ্ছে। পায়ে হেঁটে চলাফেরা করা যেমন কষ্টসাধ্য হয়, তেমনি যানবাহন চলাচলেও সমস্যা হয়।এছাড়া রোগী বহনকারী গাড়ি বা জরুরি প্রয়োজনে অন্য কোনো গাড়ির চলাচলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি রয়েছে বলে জানান পথচারীগণ।২০নং চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৪নং ইউপি সদস্য মোঃ শাহাজাহান বলেন, সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা আমলে এই সলিং সড়কটি নির্মাণ হওয়ার কথা ছিল,কিন্তু ৫শে-ই আগষ্ট বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনে সরকার পতন হওয়ার পর ভাঙ্গা রাস্তাটি আর নির্মাণ না করা হয়নি।তিনি আরও বলেন,বর্তমানে রাস্তা সরু হয়ে বড় বড় গর্তে পরিণত হয়েছে। রাস্তা খারাপ থাকার কারণে ব্যবসায়ীরা তাদের পণ্য আনা-নেওয়া করতে সমস্যায় পড়েন। এতে ব্যবসায়িক কার্যক্রমে ব্যাঘাত ঘটে, এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতির শিকার হতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের কে।চিকিৎসক’রা জানান,স্বাস্থ্যসেবার সমস্যা,রাস্তা খারাপ, অ্যাম্বুলেন্স যাওয়া আশার ব্যবস্থা নেই, যার ফলে জরুরি অবস্থার রোগীরা সঠিক সময়ে হাসপাতালে পৌঁছাতে পারে না।একইসাথে রয়েছে শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি,গ্রামের কোমলমতি শিশু স্কুল শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে সমস্যা,বিশেষ করে বৃষ্টির দিনে রাস্তা কাদা হলে তাদের দুর্ভোগ আরও বাড়ে।রাস্তার নির্মাণ কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা না হলে জনসাধারণের এই দুর্ভোগ বাড়বেই বলে জানান এলাকার প্রতিবেশী গণ। তাই, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি, অতিদ্রুত রাস্তা নির্মাণ করা একান্ত আবশ্যক ও জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন এলাকার স্থানীরা।
