
ডেস্ক রিপোর্টঃ প্রশিক্ষণ বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ক্লাস শেষ হয়েছিল রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভবনে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। এই ঘটনায় ইতোমধ্যে অন্তত একজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। ধারণা করা হচ্ছে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
সোমবার ২১ জুলাই দুপুর সোয়া ১টার দিকে প্রশিক্ষণ বিমানটি মাইলস্টোন প্রিপারেটরি কেজি স্কুলের বাংলা মাধ্যম ভবনের ওপর বিধ্বস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের যে ভবনে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে, ওই ভবনে মূলত প্লে গ্রুপের শিশুদের ক্লাস হতো। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার কিছুক্ষণ আগেই ক্লাস শেষ হয়েছিল। বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার পর ভবনটিতে আগুন লেগে যায়।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের আইএসপিআর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ সোমবার বেলা ১টা ৬ মিনিটে বিমানটি উড্ডয়ন করে।
ফায়ার সার্ভিসের পক্ষ থেকে বলা হয়, এখনো আহতদের সংখ্যা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। ঘটনাস্থলে ফায়ার ব্রিগেড ও সেনাবাহিনী কাজ করছে। ঘটনাস্থলে উত্তরা, টঙ্গী, পল্লবী, কুর্মিটোলা, মিরপুর, পূর্বাচল ফায়ার স্টেশনের ৮টি ইউনিট কাজ করছে বলেও জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। মাইলস্টোন কলেজে রবিবার থেকে সীমিত পরিসরে ক্লাস শুরু
শোকের রাতে রাজনৈতিক নাটক, মানবিকতা কোথায়…
মাইলস্টোন কলেজের গেটে তালা, প্রবেশে কড়াকড়ি‘মেহেরীন শুধু বললেন তোমার সঙ্গে আর আমার দেখা হবে না’
মাইলস্টোনে দগ্ধদের চিকিৎসায় কাজ করছেন চীনা চিকিৎসক দল
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় আহদের চিকিৎসায় কাজ করছেন চীনের উহান থার্ড হাসপাতাল থেকে আসা চিকিৎসক দল। তারা বলছেন, আহতদের চিকিৎসায় বাংলাদেশকে সমর্থন ও সহায়তার জন্য যা কিছু করতে পারেন তাই করতে ইচ্ছুক।
শনিবার ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস জানায়, অগ্নিদগ্ধদের ক্ষতস্থানে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়মিত চিকিৎসা পদ্ধতি সম্পর্কে বাংলাদেশি চিকিৎসকদের পরামর্শ দিয়েছেন চীনা চিকিৎসক ও নার্সরা।
এদিন তারা রোগীদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং ক্ষতস্থান পরিষ্কার ও ড্রেসিং পরিবর্তনে সহায়তা এবং অস্ত্রোপচারে নির্দেশনা দেন।
একইসঙ্গে চীনের চিকিৎসক দলটি সিঙ্গাপুর, ভারত ও বাংলাদেশি চিকিৎসকদের সঙ্গে পরামর্শ করেন।