লক্ষ্মীপুরে টেন্ডার ছাড়াই সরকারি জায়গার গাছ কাটলেন প্রধান শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার ( সোহাগী)

লেখক: Admin
প্রকাশ: ১ বছর আগে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুরের সদর উপজেলার আওতায় দিন সরকারি প্রাথমিক বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার( সোহাগী) বিরুদ্ধে টেন্ডার ছাড়াই সরকারি গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে।সরকারি ছুটির দিনে তিনি তার অধীনস্তদের মাধ্যমে উপজেলার১৪নং হাজির পাড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড মুসলিম পাড়া এলাকার কালিদাসের বাগ বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থাকা বিশাল ১টি করোই গাছ কর্তন করেন।তবে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার( সোহাগী) দাবি, উপজেলা পরিষদের প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার এইইউও শাহাদাত হোসেন ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবং বন কর্মকর্তা নির্দেশক্রমে গাছ গুলো কর্তন করেছেন তিনি। সরকারি বনের গাছ কর্তনের আগে ইউএনও -ও শিক্ষা অফিসার কে জানানো বা অনুমতি নিয়েছেন কি না-এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, লিখিত রেজুলেশন নিয়ে সকলের অনুমতি ক্রমে গাছ গুলো কাটা হয়েছে। লক্ষ্মীপুর জেলা সহকারী বন সংরক্ষক শহিদুল ইসলাম দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান,কোনো ধরনের আবেদন কিংবা পূর্বানুমতি বিহীন এভাবে বনের গাছ কর্তন করার এখতিয়ার নেই। গত ৮ ই ফেব্রুয়ারী ২০২৫ইং তারিখ রোজ শনিবার বিকাল চারটার দিকে মুসলিম পাড়া হয়ে আশার পথে চোখের নজরে পড়ে সরকারি গাছ কাটার দৃশ্য।টেন্ডার না হইতে ৮হাজার টাকার বিনিময়ে গাছ কিনলেন আব্দুল মালেক। তবে সরকারি যেকোনো প্রতিষ্ঠানের গাছ কাটতে হলে কমিটির রেজুলেশন অনুমতি নিয়ে বন বিভাগ কে চিঠি দিয়ে টেন্ডারের গাছ বিক্রি করতে হয়-বললেন বন কর্মকর্তা। গাছ বিক্রি করতে অনুমতি প্রয়োজন হয়নি বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার সোহাগীর বেলায়। অনুমতি ছাড়া সরকারি প্রতিষ্ঠানের কোনো গাছ বিক্রি, অথবা কাটার নিয়ম নীতির আওতায় পড়ে না।এদিকে গাছ কাটার বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব শাহাদাত হোসেন এর নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন,গত বছর রেজুলেশন দেওয়া হয়েছে আমার জানা নেই। কিন্তু অনুমতি দেওয়া হয়েছে,এমন কোনো ডকুমেন্টস রেজিস্ট্রারে পাওয়া যায়নি।তবে গত বছরে রেজুলেশন দিয়ে অনুমতি ছাড়া পরের বছরে গাছ কাটা কোনো আইনের আওতায় পড়ে না।আমি অনুমতি দিয়েছি একথা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার (সোহাগী) কে শাস্তি পেতে হবে। সরকারি জায়গার গাছ রেজুলেশনের অনুমতি ছাড়া গাছ বিক্রি করে কিভাবে।কি কারণে অনুমতি নেওয়া হয়নি শোকেজ এর মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা অফিসার শাহাদাত হোসেন।এদিকে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় সাংবাদিকদের চলছে প্রধান শিক্ষিকা সোহাগীর বিরুদ্ধে গাছ কাটার সংবাদ না করার সুপারিশে তদবির। প্রতিনিয়ত দিয়ে আসছে দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পত্রিকার সম্পাদক কে সংবাদ না করতে হুমকি।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন