লক্ষ্মীপুরে আবে হায়াত আবাসিক হোটেলে এক অপরিচিত ব্যাক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ

লেখক: Admin
প্রকাশ: ১০ মাস আগে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুরে আবে হায়াত আবাসিক হোটেলে দরজা ভেঙ্গে সায়েদুল ইসলাম নামের এক ব্যাক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ঢাকার খিলগাঁও এলাকার বাসিন্দা আবুল হোসেনের পুত্র সাদেকুল ইসলাম। তার মৃত্যুর পূর্বে বয়স ছিল আনুমানিক( ৬৫)।

লক্ষ্মীপুর আবে হায়াত আবাসিক হোটলের ম্যানেজার এর নিকট মৃত্যুর ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান, গতকাল শনিবার রাত ১১টার দিকে হোটেলে রিসিভশনে আসেন সায়েদুল ইসলাম নামের অপরিচিত ব্যাক্তিটি।

তিনি আজ রাত হোটেলে থাকবেন বলে হোটেল ম্যানেজার কে বলেন,পরে তাকে তৃতীয় তলার তিন নম্বর রুমের তালা খুলে চাফি হাতে দিয়ে নাম ঠিকানা জানতে চাইলে তিনি তার পরিচয় না দিয়ে রুমে ঢুকে পড়েন। পরের দিন রবিবার সকাল শেষ মূহুর্তে দুপুর ১২ টা বাজে তবুও তার ঘুম ভাঙ্গেনি উঠার নেই কোনো কথা।

রুমের সামনে গিয়ে বার বার ডাকা ডাকি করেও তাকে কেউ বের করতে পারেনি রুম থেকে। ম্যানেজার রুমের দরজার সামনে গিয়ে তার কোনো স্বয়ীশব্ধ না পেয়ে তার মালিক পক্ষকে লোকটির বিষয়ে জানিয়ে বলেন, লোকটি এখনো রুম থেকে বের হচ্ছে। তার কোনো স্বয়ীশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না, আশেপাশে থাকা দোকান ব্যবসায়ীদের ডেকে নিয়ে তাকে বের করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছি।এখানে দেশ টিভি সাংবাদিক কে ডেকে আনা হয়েছে।

পরে হোটেল মালিক তার ম্যানেজার কে বলেন, পুলিশ কে খবর দিতে, একপর্যায়ে হোটেল ম্যানেজার লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসির মুঠোফোনে কল করে লোকটি রুম থেকে বের হচ্ছে না বলে জানায়।

পুলিশ ঘটনার স্থলে আসলে আবাসিক হোটেলের ম্যানেজার পুলিশের উপস্থিতিতে রুমের দরজা ভেঙ্গে উদ্ধার করা হয় সায়েদুল ইসলাম এর মরদেহ। পুলিশ সুত্রে জানা যায়,প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে বয়োবৃদ্ধ লোকটি স্টক জনিত কারণে তার মৃত্যু হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন। লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে পৌরসভার পৌর ৭নং ওয়ার্ড হাসপাতাল রোড আবে হায়াত আবাসিক হোটেলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

পরে রবিবার বিকাল চার টার দিকে তার লাশ ময়নাতদন্তের জন্য লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। এর আগে রুমে দরজা ভেঙ্গে ঢুকতে দেখা যায় মৃত সায়েদুল ইসলাম এর ফোনে কল বাজে, কল রিসিভ করে জানা যায় তার জন্মস্থানের ঠিকানা। পরে তিনি আর নেই বলে জানান মুঠোফোনে কল করা ব্যাক্তি কে। মৃত্যুর ঘটনার কথা শুনে তারা আসবে বলে জানান পুলিশকে। ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হলে স্বজনরা মরদেহ দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে যেতে পারবে বলে জানান পুলিশ।

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক বলেন, নিশ্চিত হওয়ার জন্য আমরা মৃতদেহ থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। রিপোর্ট পাওয়ার পর মৃত্যুর ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।

 

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন