
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে পৌরসভার অনুমতি ছাড়া চলছে আবাসিক এলাকায় জাহিদুল ইসলামের দোকানপাট নির্মাণের কাজের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমন অভিযোগ উঠেছে জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
লক্ষ্মীপুর জেলা শহরে পৌর ৭নং ওয়ার্ড পৌরসভা রাসেল সড়ক এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা জাহিদুল ইসলাম।
পৌরসভার আয়কর ট্যাক্স না দেওয়ার পরিকল্পনায় অনুমতি ছাড়া নিজ মালিকানাধীন জায়গায় দোকান নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন,বিষয়টি পৌরসভার নজরদারিতে না আসার কারণে প্রভাবশালীর বাণিজ্য ।
জাহিদুল ইসলাম নিজেকে একজন প্রভাবশালী মনে করে প্রশাসনকে বৃদ্ধা আঙ্গুল দেখিয়ে বুঝিয়ে দিলেন তার হাত কত দূর। তিনি চাইলে এইরকম হাজারো অনিয়মকে নিয়মের আওতায় আনা তার কাছে কোন বিষয় নয়।
গপন সুত্রে খবর পেয়ে অভিযুক্তকারী জাহিদুল ইসলামের নিকট গিয়ে পৌরসভার অনুমোদন না নিয়ে তার মালিকানাধীন জায়গায় ঘর নির্মাণ কাজ সম্পর্কে মৌখিক জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার জায়গায় আমি দোকান ঘর নির্মাণ কাজ করেতেছি, এতে পৌরসভার অনুমোদন কেন লাগবে।
পৌর নির্বাহী প্রকৌশলী কর্মকর্তা কে, না পেয়ে, কল করে কলের মাধ্যমে ঘটনার সম্পর্কে জানাই,তিনি ছুটিতে থাকার কারণে সহকারী প্রকৌশলী ইসহাক কে ঠিকানা দিতে বলেন। ঠিকানা পেয়ে পৌর সহকারী প্রকৌশলী ইসহাক ঘটানর স্থলে গিয়ে অভিযুক্তকারী জাহিদুল ইসলাম এর নির্মাণ কাজ বন্ধ করেন।
বিকাল ৪টার সময় দৈনিক লক্ষীপুরের কথা কার্যালয়ের টেলিফোন থেকে কল করা হলে সহকারী প্রকৌশলী ইসহাক নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বলে দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে নিশ্চিত করেন।
পৌরসভা ও স্থানীয় প্রশাসনের অনুমতি ছাড়া শক্তিশালী ক্ষমতা দেখিয়ে কার ইঞ্জানে জাহিদুল নির্মাণ কাজ এখনো চলমান রেখেছে।
এলাকাবাসী আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে অভিযুক্তকারী জাহিদুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়ে বলেন, পৌরসভার ভিতরে মালিকানা সম্পত্তির মধ্যে দোকান বা বাসা বাড়ি করতে হলে পৌরসভা বা স্থানীয় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী নকশা অনুমোদনের পাশাপাশি পরিবেশগত ছাড়পত্র ও অন্যান্য কাগজ পত্রের অনুমতি প্রয়োজন।
কিন্তু অভিযুক্তকারী অনুমোদন না নিয়ে কি করে সম্ভব হয়েছে আবাসিক এলাকায় দোকানপাট করা।
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পৌর কর্মকর্তা বলেন,বিষয়টি তদন্ত করে দেখবে, কারণ যেকোনো নির্মাণকাজের জন্য তাদের অনুমোদন লাগে।
অনুমতি ছাড়া কাজ করলে নির্মাণকাজ বন্ধ ও প্রয়োজনীয় জরিমানা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবী।
