যুবদল নেতাকর্মীদের চলছে সরকারি খাল দখল করে অবৈধ বালু উত্তোলন

লেখক: Admin
প্রকাশ: ৩ সপ্তাহ আগে

রায়পুর থানা প্রতিনিধি:

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মোল্লার হাট বাজারে একদিকে বিএনপির যুবদলের কর্মীসভা, অন্য দিকে যুবদল নেতা কর্মীদের চলছে সরকারি খাল দখল করে অবৈধ বালু উত্তোলন। দেশের বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে নদী ও চরাঞ্চল থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনেক এলাকায় প্রশাসন ও শীর্ষ নেতাদের নাম ভাঙিয়ে বা তাদের নীরব সম্মতিতে এই কর্মকাণ্ড চলছে, যা পরিবেশ ও স্থানীয় জনজীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।মূল অভিযোগ ও সমস্যা সমূহ নদী ভাঙন ও ক্ষতি। ড্রেজার মেশিন বসিয়ে নদী থেকে অবাধে বালু তোলার ফলে তীরবর্তী ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে।দলীয় কোন্দল ও সংঘাত। বালু উত্তোলনের নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে অনেক স্থানে বিএনপির বিবদমান পক্ষগুলোর মধ্যে সংঘর্ষ ও প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তরের পদক্ষেপ মাঝের মধ্যে নিলেও পুরো পুরি পদক্ষেপ না নেওয়ার কারণে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না।বালু উত্তোলনের দায়ে কোথাও কোথাও সংশ্লিষ্ট নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হলেও পুরোপুরি থামানো যাচ্ছে না বালু উত্তোলন।বালু উত্তোলনের স্থান ৮ নং দক্ষিণ চর বংশী ইউনিয়নে মোল্লাহাট পানিঘাট থেকে প্রায় তিন থেকে ৮টি ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন হচ্ছে।ড্রেজার মেশিনের মালিক গণ হলেন, মোল্লার হাট বাজারের ওয়ার্কসফ মালিক হুমায়ুন, খলিফা, হানিফ, নাছির, আবদুল হাশেম /আবুল কাশেম,মফিজ উল্যা সহ আরও অনেকে।তবে প্রতিদিনের মতো তথ্য সংগ্রহ কালে এমন সময় কিছু ভুক্তভোগী এসব ড্রেজার মেশিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, নিরাপত্তার স্বার্থে আমাদের নাম প্রকাশ করি নাই। তবে যারা বালু উত্তোলন করেন, তারা সবাই এই ৮ নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৪-৫ ও ৭, ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আমাদের আত্মীয়- স্বজন। কিছু বললেই গায়ের দিকে তেড়ে আসে এবং আওয়ামী লীগ বানিয়ে ঘরে এসে ঘর দুয়ার ভাঙচুর করে ছেলেমেয়েদের মাইরপিট করে এবং প্রকাশ্যে হত্যা ও ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছেন তাই নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে চোখের সামনে ফসলী জমির উপর দিয়ে বালুর পাইপ নেওয়া হয়েছে।যে কারণে বালুর পাইপ দিয়ে পানি ও বালু পরে আমাদের ফসল নষ্ট হচ্ছে। শুধু তাই নয়, কারো কারো বাড়ির উপর, ভিটার উপর ও বাগানের গাছ গাছালির উপর দিয়ে বালুর পাইব নিয়ে বাগান বাড়ির পরিবেশ দূষিত করে তাদের অর্থ বাণিজ্য করছেন। কিছু বলতে গেলে হামলা মামলার হুমকি দিয়ে এইসব বালু উত্তোলনে মেতে উঠা বর্তমান বিএনপি সরকারের দলীয় নেতাকর্মীদের পেশা আর নেশা। তবে এইভাবে বালু উত্তোলন চলতে থাকলে দেশের যেমন ফসল উৎপাদিত নষ্ট হবে,তেমনি দেশের সম্পদ নষ্ট হচ্ছে প্রতিনিয়ত । তবে আরো জানা গেছে, বালু উত্তোলনকারীরা কিছু জমির মালিকদের কাছ থেকে ৬ -৭ টাকা ধরে বালু মাটি ফুট হিসেবে ক্রয় করে ১৭ হইতে ২০ টাকার ধরে ফুট বিক্রি করে ছোট ছোট ডোবা, পুকুর ও ফসলী নাল জমি ভরাট করে সরকারকে ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে সরকারি খাল ও নদী দখল করে মোটা অংকের টাকার মালিক হচ্ছে।এদিকে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে শত শত অত ধৈর্য সাধারন মানুষের বাড়ি ঘর।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন