ডেগার ও হাতুড়ি এর আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় আবুল খায়ের আশঙ্কা জনক, হাসপাতাল ভর্তি

লেখক: Admin
প্রকাশ: ২ সপ্তাহ আগে

পর্ব -২

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে ৪ নং চরমাটিন ইউনিয়নের দক্ষিণ চরমাটিন গ্রামের ৭ নাম্বার ওয়ার্ডে গত১৮ এপ্রিল রাতের অন্ধকারে দুর্বৃত্ত একটি সন্ত্রাসী দল ঘরে ঢুকে লুটপাট ও ভাঙচুর করেও ক্ষান্ত হয়নি। গতকাল মঙ্গলবার ১২ মে সকাল আনুমানিক ৯টার দিকে আবারও দুর্বৃত্ত হামলাকারী শাহাজান গ্রুপ মিলে ভুক্তভোগী বাদী আহত আবুল খায়ের কে একা বসতবাড়িতে পেয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।ভুক্তভোগীদের অভিযোগে জানা যায়, বসতবিটা জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে চরমাটিন গ্রাম আবু সাঈদ ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান সাহেবের বাড়ির বাসিন্দা মৃত মাকসুদুর রহমানের পুত্র আবুল খায়ের কে হত্যার উদ্দেশ্যে করে ড্যাগার দিয়ে ঘাই মারে ডান চোখের উপর কপালে। এতে কপালে কিছু অংশ কেটে যায় এবং রক্তক্ষরণ শুরু হতে থাকে। এখানে শেষ নয়, একই সময়ে দুর্বৃত্ত প্রদান ইন্ধন দাতা শাহজান ও তার ভাই এবং ছেলে মেয়ে স্ত্রী মিলে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্ত হামলাকারী শাহজান হুকুম দাতার বিরুদ্ধে।

এমন অভিযোগ করেন আহত ভুক্তভোগী আবুল খায়ের পরিবারের সজনরা।

বাদী আবুল খায়ের এর ছোট বোন বলেন, প্রদান ইন্ধন দাতা শাহজান ও তার ভাই এবং ছেলে মেয়ে স্ত্রী মিলে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করেছে আমার ভাই আবুল খায়েরকে। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশ থেঁতলে যায় এবং তার নাকে ঘুষি মেরে নাক পাঠিয়ে দেয়।যার ফলে আমার ভাই অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ শুরু হয়ে মাটিতে পড়ে গেলে দুর্বৃত্ত হামলাকারীরা মারা গেছে মন্তব্য করে তারা সবাই ঘটনাস্থলে অজ্ঞান অবস্থায় ভাই আবুল খায়েরকে রেখে চলে যান। ঘটনার দিন মঙ্গলবার তার স্ত্রী চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতালে তার মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ডাক্তারের কাছে যান। সেই সুবাদে একা পেয়ে হামলার ঘটনাটি ঘটে।ঘরে রয়েছে তার ৩ নাবালক ছেলে ও এক নাবালক মেয়ে।তারা সবাই বাবাকে মারতে দেখে বয়ে খাটের নিচে লুকিয়ে থাকে, আর বাবাকে হাতুড়ি ও ড্যাগার দিয়ে আঘাত করার ঘটনা দেখতে থাকে।একপর্যায়ে দুর্বৃত্ত হামলাকারী শাহাজানের নেতৃত্বে ১০ -১৫ জন সন্ত্রাসী হামলার শেষে চলে যাওয়ার পরে ছোট নাবালক শিশুরা শো-র চিৎকার করতে থাকে। তাদের শো-র চিৎকার শুনে এলাকার স্থানীয় আশেপাশের লোকজন দৌড়ে আসেন এবং দেখতে পায়, আবুল খায়েরে নাক, মুখ, দিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছে। তারা সঙ্গে সঙ্গে দেরি না করে একটি সিএনজি যোগে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠালে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্মরত চিকিৎসক এ সময় তাকে ভর্তি দেয়। জরুরী বিভাগ রেজিস্ট্রেশন নং- ৩৯৫১/৪ তারিখ ১২/০৫/২০২৬ রোজ মঙ্গলবার।

এদিকে আহত আবুল খায়রের চিকিৎসা চলা কালীন সময় বেলা বিকেল ৩ দিকে ভুমির সাথে তাজা রক্ত যেতে দেখে তাকে নোয়াখালীর রেফার করেন চিকিৎসক। বর্তমানে আবুল খায়ের নোয়াখালী একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন ।

এর আগে ১৮ই এপ্রিল শনিবার রাত আনুমানিক নয়টার দিকে অভিযোগ সূত্রে জানা যায় লুটপাট কারী শাহাজান এর নেতৃত্বে একদল ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী নিয়ে এসে অতর্কিত ভাবে বাদী ভুক্তভোগী আবুল খায়ের এর বসতবাড়ীর ঘরে ঢুকে ভাংচুর করে নগদ টাকা ও জরুরি প্রয়োজনীয় কাগজ এবং সর্ণ গণনা নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।

আবুল খায়ের ওই সময় সাংবাদিকদের বলেন, আমার বসতবাড়ির জমি দখলের জন্য বিবাদী শাহাজান একদল সাঙ্গ,পাঙ্গ, নিয়ে দুধর্ষভাবে আমার পরিবার সদস্যদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়।

ওই মুহুর্তে আমি বাড়িতে ছিলাম না, মাগরিবের পরে ১৭ নং ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডে কামাল মিয়ার বাড়িতে বোনকে দেখতে যায়।ঘটনার আগের দিন ১৭ তারিখ শুক্রবারে খবর আসে বোন অসুস্থ। ঘটনার দিন১৮ তারিখ শনিবার বোনকে দেখতে যায় বাদ মাগরিবের পরে বোনের বাড়িতে। এই সুবাদে তারা আমার বাড়িতে গিয়েছে আমাকে হত্যার উদ্দেশ্যে।ভাগ্যে সেদিন আমি বাড়িতে ছিলাম না। আমাকে না পেয়ে আমার বসতবাড়ির ঘরের বেড়া কুপিয়ে ও দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতর ঢুকে আলমারি, শুকাইস, ফ্রীজ ভাংচুর করে এবং সন্দুকের তালা ভেঙ্গে নগদ টাকা, এক ভরি গলার চেইন,০৮আনা কানপাশা, ০২হাতের রিং ও বাড়ির জায়গা জমি সহ আরও অন্যান্য মূল্যবান কাগজপত্র নিয়া যায় হামলাকারীরা।

এ খবর পাওয়া মাত্র আমি নিরুপায় হয়ে থ্রী ফল নাইন নাইন নম্বরে কল করি।পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার সংবাদ পেয়ে বিবাদীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যায়।পূর্বের ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় হাজির হয়ে আমার সাথে ঘটে যাওয়া ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে কমল নগর থানার ইনচার্জ বরাবর একটি অভিযোগ করি, ভাঙচুর ও হামলাকারীদের বিরুদ্ধে। ওই ঘটনার জের ধরে আমার চাচাতো ভাই শাহাজান ও তার ভাই এবং তার স্ত্রী ছেলে, মেয়ে ও বোন সহ ১২-১৫ জন হঠাৎ করে পিছন থেকে এসে আরো অন্যান্য সন্ত্রাসী একদল ভাড়া করা গুন্ডাবাহিনী নিয়ে আমার উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে ডেগার ও হাতুড়ি দিয়ে আমাকে রক্তাক্ত করেছে। আমি মরে যাব, তবে মরার আগে কিছু কথা রেখে যায়। হামলা ও মামলার আসামীরা হলেন, শাহাজান পিতা মৃত জবিউল্লাহ, মোহন পিতা শাহাজান, মোসলে উদ্দিন পিতা ইসমাইল চৌকিদার, আরমান হোসেন পিতা জহির আহামদ, উভয়সাং জাঙ্গালিয়া ৯ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা ও শারমিন আক্তার স্বামী মোঃ শাহাজান, সাং:- দক্ষিণ চর মাটিন ৭নং ওয়ার্ড, ৪নং চরমাটিন ইউপি থানা কমলনগর জেলা লক্ষ্মীপুর সহ আরও অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আমার নাবালক শিশুদের হক যেন আমার বিচারকেরা বুঝিয়ে দেয়। আমার এই মামলার বিবাদীরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নয়। এরা জোর জুলুমবাজ, অন্যের জমি দখল করা তাদের নেশা আর পেশা। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, অসহায় ভুক্তভোগী বাদি আবুল খায়ের। আমার কোন জনবল নেই, তাই আমি আইনের কাছে আশ্রয় নিয়েছি।আজ আমি আইনের আশ্রয় নিও ভূমিদস্যু ও জবরদখরকারি দের হাত থেকে রেহাই পায়নি। আমার মালিকানা ও ওয়ারিশ কতৃক সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করে এবং সন্ত্রাসী কায়দা চালিয়ে আমাকে পিছন থেকে আঘাত করে হত্যার উদ্দেশ্যে ডেগার ও হাতুড়ি দিয়ে নাক, মুখ, শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ পাঠিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। তাদের হামলায় আমি অজ্ঞান হয়ে পড়ি, কিন্তু তারা মনে করছে আমি মরে গেছি। তাই তারা আমাকে অজ্ঞান অবস্থায় আমার বসতবাড়ি ঘরের দরজার সামনে ফেলে চলে যায়।আমার নাবালক শিশুদের শো-র চিৎকার শুনে এলাকার স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এসে আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে একটি সিএনজি যোগে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠিয়েছেন। কিন্তু আমার মুখ দিয়ে ভুমির সাথে রক্ত যেতে দেখে বেলা ৩টার দিকে চিকিৎসক আমাকে নোয়াখালী রেফার করেন।বর্তমানে আমি নোয়াখালী একটি প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছি জানিনা আমি বাঁচবো কিনা। তাই আমার নাবালক শিশুদের হক যেন তারা বুঝে পায়। আমি আইনের কাছে সুবিচার চাই।

আবুল খায়েরের স্ত্রী রাবেয়া বেগম বলেন, এ ঘটনার পূর্বে আমার স্বামী গত ১৮ এপ্রিল শনিবার আমার ননদিনী অসুস্থ তাকে দেখতে যায় বাদ মাগরিবের পরে ননদের বাড়িতে। এই সুবাদে আমাদের বিবাদী শাহাজান এর নেতৃত্বে ১০ থেকে ১৫ জন সন্ত্রাসী বাহিনী এসে আমার স্বামীর নাম ধরে ডাকা শুরু করে এবং বলে খায়ের কই বাইর হও তোকে আজ মারি তোর লাশ গুম করমু বলে গালমন্দ করতে শুনি আর দিকে গুড়ুম গুড়ুম শব্দ হচ্ছে।

আমি নিরুপায় হয়ে আমার স্বামীকে কল করে এবং ঘটনার সম্পর্কে জানায়। শাহাজান ও তার দলবদ্ধ সন্ত্রাসী গ্রুপ নিয়ে ঘরের বেড়া কুপিয়ে ও দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতর ঢুকে আলমারি, শুকাইস, ফ্রীজ ভাংচুর করে।এ ঘটনার পূর্ব মুহূর্তে আসার আগে আমাদের বিদ্যুৎতের লাইন কেটে দেয় সন্ত্রাসী শাহাজান। তখন রাত আনুমানিক নয়টা আমরা মনে করছিলাম কারেন্ট চলে গেছে।

কিন্তু যখন তাদের শো-র চিৎকার শুনেছি এবং ভাঙচুর করা শুরু করেছে, তখন বুঝি, তারা আমাদের বিদ্যুতের লাইন কেটে দিয়ে হামলা ও ভাংচুর করেছে। রাতের অন্ধকারে কিছু দেখা যায়নি।শাহজাহান, আরমান, মোহন, মোসলে – উদ্দিন মিলে চন্দুকের তালা ভেঙ্গে নগদ টাকা, এক ভরি গলার চেইন,০৮আনা কানপাশা, ০২হাতের রিং ও বাড়ির জায়গা জমি সহ আরও অন্যান্য মূল্যবান কাগজপত্র নিয়া গেছে।

তবে শাহাজান, আরমান, নোমান,মুসলে- উদ্দিন এর কন্ঠ শোনা গেছে আমি তাদের কন্ঠ সুর গলার আওয়াজ শুনছি। তাদের মুখ ও চেহেরাটা দেখতে পারে নাই রাতের অন্ধকারে দেখা যাচ্ছিল না কিছু। শুধু ঠুস, ঠাস, গুড়ুম, গুড়ুম শব্দের আওয়াজ হচ্ছিল। আমার নাবালক চার ছেলে ও নাবালক এক মেয়েকে নিয়ে আমি মহিলা মানুষ আতঙ্কে ছিলাম।

তারা সবাই মিলে আমার নাবালক মেয়েকে টেনে নিয়ে যাইতে চাচ্ছিল।সাথে আমাকেও বারবার গায়ের দিকে হাত দেওয়ার চেষ্টা করে এবং আমাকে নিয়ে টানা হিস্ররা করে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করেছে। ভাগ্যে আমি শো-র চিৎকার করার পরে চতুর দিক থেকে আশেপাশে লোকজন আসতে দেখে তারা পালিয়ে তাদের ঘরে অবস্থান নেই।পরে যখন আমার স্বামী এ ঘটনা শুনে থ্রী ফল নাইন নাইন নম্বরে কল করেন এবং পুলিশ পাঠায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার সংবাদ পেয়ে তারা সবাই ঘর থেকে পালিয়ে যায়।

এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কমলনগর থানার ওসি বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে কেন আমার স্বামী। আমাদের জায়গা জমি দখল দিতে পারছে না বিদেয় শত্রুতার জের ধরে তারা আমার স্বামীকে এখন আবারও ১২ তারিখ মঙ্গলবার সকাল নয়টার দিকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হাতুড়ি দিয়ে থেঁতলে দিয়েছে। আমার স্বামী ভবিষ্যতে আর কোন কাজকর্ম করতে পারবেনা।যদিও বেঁচে থাকে, পঙ্গু হয়ে বেঁচে থাকবে। আমার স্বামীর যদি কিছু হয়ে যায়, আমি হামলাকারীদের ছাড়বো না। তাদেরকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলাবো। বর্তমানে আশঙ্কাজন অবস্থায় রয়েছে, তার শরীরে কন্ডিশন ভালো দেখা যাচ্ছে না, অক্সিজেন দেওয়া আছে। আমি একজন নারী হয়ে আমার নাবালক শিশুদের মুখের দিকে তাকিয়ে মামলার বিচারকদের কাছে, জেলা প্রশাসক জেলা ও বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট,পুলিশ প্রশাসনের কাছে উপযুক্ত বিচার দাবি কামনা করছি।আমার স্বামীকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে হাতুড়ি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে রক্তাক্ত করা সন্ত্রাসী হামলাকারী শাহজান সহ সকল আসামিদের বিরুদ্ধে।

আহত আবুল খায়ের এর বড় বোন পেয়ারা বেগম বলেন, আসামিদের বিরুদ্ধে গত ২০২৩ সালে বাদী ভুক্তভোগী লক্ষ্মীপুর জেলা জজ কোর্টে একটি মিস মামলা করেন। ৭ধারা মিস মামলা নম্বর ১৪/২৩ ওই মামলা আসামিরা নিজ মুখে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন ভবিষ্যতে এই ধরনের অনৈতিক ও জমি দখল ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোন অসংঘর্ষিক ঘটনা ঘটিয়ে বাদী পক্ষকে হয়রানি করবে না। কিন্তু হামলাকারীরা নিজ মুখে স্বীকারোক্তি দিয়ে আবার কি করে সম্ভব হয়েছে দ্বিতীয় দফা আমার ভাই বাদির উপর অতর্কিত হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা। পেয়ারা বেগম আরো বলেন, এই জায়গা জমিতে কেন্দ্র করে এর আগে আবুল কাশেম নামের আমার এক বাইকে এরা হত্যা করেছে সে হত্যার বিচার ও এখনো শেষ হয়নি নতুন করে শুরু করেছে আমার ভাই বাদী আবুল খায়ের এর সাথে। বর্তমানে আমাদের জায়গায় জমি নয় যেনো আমাদের জন্য জীবনে একটি মরণ ফাঁদ হয়ে উঠেছে। বাদীর আরো একটি মামলা করা হয় লক্ষ্মীপুর জেলা জজ কোর্ট দেওয়ানী আদালতে। সেই মামলার বিচারকরা স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন।যাহার মামলা নম্বর ৩১৮ /২৪।

এদিকে স্থানীয়রা বলেন,ভাঙচুরের ঘটনা থানায় অভিযোগ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবারো নতুন করে ১২ -মে – মঙ্গলবার সকাল ৯টার সময় আবুল খায়ের কে ডেগার দিয়ে কুপিয়ে রক্তক্ষরণ করে এবং হাতুড়ি দিয়ে তার পুরো শরীরে থেঁতলে দিয়েছে ঘটনাটি সাধারণ নয়। তাই, এই মূহুর্তে ঘটনাস্থলটি সরেজমিন সঠিক তদন্ত করে জরুরীভাবে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহনের জন্য মামলার বিচারক দের কাছে জোর দাবী জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন