
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
লক্ষ্মীপুরে বন বিভাগের শিশু চারা গাছের মাথা কেটে ফেলার নামে চলছে বিদ্যুৎ পরিস্কার পরিচিন্ন্য নির্মাণ কাজ।এতে করে যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে সরকার রাজস্ব আদায় থেকে বঞ্চিত।তেমনই ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত জনসাধারণ। বিদ্যুৎ যেমন আলো হিসেবে ব্যবহারে প্রয়োজন মানুষের। তেমনই প্রয়োজন আমাদের অক্সিজেন হিসেবে গাছ।গাছ মানুষের বিভিন্ন কাজে ও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। শুধু তাই নয়,গাছ সঞ্চয় হিসেবে আর্থিক সহয়তা দিয়ে থাকে মানুষকে। বিদ্যুৎ ও গাছ, দুটই মানুষের গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।

যদিও লেখা থাকে গাছ লাগান, দেশ বাঁচান,কিন্তু পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেলায় উল্টো।তাদের অমানবিক নিষ্ঠুর মন গড়া অধিকাংশ চারা গাছ কাটা দেখে মনে হয় বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতি পূর্বে কোনো শত্রুতা ক্ষোভ রয়েছে। যার ফলে ক্ষোভ প্রকাশের জের ধরে এইভাবে এলোপাতাড়ি চারা গাছ ও মাঝারি ছোট বড় গাছ গাছালি আগা কেটে ফেলা হচ্ছে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন মহাসড়কের দুই পাশে। পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ সরকারি আওতায় ভূক্ত থেকেও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল না হয়ে নিজের মর্জি খেয়াল খুশি মতো সরকারি বন বিভাগের গাছ গাছালি কেটে পেলা হচ্ছে পেশা আর নেশা।

কোনো রকম বিদ্যুৎ খুটি ও তারের নিচে থাকা সরকারি বন বিভাগের বিভিন্ন জাতের গাছ ও গাছের আগা-ছা পরিস্কার পরিচিন্নতার নির্মাণ কাজ অনুমতির পেলেই শুরু হয় এলোপাতাড়ি গাছ গাছালি আগা কাটা। ২৬ শে-ই জানুয়ারি ২০২৫ইং তারিখ রোজ সোমবার দুপুর ২টার সময় প্রতিদিনের মতো সংবাদ সংগ্রহ করে আশার পথে মজুচৌধুরীর হাট সাইফা দরবার শরিফ সংলগ্ন শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি ফিশারী সামনে মহাসড়কের দুই পাশে চারা গাছ কাটার ঘটনাটি চোখের নজরে পড়ে। গাছ কেটে ফেলার ঘটনা কে কেন্দ্র করে পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা জিএম এর নিকট গিয়ে বিদ্যুৎ খুটি ও তারের নিচে আগা-চা পরিস্কার পরিচিন্ন নিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইলে, তিনি জানান,গাছ যেমন প্রয়োজন, তেমনই বিদ্যুৎ খুটি ও তারের পাশে আগাছা কেটে পরিস্কার রাখা প্রয়োজন।

চারা গাছের আগা কেটে ফেলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান,বিষয়টি দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে বন বিভাগের লক্ষ্মীপুর সদর কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায়,বহুবার পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তা জি এম কে বলা হয়েছে তাদের লোকজন গাছের আগাছা পরিষ্কার করতে গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় মহাসড়ক পাকা ও কাঁচা রাস্তার দুই পাশে থাকা সরকারি বন বিভাগের গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।কিন্তু তিনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন বলেও কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে তালবাহানা করে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন পল্লী বিদ্যুৎ জি এম কর্মকর্তা। সরকারি বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অনিয়ম কারী অপরাধীদের ক্ষমতার কাছে জিম্মি বলে সাক্ষাৎতে জানান,বন বিভাগে দ্বায়িত্ব থাকা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তবে অতিদ্রুত এলোপাতাড়ি গাছ কাটা বন্ধ না করা হলে অক্সিজেন থেকে বঞ্চিত হয়ে রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশংকা রয়েছে জনসাধারণের মধ্যে।
