রায়পুরে নিষিদ্ধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে রায়পুর নির্বাহী কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট চিঠি প্রেরণ

লেখক: Admin
প্রকাশ: ১ বছর আগে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুর জেলার, রায়পুর উপজেলার, ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়নের, ০২নং ওয়ার্ড, চরইন্দুরিয়ায় মোঃ সোহাগ লস্কর, মোঃ মিলন সর্দার, মোঃ শিমুল হোসেন, মোঃ শাহ আলম, মোঃ শাহাদাত হোসেন সহ আরও অনেকে এবং ০৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের, মোঃ আবু কালাম, ০৯ নং ওয়ার্ড, ডাকাতিয়া নদী থেকে অবৈধ বালু ব্যবসা। দীর্ঘ ১৭বছর থেকে কয়েকজন আওয়ামী লীগ নেতার দখলে ছিল। এখন এই ব্যবসা লক্ষ্মীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার ০২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন ও ৮ নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপির দলের নেতাকর্মীদের দখলে রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।রায়পুর উপজেলার দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নে ডাকাতিয়া নদীর থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন ও বিক্রির উৎসব শুরু করে উপজেলার ৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দিদার ও তার বড় ভাই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মনির মোল্লা সহ আরও অনেকে । তার কবল থেকে গত বছর ৫ আগস্ট তা দখলে নেন রায়পুর উপজেলার ০২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন ও ৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের বিএনপির দলের নেতাকর্মীরা। দীর্ঘদিন থেকে দিনরাত অবৈধভাবে খনন যন্ত্র ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করার পর তা উচ্চ মূল্যে বিক্রি করে নিজেদের পকেট ভারি করে। প্রতিমাসে প্রায় ১ কোটি টাকার বালু বিক্রি হচ্ছে।

বালু মহলের সাথে সংশ্লিষ্ট এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ম্যানেজ করে ডাকাতিয়া নদী ও খাল থেকে বালু তোলা হয়। এই বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় বালু বিক্রি হয়।

বালু উত্তোলন ড্রেজার মেশিনে থাকা ২জন মেশিন চালক কে জিজ্ঞেস করে জানতে চাইলে একজন মুঠোফোনে কল করে এসে জানান সোহাগ লস্কর, শিমুল, মিজান বেপারী, শাহাদাত ও শাহ আলমের ড্রেজার মেশিন। পরে বালু বিক্রির বিষয়ে রায়পুর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন বিএনপির নেতা কর্মীদের কে জিজ্ঞেস করিলে তারা আমতা আমতা ভাষায় নরম সুরে বলেন ড্রেজার মেশিন আমার না মেশিনের মালিক বিএনপির বড় নেতারা জড়িত আছে এবং তারা নাম প্রকাশে অনীহা প্রকাশ করে।

এদিকে উত্তর ও দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ডাকাতিয়া মেইন নদীর কয়েকজন অপরিচিত জেলে’রা বলেন, আগে আওয়ামী লীগের ইউনিয়ন নেতারা বালু উত্তোলনে ছিল। ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ আত্মগোপনে যাওয়ার পর সব দখলে নিয়েছে বিএনপির ইউনিয়ন নেতাকর্মীরা।

এ ব্যাপারে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর এলাকার স্থানীয়রা বিভিন্ন সংবাদ দাতা সাংবাদিকদের মাধ্যমে দৈনিক জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকায় প্রকাশ করেও বালু উত্তোলন বন্ধ করাতে পারেনি তা উল্লেখ করে কম্পিউটার টাইপের মাধ্যমে একটি কপি জমা দেওয়া হয়েছে। শুধু তায় নয় আগামীকাল একই সাথে রায়পুর ভূমি কর্মকর্তা ও সেনা ক্যাম্প রায়পুর ইনচার্জ এর বরাবর অভিযোগ করবেন ৩২ টি স্থানীয় পরিবারের ২০টি পরিবার। অভিযোগ কারীদের নিরাপত্তার সার্থে নাম প্রকাশ করা হয়নি।

যদিও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কিছু ড্রেজার মেশিন উচ্ছেদ করলেও এখনো পুরোপুরি ড্রেজার মেশিনে বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি। তবে এইসব অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না করা হলেই যেমন ফসলী জমি হারাবে তেমনি হারাবে আমাদের জাতীয় মাছ ইলিশ। মেশিনের বাড়ির সাথে কাটা পড়ে ইলিশ, নতুন করে মাছের কোনো পোনা জন্ম নিতে দিচ্ছে না নদী দখল কারীরা। তেমনই দশে যাচ্ছে নিরীহ মানুষের ঘর বাড়ি। অবৈধ বালু উত্তোলন ড্রেইজার মেশিন বন্ধ করা একান্ত আবশ্যক ও জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাগণ। তবে আর জরিমানা নয়, অবৈধ বালু উত্তোলন ড্রেজার মেশিনের মালিকদের কে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচার দাবি প্রার্থনা করছি। এবং একই সাথে জেলে দেওয়ার দাবী জানাচ্ছি।

 

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন