
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুর থানার আওতায়ধীন ,৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের কাশিয়ার মোড়,৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রহমান এর মেয়ে সামিয়া আক্তার কে সজিব নামের এক যুবকের হাতে ধর্ষণের শিকার হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে সজিব নামের যুবকের বিরুদ্ধে। এমন অভিযোগ করেন এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা।
সজিব (১৮) পিতা জলিল মিয়া সর্দার,মাতা প্রবাসী বেবি বেগম, ৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড সর্দার বাড়ী বাসিন্দা। গত ৭ ই জুলাই রোজ সোমবার আনুমানিক ৩ ঘটিকার সময় এঘটনা ঘটে । সামিয়া আক্তার (১০) পিতা আব্দুর রহমান,মাতা সেলিনা বেগম, ৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়ন,৭নং ওয়ার্ডের, সর্দার বাড়ীর বাসিন্দা হন। সামিয়া আক্তারের এক ভাই, তার কোনো বোন নেই।
সালাউদ্দিন এর স্ত্রী ইভা বেগম এঘটনার স্বাক্ষী হিসেবে বলেন, ঘটনার দিন আমি সেখানে ছিলাম, প্রমাণ চাইলে দিতে পারবো। তখন সময় ৩টা, ঘটনার স্থল ইউ পি সদস্য মহিলা মেম্বার ফাতেমা বেগম এর বসত ঘর। ঘটনার দিন ফাতেমা বেগমের বড় মেয়ে সুমাইয়া আক্তার (২৪) ঐসময় ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন, ঘটে যাওয়া ঘটনা দামা চাপা দেওয়ার চেষ্টায় ধর্ষণের শিকার হওয়া সামিয়ার পরিবার কে বিশ হাজার টাকা দিয়ে সমাধানের চেষ্টা ইউপি সদস্য মহিলা মেম্বার ফাতেমা বেগম।
সাহব উদ্দিন এর স্ত্রী কাজল বেগম এর নিকট ঘটনার সত্য জানতে চাইলে তিনি রায়পুর প্রতিনিধি কে জানান, সামিয়া আক্তার সম্পর্কে আমার বাগ্নি হয়, গত সোমবার ৩টার দিকে ইউপি সদস্য মহিলা মেম্বার ফাতেমা বেগম এর ঘরে যায়, এই সুবাধে ফাতেমা মেম্বার বাসুরের ছেলে সজিব তাকে জোর পূর্বক ধর্ষণ করেন। পরে পরিবারের স্বজনরা তাকে কান্না কাটি করতে দেখে জিজ্ঞেস করেন সামিয়া কি হয়েছে,উত্তরে সামিয়া আক্তার বলে সজিব আমাকে ধর্ষণ করেছে।
একপর্যায়ে নিরুপায় হয়ে এলাকার স্থানীয় মেম্বার ও সাবেক চেয়ারম্যান কে ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানান,পরের দিন বৈঠকের সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু আর বৈঠকে বসা হয়নি অভিযুক্ত সজিব পরিবারের স্বজনদের। এব্যাপারে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা রায়পুর থানা হাজির হয়ে ধর্ষণের অভিযোগের বর্ণনা দিয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।
বর্তমানে ধর্ষণ কারী সজিব এলাকায় আড়ালে ঘুরে বেড়াচ্ছে দেখা যায়। ঘটনার স্থল থেকে চলে আসার সময় হঠাৎ অভিযুক্ত সজিব এর সঙ্গে দেখা হয় সাংবাদিকদের। সামিয়াকে ধর্ষণ করলেন কেন জানতে চাইলে তিনি এঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে এরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা এবং সাংবাদিককে জোর গলায় চোখ রাঙ্গিয়ে এইসব কথা বলে সামনে থেকে চলে যান সজিব।
তবে রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মহোদয়ের নিকট এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশীদের দাবি ধর্ষণের ঘটনা সঠিক তদন্ত করে ধর্ষণ কারী সজিব কে আইনের আওতায় এনে ধর্ষণের বিচার দাবি প্রার্থনা করেছেন এলাকাবাসী।
