
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর সদর থানার আওতাধীন ৪নং চররুহিতা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বাসিন্দা মৃত সেরাজুল হক এর বড় ছেলে রফিকুল ইসলাম এর ওয়ারিশ মালিকানা সম্পত্তির দলিল ও খতিয়ান গোপন করার অভিযোগ উঠেছে মৃত ভাই খোরশেদ আলম এর স্ত্রী ও ফিরোজ এর স্ত্রীর বিরুদ্ধ।
এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম তার দু ভাইয়ের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে। ভাই ফিরোজ ও মৃত খোরশেদ আলমের স্ত্রী প্রভাবশালী গং মালিকানা সম্পত্তি দাবি করে জবর দখলের উদ্দেশে দলিল ও খতিয়ান লুকিয়ে রেখেছে বলে ভুক্তভোগীর অভিযোগ।
ঘটনার সূত্রে জানা গেছে ,১নং ওয়ার্ড চরমন্ডল মৌজার ডিয়ার আর ও এম আর, আর এস, সি এস, ডি এস, ডি পি এবং এস এ ৩৭০ ও ৭৬, ৮৪ খতিয়ান ভুক্ত ৫০৮২দাগ সহ আরও অন্যান্য দাগ মিলে মোট এক একর ৬০ শতাংশ জমি রফিকুল ইসলাম এর মা বাবা তার নামে যৌথ খতিয়ানের মাধ্যমে রেকর্ড ও জমা খারিজ করে দিয়েছে বলে জানান ভুক্তভোগী পরিবার।
দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান,দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে আমি রফিকুল ইসলাম এর দখলে। তিনি আরও বলেন,বিশ্বাস করে আমার ভাই ফিরোজ আলম ও মৃত খোরশেদ আলম এর কাছে আমার মালিকানা সম্পত্তির দলিল ও খতিয়ান চাওয়া মাত্রই দিয়ে আজ আমি হয়রানি শিকার।
ভাই খোরশেদ আলম মারা যাওয়ার পর হইতে আমার মালিকানা দলিল ও খতিয়ান দুই ভাইয়ের স্ত্রী গণেরা লুকিয়ে রেখেছে জবরদখল করে খাওয়ার চেষ্টায়। এঘটনা কে কেন্দ্র করে সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির সংক্রান্ত মিমাংসায় উভয়পক্ষের লিখিত সম্মতি থাকার কথা জানা যায়। সে মোতাবেক ফিরোজ আলম ও মৃত খোরশেদ আলম ২ভাইয়ের এর স্ত্রী প্রতিপক্ষ রফিকুল ইসলাম দলিল ও খতিয়ান লুকিয়ে রেখেছিল মর্মে কয়েকটি বৈঠক হয়েছে।কিন্তু সমাধানে কেউ আসে নাই।
তবে তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যাবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা।
অভিযুক্ত মৃত খোরশেদ আলম এর স্ত্রী বলেন ‘আমাদের অন্যায়ভাবে বিরোধ সৃষ্টি করলে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের সালিশি বৈঠকের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমরা ওই জমিতে সীমানা পিলার দিয়ে ঘেরাও করি।
এখানে বাদী রফিকুল ইসলাম এর মালিকানা নেই, এবং তার কোনো মালিকানা সম্পত্তির দলিল ও খতিয়ান লুকিয়ে রাখা হয়নি।তিনি আরও উচ্চ কন্ঠে বলেন,তাকে আমার সীমানাই যেন না দেখি, আর যদি দেখা যায়,তাহলে আমার চেয়ে খারাপ হবেনা কেউ মন্তব্য করে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিযুক্ত কাবী ।
ভুক্তভোগী রফিকুলের স্ত্রী বলেন, জমির মালিকানার কাগজপত্র এতদিন খুঁজে পাওয়া যায়নি। নিরুপায় হয়ে ওই কাগজ খুঁজে পাওয়ার জন্য মালিকানার দাবিতে আদালতে মামলা করা হয়েছে। আদালত এর আদেশ পাওয়ার আগে অন্য কারও ভোগ দখল মেনে নেওয়া যায় না।
