
চন্দ্রগঞ্জ প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরে আলাদাদপুর এলাকায় পূর্বের জমিজমার বিরোধের জেরে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী ও দুই মেয়ে কে বাঁশ দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে জখম করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে বড় বাসুর হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী খতিজা বেগম এর বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার ২০শে-ই জুলাই সকাল ছয়টার দিকে। ঘটনার স্থল ১১নং হাজিরপাড়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড আলাদাদপুর গ্রামের মুসলিম হাওলাদার বাড়ির বসত ঘরের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে ।
এঘটনার পর হইতে ছোট ভাই তার পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভূগছেন। বড় বাসুর হুমায়ুন কবির এর হুমকির মুখে রয়েছে ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নুর নাহার বেগম ও তার দুই মেয়ে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে অভিযুক্ত কারী হুমায়ুন কবির এর ছোট ভাই আবদুর রহিম কুমিল্লা প্রাণ কোম্পানিতে ছোট একটি পোস্টে সামান্য বেতনে চাকরি করেন।
তবে এর ঘটনার পূর্বে আরও একটি মারপিটের ঘটনা করেছে বলে আরও অভিযোগ রয়েছে। পূর্বের ঘটনা কে কেন্দ্র করে তাকে এক মাস জেল হাজতে থাকতে হয়েছে এবং এক হাজার টাকা জরিমানা দিয়ে ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনা করবেনা বলে মুছলিকা দেয় লক্ষ্মীপুর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চন্দ্রগঞ্জ শাখায়।যার ১০৭/১১৭(সি) ধারা প্রাণ নাশের আশংকায় মিছ ১৩/২০২২ ইং উক্ত মামলা দায়ের করিলে এই আসামী পক্ষ মুচলিকা প্রদান করে।
এবং বাদী উক্ত আসামী গণের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত সি আর মামলা নং- ২৯৮/২০২১ইং ধারা ৩২৩/৩৫৪/৫০৬(২) দঃ বিঃ অনুযায়ী ১নং আসামী হুমায়ুন কবির কে ১মাস বিনাশ্রম কারাদন্ড এবং ১০০০ টাকা জরিমানা করেন।
নতুন ঘটনা কে কেন্দ্র করে বড় বাসুর হুমায়ুন কবির ও জ্বাল খতিজা বেগমকে আসামী করে লক্ষ্মীপুর জেলা জজ কোট সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী অঞ্চল চন্দ্রগঞ্জ আদালতে বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন যার মামলা নং- ৪৬৬ সি আর /২০২৫ ইং করেন ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নুর নাহার বেগম।
জানাযায়, আসামী বাসুর মোঃ হুমায়ুন কবিরের সাথে জমিজমাসহ পারিবারিক বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়া এলাকার প্রতিবেশী ও ছোট ভাইয়ের স্ত্রী নুর নাহার বেগম এর সাথে বিরোধ চলছে। উক্ত বিরোধের জের ধরে গত ২০শে-ই জুলাই সকাল ভোর বেলায় বাদী নুর নাহার বেগম এর হাতে তফসি দেখে বিভিন্ন ধরণের উসকানী মূল্যক হুজুর হয়েছে বলে গালমন্দ শুরু করেন এবং গায়ের দিকে তেড়ে আসে হুমায়ুন কবির ও তার স্ত্রী খতিজা বেগম।
এসময় বাদী নুর নাহার বেগম ও বড় মেয়ে সারমিন আক্তার ও এস এস সি পরিক্ষার্থী ইয়াসমিন আক্তার কে পরিকল্পিত ভাবে বে-আইনী বাঁশ ও লাঠি সোটা নিয়া বসত ঘরের সামনে আসিয়া অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে তখন ভুক্তভোগী নুর নাহার বেগম উত্তর করে গালমন্দ করার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করিলে তাকে বাশঁ ও লাঠি সোটা দিয়া এলোপাতারী ভাবে পিটিয়ে জখম করে, এবং হত্যার উদ্দেশ্যে গায়ের ওড়না গলায় পেচিয়ে শ্বাসরোধ করে, তল পেটে লার্থি মারে তাদের মা মেয়ে তিন জনকে।
এসময় নুর নাহার বেগম এর গলায় থাকা দশ আনা ওজনের ২২ ক্যারেট স্বর্ণের চেইন ছিড়ে নিয়া যায়। যার বর্তমান বাজার মূল্য ১০৬, ০০০ টাকা। ২য় স্বাক্ষী সারমিন আক্তার এর কানে থাকা ছয় আনা ওজনের স্বর্ণের কানপাশা নিয়ে যায়। যার বর্তমান বাজার মূল্য ৬৪,০০০ টাকা। নুর নাহার বেগম এর শো-র চিৎকার করিলে এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশী গণ ঘটনার স্থলে গিয়ে আহত নুর নাহার বেগম ও তার দুই মেয়ে কে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে সিএনজি যোগে জরুরী বিভাগে চিকিৎসার জন্য পাঠান।
যাহার ভর্তি রেজিষ্ট্রেশন নং ৬২০১/ ০৬,৬২০২/ ০৭,৬২০৫/১০,তারিখ ২০,০৭,২৫ইং আসামি গণের বিরুদ্ধে ধারা ৪৪৭/৩২৩/৩০৭/৩৫৪/৩২৫/৩৭৯/৫০৬ এর( ২) ধারার বিধান মতে গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দানে মর্জি হন ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা।তারিখ ২১/০৭/২০২৫ইং
অভিযোগের বিষয়ে হুমায়ুন কবির এর স্ত্রী খতিজা দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা জানতে চাইলে তিনি তার নিজের মুখে মারপিটের কথা শিকার করেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বলেন,শুনছি নুর নাহার বেগম বাদী হয়ে এ ঘটনায় কোটে মামলা দায়াল করা হয়েছে, এখনো কোট থেকে তদন্ত পুর্বক কপি আসে নাই। রিপোট আসলে তদন্ত করে আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি ।
