লক্ষ্মীপুরে এলজিইডি সড়ক নির্মাণে অতি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ঠিকাদার বেলালের নির্মাণ কাজ

লেখক: Admin
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

 

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরে এলজিইডি’র সড়ক নির্মাণে অতি নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। লক্ষ্মীপুর জেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতাধীন উপজেলার নির্মাণাধীন সড়কে চলমান কাজে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সাংবাদিক মীর পরহাদ হোসেন সুমন নামক ব্যক্তির বড় ভাইয়ের পরিচয়ে সড়ক নির্মানের নামে ব্যবহার করা হচ্ছে অতিনিম্নমানের ইট ও খোয়াসহ নিম্নমানের সামগ্রী।সংশ্লিষ্ট বিভাগের নিয়ম অনুয়ায়ি সিডিউল মোতাবেক নিয়ম অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে না।

বালির পরিবর্তে মাটি, নিম্নমানের পুরোনো ইটের খোয়া ও তার অবশিষ্ট অংশের ধুলোবালি দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের কাজ তদারকিতে উপজেলা এলজিইডির কর্মকর্তা ও দায়িত্বরত কর্মকর্তাদের গাফিলতির কারনে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্যাপক অনিয়মের মধ্যদিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ১৭নং ভবানীগঞ্জ ও পিযারাপুর গ্রামে পাকা সড়ক হইতে কাঁচা রাস্তা পাকা সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে বটতলা পাকা সড়ক পর্যন্ত। বেলাল ও হেলাল দুই ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠন মিলে সড়কের কাজটি করছেন।

মোঃ খোরশেদ আলম বলেন,যেভাবে নিম্ন মানের ইটের খোয়া ব্যবহার করে কাজ করা হচ্ছে, তার মধ্যে বেশির ভাগই বালু।তিনি আরো বলেন, এর উপর যদি পিচ দেওয়া হয় তাতে সড়কটি অল্পদিনেই নষ্ট হয়ে ভেঙ্গে খানাখন্দ পরিনত হবে।

নির্মাণ কাজে অতি নিম্নমানের ইট ও ইটের খোয়া ব্যবহার দেখে এলাকাবাসীর মধ্যে চাপা ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাঁরা বলেন, একেবারেই নিম্নমানের মাটি বালি ও ইটের খোয়া দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

সড়কের কাজ যে ভাবে করা হচ্ছে সবই সিডিউল অনুযায়ি করা হচ্ছে না।সড়কটিতে সিডিউলে উল্লেখিত বক্সের মাপ সঠিক ভাবে করা হয়নি এবং সঠিক ইট ব্যবহার না করে অত্যন্ত নিম্নমানের মাটিযুক্ত ইট ব্যবহার করে যাচ্ছে বেলাল হোসেন ও হেলাল হোসেন নামক দুই ঠিকাদার।

প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ঠিকাদার বেলাল হোসেন বলেন, গ্রাম সড়কটি পূর্ব থেকে কাঁচা সড়ক ছিল বর্তমানে ৯৫০মিটার কাচা রাস্তা লম্বা ও ৩ মিটার কাচা রাস্তা ছড়ার মধ্যে বালু দেওয়া হয়েছে।এছাড়াও কাঁচা ছয়টির মধ্যে প্রথমে১০ইঞ্চি,পরবর্তীতে বালুও কণা মিক্সার ৭ ইঞ্চি, এর পরে আবার ৬ইঞ্চি এস্টা কনা দেওয়া হয়েছে।

এর উপর পিচ ঢালায় হবে দেড় ইঞ্চি। নির্মমানের ইট দিয়ে সড়ক নির্মাণ কাজ সম্পর্কে জানতে চাইলে ঠিকাদার বেলাল হোসেন সাংবাদিকদের কে জানান ১০০% এর মধ্যে ১০% নিম্নমানের ইট দিতে হয়,তা না হলে ফিনিশিং ভালো হয় না,বাজেট পরিমাণ কাজ বলে জানিয়েছেন ঠিকাদার বেলাল হোসেন।

লক্ষ্মীপুর জেলা এলজিইডি অফিসের কর্মকর্তা ও উপ-সহকারী প্রক্যেশলী মুঠো ফোনে কল করে পাওয়া যায়নি, যার ফলে নির্মমমানের ইট দিয়ে গ্রাম সড়কের নির্মাণ কাজ করা কতটুকু গ্রহণ যোগ্যতা রয়েছে,সেই বিষয়ে সাংবাদিকদের জানা সম্ভব হয়নি।

রাস্তাটি নির্মাণের জন্য ঠিকাদার কাজের সাইডে যে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী রেখেছেন।তা দিয়ে একটি জ্বলন্ত প্রমাণ।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন