লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা কর্মীদের অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলায় আহত পশ্চিম যুবদলের সদস্য ইয়ার আলী মীর।

: Admin
: ১ বছর আগে

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুর সদর থানার আওতায় দিন ২০ নং চররমনী মোহন ইউনিয়নে ২নং ওয়ার্ড বাসিন্দা লক্ষ্মীপুর সদর পশ্চিম যুবদলের আব্বায়ক কমিটির মেম্বার মোঃ ইয়ার আলী মীর   যুবলীগের নেতা কর্মীদের হাতে হামলায় নির্যাতনের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।  ইয়ার আলী মীর এর উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে যুবলীগের ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে।এমন অভিযোগ করেন আহত ইয়ার আলী মীর পরিবারের স্বজনরা। ৩০-০৩ ২০২৫ ইং তারিখ রোজ শুক্রবারে  দুপুর টার দিকে ২০নং চর রমনী মোহন ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড করাতির হাট বাজারে নূর নবী নামের এক ব্যাক্তির চায়ের দোকানে দুই পক্ষে সংঘর্ষ ঘটনাটি ঘটে। আহত মোঃ মীর আলী সাংবাদিকদের বলেন, মার্চ মাসের ৬ হইতে ৭ তারিখ হবে আমার ওয়ার্ডের যুবদলের সেক্রেটারি পদে প্রার্থী কামরুল সদ্দার। যুবদলের পক্ষে সাপোর্ট দেওয়াই পরিকল্পিত ভাবে হামলার ঘটনাটি ঘটায়। ১১ মাহে রমজান উপলক্ষে নিজ পরিবার সদস্য ও শশুর পরিবারের স্বজনদের জন্য দাওয়াতি খাবারের আয়োজন করেন ইয়ার আলী মীর। এসময় যুবলীগের রানিং সেক্রেটারি সবুজ সদ্দার,মিন্ট যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক, জামাল সদ্দার যুবদল কমিটির সদস্য সহ আরও অনেকে দলবদ্ধ হয়ে পূর্বের ঘটনা কে কেন্দ্র করে মেহমানদের সামনে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন ইয়ার আলী মীরকে।সেখানেও প্রায়  এক লক্ষ টাকার খাবার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পরে ইয়ার আলী মীর নিরুপায় হয়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় হাজির হয়ে ঘটনার বিস্তারিত জানিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরির মাধ্যমে  অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের তদন্তের দ্বায়িত্ব পড়ে এসআই শহিদুল ইসলাম এর নিকট। তিনি ঘটনার দিন সরো জমিনে পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা পান।তার পর হইতে ১/ নং আসামী কবির সদ্দার ২/ মিন্টু সদ্দার ৩/সবুজ সদ্দার ৪/ জামাল সদ্দার সহ তারা সবাই এলাকা থেকে পালিয়ে গিয়ে দীর্ঘ কয়েক মাস এলাকা ছাড়া ছিলো। হঠাৎ ঈদের একদিন আগে এলাকায় প্রবেশ করে হামলা কারীরা। এঘটনার পর হইতে ২০নং চররমনী মোহন ইউনিয়ন ২ নং ওয়ার্ড বাসিন্দাগণ আতংকে রয়েছে। ঈদের আগের দিন রাত তারা আবারও তাদের দলবল নিয়ে এলাকায় প্রবেশ করে হামলার উদ্দেশ্য।  এসময় ইয়ার আলী মীর তার নিজ প্রয়োজনে করাতির হাট বাজের তার কাজে যান।সেখানে শো-র চিৎকার  নুর নবী চায়ের দোকানে যায়।সেখানে গিয়ে  দেখতে পান কবির সবুজ কামরুল সদ্দার  দলের পদ নিয়ে এবং পূর্বের ঘটনা নিয়ে টানাহ্যাঁচড়া করে মারামারি শুরু দুই পক্ষে মধ্যে। পরে তাদের মধ্যে ইয়ার আলী মীর যুবদলের সেক্রেটারি প্রার্থী কামরুল সদ্দার সহ উভয় পক্ষই নিয়ে সমাধান দেওয়ার কথা বলিলে তার উপর অতর্কিত হামলা শুরু করে। একপর্যায়ে ইয়ার আলী মীরকে উদ্ধার করতে দৌড়ে আসেন জাকির পর্দান,মিঠু পর্দান শরিফ পর্দান তারাও আহত হয়েছে।এদিকে নুর নবী চায়ের দোকানে মারধরের ঘটনার কারণে প্রায় ২ লক্ষ্য টাকা মালামাল ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ইয়ার আলী মীর পরিবারের স্বজনরা ও এলাকাবাসী। ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান, এঘটনার প্রদান ইন্ধন দাতারা হলেন, ১/ সোহেল,পিতা শেকু সর্দার।২ কবি সদ্দার৪/ শরীর সর্দার, ৩/ সবুজ সদ্দার,  ৫/দেলোয়ার, সালাউদ্দিন, রনি, জামাল, সিরাজ বেপারী সহ ১৫ থেকে ২০ জন মিলে  ইয়ার আলী মীর (৪৫) পিতা মৃত মুনহাফ মীর কে এলোপাতাড়ি কিল ঘুষি লাথী চুরি দিয়ে গুরুতর আহত করেন। একই সাথে আরও  আহত হয়েছে ছেলে রাসেল পিতা ইয়ার আলী মীর, কল্পনা বেগম, পিতা আব্দুর রহমান, হযরত আলী উজ্জ্বল, জাকির সদ্দার পিতা মৃত আইয়ুব আলী, কামাল সদ্দার প্রমূখ। ইয়ার আলী মীর ছাড়া বাকীদের সবাই গ্রামের প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়া হয়েছে। পরিশেষে আহত পরিবারের স্বজনদের দাবী আসামীদের বিরুদ্ধে আমাদের মামলা দায়ের করা হয়েছে অপরাধীদের কে আইনের আওতায় আনা একান্ত আবশ্যক ও জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা।তবে এঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি হামলা কারীদের কাউকে খোঁজে না পওয়ার কারণে। পরবর্তী সংখ্যা দেখতে চোখ রাখুন দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পত্রিকা।

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন