
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পৌর ৬নং ওয়ার্ড রেহান উদ্দিন ভূঁইয়া সড়ক এলাকায় মোঃ সামছুল আলম এর মালিকানা সম্পত্তির নির্মাণ কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী সামছুল আলম এর বিরুদ্ধেথ্রী ফল নাইনে দফায় দফা কল করে হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ বিবাদী ভুক্তভোগীর সামছুল আলম এর বাদী শহীদ উল্যার বিরুদ্ধে।
এমন অভিযোগ করেন বিবাদী সামছুল আলম এর পরিবারের স্বজনরা।
জমির মালিক শামছুল আলম দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান,৬৩নং বাঞ্চানগর মৌজার ৫৭৫ ও ৪৯৭নং দুটি খতিয়ানের ৮৩১২ এক দাগে আমি সামছুল আলম ২০১৩ সালে দাতা গংদের থেকে ৪শতক জমি খরিদ সুত্রে মালিক হই।কিন্তু আমার মালিকানা সম্পত্তির ভিতরে কোনো ধরনের কাগজপত্র দলিল ও খতিয়ান প্রমাণ করতে পারে নাই এই মামলার বাদী।
বাদী শহীদ উল্যা মালিকানার চেয়েও বেশি দখল করে বসে আছে। আমরা এই জমি ক্রয় করার পর থেকে দীর্ঘ ১৬ বছর যাবৎ ভোগ দখল করে আসতেছি। গত মঙ্গলবারে দফায় দফা বিএনপির পরিচয়ে দলবেঁধে আমার মালিকানা ক্রয়কৃত বসত বাড়িতে এসে তাদের মালিকানা দাবী করেন এবং থ্রি ফল নাইনে কল করে পুলিশ এনে নির্মানাধীন কাজ বন্ধ রাখতে বলে।
আমরা বাঁধা দিলে সহীদ উল্যা বিএনপির দলীয় নেতা কর্মীর পরিচয়ে তার দলবল নিয়ে এসে আমাদের নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করে এবং অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা করার হুমকি দেয়। সামছুল আলম আরও বলেন,আমরা নিরুপায়,আমার জনবল নেই,আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল,বাদীর কোনো কাগজপত্র দলিল খতিয়ান কিছুই না থাকার স্বর্থেও আমার মালিকানার বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা মামলা দিয়ে আমি বিবাদী কে হয়রানি ছাড়া কিছু নয়।
আমি বিবাদী প্রতিনিন্দা ও নেতকার জনক মামলার বাদী শহীদ উল্যার বিরুদ্ধে জানাচ্ছি। স্থানীয় প্রতিবেশীরা দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান, আদালতে মামলা করে বাদী শহীদ উল্যা গং, বিবাদী সামছুল আলম গংদের বার বারে হয়রানি করা হচ্ছে।মুলত খরিদ সুত্রে এই জায়গার মালিক সামছুল আলম গং,আমরা এতকুটু জানি, সামছুল আলম গং গরীব অসহায়,তিনি লক্ষ্মীপুর লিল্লাহ জামে মসজিদ এর পচ্চিম পাশে তার একটা ছোট লেদার ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ রয়েছে।
সেটা দিয়ে কোনো রকম সংসার চলে। স্থানীয়রা আরও জানান,একটা গরু পালন করতে হলেও আরও বেশি জায়গা প্রয়োজন হয়,কিন্তু তার সেই টুকুও জায়গা নেই,বর্তমানে কু-চক্র মহলদের পাল্লায় পড়ে বাদী শহীদ উল্যা ভালো ভদ্র ফ্যামিলি পরিবারের সদস্য,তিনি কেনো বিবাদী সামছুল আলম এর বিরুদ্ধে মিথ্যা জায়গার মালিকানা দাবী করে মামলা দায়ের করেছে, সেটা আমাদের জানা নেই।তবে আমরা স্থানীয় প্রতিবেশীরা এ ঘটনায় প্রশাসন ও মামলার বিচারকদের নিকট সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে বিচারের দাবী জানাচ্ছি।
জমির মালিকানা দাবীর বিষয়ে অভিযুক্ত শহীদ উল্যা এর নিকট গিয়ে ভুক্তভোগী বিবাদী সামছুল আলম এর মালিকানা দাবী সম্পর্কে জানতে চাইলে বাদী শহীদ উল্যা গং বলেন, আমার মরহুম পিতা ১৪শতক জমি আমার নামে দেয়,সেই জমিতে তারা ঘর করতে চায়,আমি আমার মালিকানা সম্পত্তির মধ্যে কোনো ঘর করতে দিবোনা।
তিনি আরও বলেন, এই জায়গায় আমাদের দোকান ঘর ছিলো, আমার পিতা দীর্ঘ বছর ধরে এখানে দোকান করেছে, এটা আমাদের মালিকানা সম্পত্তির জায়গা,বিবাদী সামছুল আলম এর মালিকানা নেই, সামছুল আলম গং এর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করেছি সেই মামলা তার পক্ষে রায় দিয়েছে বিচারক।আমি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছি, কোটে মামলা চলমান আছে,কিন্তু মামলা চলমান থাকার স্বর্থেও কি করে বিবাদী নির্মাণ কাজ শুরু করেছেন।
মালিকানা কাগজপত্র দলিল ও খতিয়ান এবং মামলার কপি আছে কি-না জানতে চাইলে তিনি আছে বলে দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে আজ, নয়, কাল, এই বলে ৩দিন ধরে ঘুরিয়েও তার কোনো মালিকানা সম্পত্তির দলিল ও খতিয়ান দেখাতে পারে নাই বিদেয়,প্রমাণ করে যে তার মালিকানা দাবী সত্য নয়,এতে বিবাদী গংকে মিথ্যা মালিকানা দাবী করে মামলা দিয়ে হয়রানি করা বাদী শহীদ উল্যার পেশা আর নেশা বলে বুঝা যায়।
বিবাদী সামছুল আলম এর স্ত্রী ফাতেমা আক্তার সুমি বলেন,আমাদের কে গত কয়েক বছর ধরে মামলা দিয়ে হামলা করে হয়রানি করে আসছেন বাদী শহীদ উল্যার সন্ত্রাসী গ্রুপ।জায়গা নিয়ে মামলা চলমান আছে,আমাদের মামলায় আমরা রায় পেয়েছি, তারা সেই রায় মানছেন না বিদেয় আবারও আমাদের নামে মিথ্যার আপিল করেছে।
তিনি আরও বলেন,এছাড়া বাদী শহীদ উল্যার পূর্বের মামলায় আমরা রায় পেয়েছি তাহলে আমাদের বিরুদ্ধে আবার কেন মামলা দিয়েছে আমরা এবিষয়ে প্রশাসনের সু-দৃষ্টি কামনা করছি। আমরা যেনো আমাদের মালিকানা সম্পত্তির মধ্যে ঘর করতে পারি, সেই বিষয় পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতা প্রার্থনা করছি।
তারা আপিল করতেই পারে, সেই আপিলে যদি আমাদের ঘর ভেঙে দিতে হয়, আমরা তখন ভেঙে দিবো,কিন্তু এখন আমরা আমাদের মালিকানা সম্পত্তির মধ্যে ঘর করবো।এতে কেউ বাদা দিলে গ্রহণ যোগ্য হবে না বলে দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ওসি (কর্মকর্তা) জানান,আদালতের উপর আমাদের কথা বলার কোনো সুযোগ নেই, যদি পারে তারা উভয় পক্ষই বসে সমাধান করতে পারে।
