
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আওতায়ধীন ২নং দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড পূর্ব নন্দনপুর গ্রামের বাসিন্দা মৃত ফজল করিম এর পরিবার সদস্যদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও গায়বী হামলা, দিয়ে বসতবাড়ি ঘর ভাংচুর করে গভীর রাতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগে উঠেছে। এমন অভিযোগ করেন বিক্ষোভ মানববন্ধন কর্মসূচি ও সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা। উক্ত মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনদের মালামাল লুট করে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।এই মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার ও তাদের স্বজনরা। (৫ নভেম্বর) বৃহস্পতিবার সকালে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে প্রায় ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে স্থানীয় একটি দৈনিক পত্রিকার কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। লিখিত বক্তব্যে ২নং দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড মৃত ফজল করিমের স্ত্রী,মানিক জাহান ও ছেলে মো. মাসুম, মেয়ে মুক্তা আক্তার ও মেঝো ভাই মো. মিজান অভিযোগ করে বলেন, মৃত ফজল করিম জীবিত থাকা অবস্থায় ১৫ শতাংশ জমি ক্রয় করে তার পরিবার দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত বসবাস করে আসছেন। তার মৃত্যুর পর একই এলাকার সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান, আলী আহম্মদ ও তার ছেলে মো. ইউসুফ, মো. রুবেল মোঃ মিয়া ও ফারুক মিলে উক্ত সম্পত্তি দখল করার পাঁয়তারা করে আসছে।
ভুক্তভোগীরা এ ঘটনায় প্রতিবাদ করায় গত ৩১/০৭/২০২৬ ইং গভীর রাতে বসত বাড়ির ঘর ভাংচুর করেন এবং ১২/০৮/২০২৬ ইং তারিখ রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে ১৫০ থেকে ২০০ জন ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী সহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মানিক জাহানের বসতঘরে প্রবেশ করে হামলা ও ভাংচুর এবং একটি ট্রাকে যোগে মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। এসময় হামলকারীরা দখলের পর ওই সম্পত্তিতে সুপারী এবং নারিকেলের চারা রোপন করে। সম্পত্তি রক্ষায় বাধা দিতে গিয়ে আমি মানিক জাহান ও আমার ছেলে মাসুম গুরুতর আহত হয়। পরে স্থানীয় লোকজন আমাদেরকে সদর হাসপাতালে ভর্তি করায়। এ ঘটনায় আমরা মামলা করেও ন্যায়বিচার পাইনি। উল্টো তারা আমাদেরকে ৭টি মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। আমরা এখনো রাতে ঘুমাতে পারিনা সন্ত্রাসী ও পুলিশের ভয়ে রাতে ঘুমাতে পারছি না কখন আবার পুলিশ বা সন্ত্রাসীরা এসে কোন মামলায় গ্রেফতার করে জেল হাজতে নিয়ে যায়। আমরা প্রশাসনের কাছে হামলাকারীদের গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
এ দিকে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত কারী আব্দুল হান্নান, আলী আহম্মদ ও তার ছেলে মো. ইউসুফ, মো. রুবেল মোঃ মিয়া, ফারুকের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
