
স্টাফ রিপোর্টারঃ
লক্ষ্মীপুর সদর থানার আওতায়ধীন ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিল্পপতি নজরুল ইসলাম তার নিজ উদ্যোগে বন্যা প্লাবিত মানুষদের মাঝে তার বড় ভাই হাজী রায়হান এর পক্ষ থেকে শুকনো খাবার পোঁছানো হয়েছে।
পূর্বের মতো এবারও বন্যা পানিবন্দি মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন নজরুল ইসলাম পরিবারের সদস্যরা। গতকাল শনিবার সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত তার নিজ ইউনিয়নের ২,৩,৭,ও ৮ নং ওয়ার্ডে শুকনো খাবার হিসেবে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান। এসময় উপস্থিত ছিলেন ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়ন বাসিন্দা ছাত্র সমন্বয়ক রেদোয়ান ভূঁইয়া,বিএনপির নেতাকর্মী বৃন্দ,ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্যগণ,জাতীয় দৈনিক গণজাগরণ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি সহ আরো অনেকে।বন্যায় পানিবন্দি অস্থায়ী হিসেবে আশ্রয় নেয় ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের পাশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কয়েকটি পরিবার।
শুকনো খাবার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ শুরুতে ইউনিয়ন পরিষদের পাশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে থাকা বন্যা পানিবন্দি সাধারণ অসহায় হতদরিদ্র পরিবারের স্বজনদের দেওয়া হয় শুকনো খাবার ত্রাণ সামগ্রী। পরে ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বাংলা বাজার থেকে হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের শেষ সীমানায় পর্যন্ত। একই সাথে ৩,৭ ও ৮নং ওয়ার্ডে শুকনো খাবার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান ত্রাণ বিতরণ কালে বন্যা পানিবন্দিদের হাতে শুকনো খাবার দিয়ে বলেন, পানি বেশি দেখলে অথবা কোনো অসুবিধা বা সমস্যা পড়লে যোগাযোগ করতে বলেন।এদিকে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা আওতায়ধীন ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলামকে নিয়ে প্রসংশা করতে শুনা যাচ্ছে ইউনিয়ন বাসীদের মুখে।
নজরুল ইসলাম চেয়ারম্যান কেমন জানতে চাইলে উপকার ভোগীরা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, সরকার ক্ষমতা থাকতেও এতো সাহায্য সহায়তা পায়নি, না পেয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান নান্নুর আমলে, যা পাচ্ছি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এর কাছ থেকে। ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়ন বাসীদের যেমন চোখের মনি, তেমনি অসহায়দের অভিভাবক শিল্পপতি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম। তারা আরও বলেন, চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম আগামী নির্বাচনে যদি নাও দাঁড়ায় আমরা তাকে দাঁড়া করাবো, আমাদের ভোটের মাধ্যমে আমাদের অভিভাবক হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বানিয়ে রাখবো ইনশাআল্লাহ বলে জানান ইউনিয়ন বাসীরা
।তারা আরও বলেন, আমরা যতদিন বেঁচে থাকবো, ততদিন চেয়ারম্যান হিসেবে নজরুল ইসলামকে দেখতে চাই।কারণ আসলে তিনি শিল্পপতি পরিবারের একজন সদস্য,তার মধ্যে কোনো টাকা,ধন,সম্পদের প্রতি লোভ লালসা নাই হিসেবে আমরা তাকেই সবসময়ই চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই। এদিকে ছাত্র সমন্বয়ক রেদোয়ান ভূঁইয়া শুকনো খাবার ত্রাণ সামগ্রী সঙ্গে শিশুদের হাতে চকলেট দেওয়া দেন। এতে শিশুদের মধ্যে খুশি হয়ে আনন্দের সাথে হাসি মুখ দেখা যাচ্ছে।তবে তাদের শুকনো খাবার পোঁছানোর পাশাপাশি আগামীতে আরও থাকছে যাদের রান্না করার ব্যবস্থা আছে তাদের জন্য চাল বিতরণ হবে চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম এর উদ্যোগে।
নজরুল ইসলাম সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে বলেন, যতদিন বন্যা পানিবন্দি আমার ইউনিয়নের গ্রাম বাসীরা ঘর বন্দি হয়ে থাকবে,ততদিনে আমার ত্রাণ চলমান থাকবে। আমার যতটু সম্ভব তাই দেওয়ার চেষ্টা করিবেন বলে জানিয়েছেন বন্যার্তদের কে। আজ বন্যার্তদের দেওয়া হয়েছে শুকনো খাবার হিসেবে ছিঁড়া, মুড়ি, গুড়,খাওয়ার পানি,এছাড়া জালানি হিসেবে দেওয়া হয়েছে মোমবাতি, গ্যাস লাইট, সহ আরো প্রয়োজনীয় জিনিস পত্র।
