
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ জেলায় এনজিও জিও সমন্বয় জোরদার উদ্যোগ গ্রহনে শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। ২৪/০৩/২০২৫ ইং সোমাবার দুপুর ১২: ৩০ মিনিটে লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সেমিনার টি অনষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে আয়োজন করেন এসেসিয়েশন অফ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সিজ বাংলাদেশ ( এডাব) সেমিনারের বিষয় টেকসই উন্নয়নে সরকারি বেসরকারি এনজিও সমন্বয় উদ্যোগ জোরদারকরন শীর্ষক সেমিনার। সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্টেট ও জেলা প্রশাসক রাজিব কুমার সরকার, বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক সার্বিক জেপি দেওয়ান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল মোঃ রেজাউল হক রেজা, নির্বাহী ম্যাজিস্টেগন, সমাজে সেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক স্বপন হালদার, সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন এডাব লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সভাপতি এবং সেডো সংস্থার নির্বাহী পরিচালক মোঃ হোসেন চৌধুরী, সেমিনারে সঞ্চালন করেন এডাব লক্ষ্মীপুর জেলা শাখা এর সহ সভাপতি এড: নুর মোহাম্মদ। ধারাভাষ্য ও এডাব এর পরিচিতি, কায্যক্রম মিশন ভিষন, এডাব পরিচালনা পর্ষদ, দাতা সংস্থা, কায্যক্রম, সংক্রান্ত উপাস্থপন করেন এডাব চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়কারী ফোরকান আহাম্মেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন এডাব জেলা শাখার সভাপতি মোঃ হোসেন চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মোঃ রেজাউল হক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সদর সার্কেল, বক্তব্য রাখেন স্বপন হালদার উপ পরিচালক সমাজ সেবা অধিদপ্তরে লক্ষ্মীপুর, জেপি দেওয়ান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক, সেমিনারে উন্মুক্ত আলোচনায় বক্তব্য রাখেন জেমস এর নির্বাহী পরিচালক আসাদুজ্জমান আসাদ, ব্রাক জেলা সমন্বয়ক অরুন কুমার দাস, বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি রাজিব কুমার সরকার জেলাপ্রশাসক
বক্তারা বলেন পৃথিবী থেকে ক্ষুদা দারিদ্র অশিক্ষা অসমতা, নারীর প্রতি বৈষম্য ও জলবায়ু পরিবর্তন এর ঝুঁকি হ্রাস সমান অংশিদারিত্ব নিশ্চিত করার মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) সারা বিশ্বের জন্য এটি একটি অভিন্ন কর্মসূচি এসডিজি বাস্তবায়িত হলে পৃথিবীর সকল দেশের মতো বাংলাদেশ ও একটি সুখী সমৃদ্ধ শালী দেশে উন্নত হবে। জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার বলেন আজকের এই আয়োজন একটি উপযোগী সময়ের আয়োজন, বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের চেলেঞ্জ জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত টেকসই উন্নয়ন অভিষ্ট ( এসডিজি) রুপান্তরমুখী ন্যায় এবং অধিকারভিত্তিক এবং অন্তর্ভূক্তিমুলক এমন একটা সমাজ প্রতিষ্ঠা করা যে খানে কেউ পিছিয়ে থাকার সুযোগ নাই। কারন একটার সাথে আর একটি নেটওয়ার্ক এমন ভাবে জড়িত একটা পিছিয়ে গেলে সামনে বাস্তবায়ন করা ব্যার্থ হয়ে পড়বে।২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ইং তারিখে জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের অধিবশনে ২০৩০ সাল পয্যন্ত টেঁকসই উন্নয়ন এর জন্য ১৭ টিঅভিষ্ট্য এবং ১৬৯ টি লক্ষ মাত্রা নির্ধারণ করা হয় এসব অভিষ্ট্য অর্জনের জন্য প্রয়োজন সমাজ রাষ্ট্র সরকারি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা, সুশীল সমাজ, প্রাইভেট সেক্টর ও ব্যাক্তিখাতে সম্মিলিত উদ্যোগ। ভারসাম্য পূর্ণ উন্নয়ন এর অভিষ্ট্ পুরনের কাজ শুধু সরকারেরের একার নয়।
মোঃ হোসেন চৌধুরী বলেন এডাব একটি সমন্বয় সংস্থা, এডাব পিছিে পড়া ও নেটওয়ার্ক এনজিও সংস্থাগুলোকে শক্তিশালী করে গড়তে এডাব বিভিন্ন সভা সেমিনার, পিপি লিখা আইসিটি, জেন্ডার বৈষম্য দুরীকরন, দিবস উদযাপন, সরকারি বেসরকারি সমন্বয় উদ্যোগ, দাতা সংস্থাগুলোর সন্ধান সমন্ব, তৃন মুলের বিভিন্ন সমস্যা আইডেন্টি করন, সচেতনতা মুলক প্রশিক্ষণ করিয়ে আসছে।এডাব বাংলাদেশ সরকারের সমন্বয়ে এসডিজি বাস্তবায়নের সুফল সকলের মধ্যে পৌঁছে দিতে কাজ করে আসছে তিনি বলেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা এবং জনসাধারণকে ও এই প্রক্রিয়ার সাথে সম্পৃক্ত যেমন হতে হবে তেমনি সকল খাতের মধ্যে অব্যাহত যোগাযোগ মিথক্রিয়া সহোযোগিতায় ও সমন্বয় থাকতে হবে। তিনি আজকের সেমিনারকে সকলে অংশগ্রহন করে দেশ সমাজ এবং মানুষের ও এসডিজি অর্জনে সহায়তা করার জন্য কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন এবং সবাইকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদ জানিয়ে সেমিনার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
