লক্ষ্মীপুরে একাধিক কর্মজীবী পেশা ছেড়ে এখন সাংবাদিক

লেখক: Admin
প্রকাশ: ৩ মাস আগে

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: বর্তমান ডিজিটাল যুগে দেখা যাচ্ছে, প্রায় ৭০% কর্মজীবী পেশার মানুষ সাংবাদিকতার পেশায় জড়িত। আইনজীবী, ডাক্তার, ব্যবসায়ী, ঠিকাদার ও চাকরিজীবী প্রায় ৭০শতাংশ কর্মজীবী মানুষ সাংবাদিকতার পথ বেছে নিয়ে সাংবাদিকতা করতে দেখা যায়।

তবে ২০২৩ সালের পর হইতে সাংবাদিকতার সংবাদকর্মীর সংখ্যা অগণিত। সবাই মূলত সংবাদ প্রকাশেই ব্যস্ত। নতুন প্রজন্মের অনেক কর্মী একসঙ্গে তিন থেকে চারটি গণমাধ্যমে যুক্ত থাকছেন। কেউ আবার ফেসবুক পেজ খুলে সেটিকে টিভি বা নিউজ নাম দিয়ে নিজেই সম্পাদক পরিচয় দিচ্ছেন।

এভাবে সহজে গণমাধ্যম খোলার প্রবণতা প্রকৃত ও পেশাদার সাংবাদিক কে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, যারা দীর্ঘদিন জাতীয় বা স্থানীয় পত্রিকায় কাজ করছেন—সেই সিনিয়র সাংবাদিকরা সাধারণত একটি প্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেন।

কিন্তু ৫ই আগস্ট এর পর হইতে বর্তমান সময়ে অনেক তরুণ সাংবাদিক একসঙ্গে দুই, তিন, এমনকি চারটি গণমাধ্যমে কাজ করার দাবি করেন।যেখানে থাকার কথা ছিল পড়ালেখা নিয়ে ব্যস্ত সেখানে তুলে নিয়েছে সাংবাদিকতার পেশা।শুরু করেছে মাঠে নেমে যাওয়া টাকার ধান্দা।

অনেককে জিজ্ঞেস করলে বলেন,আমি তিনটি সংগঠনে আছি,কয়েকটি অনলাইনে কাজ করি। কিন্তু যখন প্রশ্ন করা হয়,মাসে কয়টি বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করতে পারেন?তখন উত্তর আসে, বিজ্ঞাপন সংগ্রহের দরকার নেই।দেখা যাচ্ছে যেমন বাস্তবতার সঙ্গে আদর্শের সংঘাত। তেমনি সংবাদ অবশ্যই সাংবাদিকতার প্রাণ,কিন্তু বিজ্ঞাপন হলো তার অর্থনৈতিক ভিত্তি, বিজ্ঞাপন কোনো লজ্জার বিষয় নয়,এটি একটি গণমাধ্যমের সম্পদ ও শক্তি।

সংবাদে সততা এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বশীলতা এই দুইয়ের সমন্বয়েই গড়ে উঠতে পারে সুস্থ ও টেকসই সাংবাদিকতা। সাংবাদিকতা মূল পেশা হচ্ছে সম্মান ও শ্রদ্ধা। সেলফি নয়,বাস্তবতা লেখক হই।

তরুণ সংবাদ কর্মী বাড়লেও কমেনি দুর্নীতির আখড়া। তেল মারার সংবাদের কারণে লাঞ্চিত হয় সিনিয়র সাংবাদিক ও সংবাদ কর্মীগণ।বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে গেলে শোনা যায় সাংবাদিকতার পেশা নিয়ে নানান রকমের প্রশ্ন বৃদ্ধ।

দেখা যাচ্ছে সরকারি প্রতিষ্ঠানে এক একটি জেলায় বিজ্ঞাপনের চাইতেও পত্রিকার সংখ্যা দ্বিগুণ। দূর থেকে সকলেই দেখে সাংবাদিক পেশায় অনেক লাভবান অর্থ ও রাজপ্রাসাদ করা যায় অল্প দিনে। এমন অকল্পীত স্বপ্ন দেখে নিজেদের পেশাকে রেখে শুরু করে সাংবাদিক পেশায় যোগ দেওয়া। আবার অনেকে রয়েছে দুর্নীতি কে আরো জোরালো করার চেষ্টায় নেওয়া হচ্ছে সম্পাদকদের কাছ থেকে পত্রিকার পেশাদার কার্ড।

সম্পাদকরা যাচাই-বাছাই না করেই টাকার বিনিময়ে দেওয়া হচ্ছে সাংবাদিকতার সম্মানী পেশা কার্ড। আর এতে গলায় ঝুলে মোটরসাইকেল ও পকেটে রেখে দুর্নীতি করার শক্তিশালী হয়ে উঠেছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী।

পেশাগত সাংবাদিকতার তথ্য সংগ্রহকালে মাঠে গেলে দেখা যায় দুর্নীতিদের অনিয়মের আখড়া, প্রশ্ন করলেই শুরু করে তাদের সাংবাদিকতার পরিচয় দিয়ে কার্ড বের করা।সাংবাদিককে পরিচয় দিতে শুরু করে আমিও সাংবাদিক।

যার ফলে সাংবাদিক ও সংবাদকর্মীরা বিভিন্ন প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজ অনিয়মকারীদের বিরুদ্ধে সংবাদ করে সংবাদের প্রতিবাদে পাওযা হচ্ছেনা বিচার। লাঞ্ছিত হতে হচ্ছে সাংবাদিক ও সংবাদ কর্মীকে।

দেখা যায় বিভিন্ন ব্যবসা, প্রতিষ্ঠানে, শিল্প, কারখানায় ও প্রতিটি আনাচে- কানাচে প্রতিটি ঘরে ফ্যামিলির মধ্যে একজন সাংবাদিক। যদিও ২০২১ সালের পর হইতে সরকারি বিধি মালায় রয়েছে ডিগ্রি পাশে নিচে কোন সাংবাদিক সৃষ্টি হবে না। তবুও থেমে থাকেনি নতুন নতুন সৃষ্টি করা সংবাদ কর্মী।

 

📢 আজকের গুরুত্বপূর্ণ খবর:

👉 বিস্তারিত দেখতে এখানে ক্লিক করুন