নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুরে সদর উপজেলার আওতাধীন ২০নং চররমনী মোহন ইউনিয়নের ০৪নং ওয়ার্ডে দীর্ঘদিন ধরে আলামিন ছৈয়াল ও খোরশেদ ছৈয়াল মিলে অবৈধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে করছেন বালু উত্তোলন। গোপন সংবাদের মাধ্যম সরজমিন গিয়ে বালু উত্তোলনের ঘটনা সত্যতা পাওয়া গেছে। রাতের অন্ধকারে তারা কখনো বোভার খাল, কখনো গাজীর খাল, আবার কখনো কাইচ্চার খাল,, দখল রেখে বালু উত্তোলন করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আলামিন ছৈয়াল ও খোরশেদ ছৈয়াল তারা ২জন দলবদ্ধ ভাবে বিভিন্ন জায়গা অবৈধভাবে নিষিদ্ধ ড্রেইজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করে আসছে। বর্তমানেও তারা ২জন চররমনী মৌজার কাচ্চার খাল থেকে বালু উত্তোলন শুরু করেছে আজ ৪দিন।কাচ্চার খাল নামে সুপরিচিত খালটি চেয়ারম্যান আবু ইউসুফ ছৈয়াল এর বাড়ীর পিছনে সরকারি ইরির প্রজেক্ট ও সরকারি কাচ্চার খাল।ওই খাল থেকে বালু উত্তোলন করে আসছে আলামিন ছৈয়াল ও খোরশেদ ছৈয়াল। অভিযুক্ত খোরশেদ ছৈয়াল ও আলামিন ছৈয়াল মিলে সরকারি খাল দখল করে নিষিদ্ধ ড্রেইজার মেশিন দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কিছুইতে বন্ধ হচ্ছে না। এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশীদের সূত্রে জানা গেছে, কোনো সরকারের আমলে পায়নি শান্তি,খোরশেদ ছৈয়াল ও আলামিন ছৈয়াল মিলে আবারও শুরু করেছেন বালু উত্তোলন।
তবে এলাকার স্থানীয়দের নিকট হইতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় বিএনপির দলের নেতা কর্মীদের মেনেজও চলছে এইসব অবৈধ বালু উত্তোলনের ড্রেইজার মেশিন। এছাড়াও সরকারি খাল থেকে নিষিদ্ধ ড্রেইজার মেশিনে বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করেন প্রতি ফুল বালু ১৭ টাকা থেকে ২০ টাকার ধরে।তাদের বালু উত্তোলনে প্রতিটি পুকুর ও নাল জমি ভরাট করা হয় ৫লাখ টাকা হইতে ৮লাখ টাকার কন্টাকে। লাভের ক্ষেত্রে ক্রয় ও বিক্রি করে দুই পক্ষ কোটি প্রতি।আর ক্ষতির সংখ্যা হাজারো মানুষ। হুমকির মুখে শত শত ঘর বাড়ি, ধ্বংস হয় কৃষকদের ফসলী নাল জমি।৫শে-ই আগষ্ট বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনের পর হইতে খোরশেদ আলম ও আলামিন এর শুরু হয় দিনরাত অবৈধভাবে ড্রেইজার মেশিন বসিয়ে মাটি খনন যন্ত্র নামের ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন। পরে ঐ বালু উচ্চ ধরে মূল্যে দিয়ে বিক্রি করেন বিভিন্ন জায়গায়।এতে নিজেদের পকেট ভারি করে, এবং প্রতিমাসে প্রায় ১ কোটি টাকার বালু বিক্রি করা যেন বানিজ্য।
বালু মহলের সাথে সংশ্লিষ্ট এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ম্যানেজ করে সরকারি খাল থেকে বালু তোলা হয়। এই বালু উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় বালু বিক্রি করেন বালু উত্তোলন কারীরা। এ ব্যাপারে এলাকার স্থানীয়রা বিভিন্ন সংবাদ দাতা সাংবাদিকদের মাধ্যমে, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও স্থানীয় পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেও বন্ধ হয়নি বালু উত্তোলন। যদিও আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকা কালীন সময়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী ভূমি কর্মকর্তা এসিল্যান্ড কিছু ড্রেজার মেশিন উচ্ছেদ করেন অভিযানের মাধ্যমে। কিন্তু এখনো পুরোপুরি নিষিদ্ধ ড্রেজার মেশিন বন্ধ হয়নি বালু উত্তোলন। এসব নিষিদ্ধ ড্রেইজার মেশিনে বালু উত্তোলনের কাছে জিম্মি হাজারো পরিবার। দেশের আইন কানুন না মেনে চলছে রমারম বালু উত্তোলনে বানিজ্য। তবে এইসব অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ না করা হলেই যেমন ফসলী জমি হারাবে সাধারণ মানুষের বাড়ি ঘর। নতুন করে মাছের কোনো পোনা জন্ম নিতে দিচ্ছে না নদী দখল কারীরা। একই সাথে দশে যাচ্ছে নিরীহ মানুষের ঘর বাড়ি। অবৈধ বালু উত্তোলন ড্রেইজার মেশিন বন্ধ করা একান্ত আবশ্যক ও জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশী গণ।
অতএব আপনি মহোদয়ের নিকট আকুল আবেদন মর্জি কামনা ও দয়া জানিয়ে জরিমানা নয়, ড্রেজার মেশিনের মালিকদের কে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত বিচার দাবি প্রার্থনা করছেন এলাকার স্থানীয়'রা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com