পর্ব -১
নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুর পৌর ৩নং ওয়ার্ডে বিসিক শিল্পনগর এলাকার ভিতরে রযেছে নেক্সট ফুড এন্ড বেভারেজ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ চকলেট কোম্পানীর একটি চকলেট তৈরী কারখানা।
যার আশে পাশে চতুর দিকে রয়েছে শিল্প-কারখানার বর্জ্য ও অপরিকল্পিত ময়লার ড্রেন। মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় ময়লা পানির ড্রেইনে মারাত্মক পরিবেশ দূষণ ও জনদুর্ভোগ সৃষ্টি।
চকলেট কারখানার বর্জ্য জমে ড্রেন ভরাট হয়ে যাওয়া ও জলাবদ্ধতা দুর্গন্ধ এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি চরম আকার ধারণ করেছে। সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় পৌর বিসিক শিল্প এলাকায় চকলেট কারখানার ভিতরে দেখা যাচ্ছে এইসব নোংরা আবর্জনা দুষণ পরিবেশ।
বর্তমানে শহর কে গ্রাম গঞ্জের মতো করে রেখেছে নেক্সট ফুড এন্ড বেভারেজ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ চকলেট কারখানার দ্বায়িত্ব থাকা কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ। তাকাইলে মনে হচ্ছে এই যেনো শিল্প নগর এলাকায় ময়লার স্তূপ করা একটি নেক্সট ফুড এন্ড বেভারেজ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ এর কারখানা।ড্রেনে বজ্র দূষিত আবর্জনা লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্প এলাকা জুড়ে।
দেখা যাচ্ছে শিল্পনগর এলাকার চতুর্দিকে আশেপাশে শত শত ঘনবসতিপূর্ণ মহল্লাগুলো।তার পাশে ড্রেনে প্লাস্টিক বর্জ্য ও পচা আবর্জনা ফেলা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এতে করে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের উপর প্রভাব জলাবদ্ধতা ড্রেনগুলো।
চকলেট কারখানার মালিকদের অবহেলায় শিল্পনগরী এলাকায় বন্ধ হয়ে গেছে ময়লার পানি যাওয়া ড্রেনগুলো। এতে করে বর্ষা মৌসুম আসলে দেখা যায় সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতার সৃষ্টির মূল কারণ। দুর্গন্ধ ও রোগজীবাণু ময়লা ও পচা পানিতে মশা ও মাছির উপদ্রব বেড়ে রোগ ছড়িয়ে পড়ে পুরো মহল্লায়।
এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি দুর্গন্ধ এবং উন্মুক্ত বর্জ্যের কারণে শিশু ও নারীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে প্রতি মূহুর্তে। এই চকলেট কোম্পানির কারখানায় রয়েছে হাজার হাজার পুরুষ ও নারী কাজ করা শ্রমিক।পৌর কর্তৃপক্ষ বর্জ্য অপসারণের জন্য পরিষ্কার -পরিচ্ছন্নতা পরিবেশের উপর কার্যক্রম শুরু করলেও তা পর্যাপ্ত নয়।
নেক্সট ফুড এন্ড বেভারেজ ইন্ডাষ্ট্রিজ লিঃ কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে নেওয়া হচ্ছে না কোনো আইনি ব্যবস্থা। যার ফলে একের পর এক ভাবে কারখানার মালিকরা বিসিক শিল্পনগর এলাকায় চকলেট কারখানা দিয়ে পরিবেশ দুষণ করে মোটা অংকের অর্থ কামীয়ে যাচ্ছে নিরলায়।
বজ্র ও দূষিত ময়লার পানি নিষ্কাশনের দাবি জানিয়েছেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক ও পৌরসভা প্রশাসক এবং পরিবেশ অধিদপ্তর কর্মকর্তাদের নিকট পৌরসভার পৌর ৩নং ওয়ার্ডের মহল্লার স্থানীয়রা।বজ্র ও দূষিত ময়লার পানিগুলো খালে যাওয়ার ব্যবস্থা না থাকায় পরিবেশ দূষণ হয়ে জনসাধারণ ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে।
এদিকে চকলেট কোম্পানির কারখানার মালিক জনসাধারণকে হুমকির মধ্যে রেখে বজ্র দূষণ পরিবেশ তৈরি করে হাতিয়ে নিচ্ছে লক্ষ্মীপুর শিল্পনগরী এলাকায় থেকে কোটি কোটি টাকা।
এইসব বিষয়ে প্রশাসনের নজরে আসে না কেন, এমন ক্ষোভ প্রকাশ করে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার স্থানীয়রা বলেন,চকলেট কারখানায় দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা পরিবেশ দূষণ করে ময়লা বজ্র আবর্জনা ড্রেইনে ফেলে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।স্বাস্থ্যবিধি না মেনে চলে তৈরি করা হচ্ছে পরিবেশ দূষণ।
যেখানে তৈরি হচ্ছে চকলেট, সেখানে হচ্ছে পরিবেশ দূষণ।শিশুদের পছন্দ খাওয়া চকলেট তৈরীর আশেপাশে রয়েছে ময়লা ড্রেন। সেখানে নেই কোন পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সুব্যবস্থা, ময়লার দুর্গন্ধ ড্রেন খুবই বিরক্তিকর পরিবেশ।
বজ্র ময়লা পানি ড্রেন পুরে জমাট বেঁধে থাকে এবং অপরিতক্ত অবস্থায় অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্নতা পরিবেশ দেখে মনে হচ্ছে দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে পরিস্কার করা হয়নি ময়লার ড্রেন।
যার ফলে এই নোংরা দুষণ পরিবেশ, এইসব কারণে যেকোনো সময় শিল্পনগর এলাকার আশেপাশে মহল্লার বাসিন্দারা চকলেট কারখানার মালিকদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল নিয়ে বের হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com