প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২, ২০২৬, ১:২০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১৪, ২০২৪, ৮:২৪ অপরাহ্ণ
লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পৌর বাজারে আর নয় অটোরিকশার যানজটে দুর্ঘটনা, নিরাপদে যেতে চায় বাড়ী, বললেন ভুক্তভোগী বাজার ব্যবসায়ী ও পথচারীরা।
![]()

লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষীপুরে অটোরিক্সা বেড়ে যাওয়ার কারণে যেমন দুর্ঘটনা তেমনি যানজট। পৌরসভা পৌর বাজার রোড হিসেবে উত্তর স্টেশন হইতে দক্ষিণ স্টেশন পর্যন্ত প্রতিনিয়ত যানজট লেগেই থাকে। লক্ষ্মীপুর উত্তর স্টেশন থেকে দক্ষিণ স্টেশন পর্যন্ত একটা মাত্র লক্ষীপুর চক বাজার রোড হিসেবে সুপরিচিত।বিকল্প কোন রাস্তা না থাকার কারণে সাধারণ পথযাত্রী ও পথচারীরা এই রোডে যাওয়া আশা করে থাকে। লক্ষ্মীপুর জেলার শহরে পৌরসভার পৌর বাজার এ পথে রয়েছে তরকারী ও মাছ বাজার সহ বিভিন্ন ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্যদ্রব্য ও প্রয়োজনীয় জিনিস নিয়ে গড়ে উঠা লক্ষ্মীপুর বাজার। একই সাথে সংযুক্ত রয়েছে লক্ষীপুর সদর মডেল থানা ও লক্ষ্মীপুর সদর ভূমি অফিস। সরকারী বেসরকারী ব্যাংক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।বাজার সড়ক মেইন রোডের সঙ্গে জড়িত রয়েছে সদর ভূমি অফিস সংলগ্ন পূর্ব পশ্চিম দুটি দুই দিক থেকে আশা পৌরসভার চলাচলের পথ। একই সাথে আরো রয়েছে চকবাজার মসজিদ থেকে পূর্ব পশ্চিমে বাজারের দুই দিক থেকে আরও দুটি বাজারে চলাচলের পথ। মহাসড়ক উত্তর স্টেশন থেকে দক্ষিণের সঙ্গে সংযুক্ত। তার মধ্যখানে রয়েছে ব্রিজ সংলগ্ন ডাউনলোড। অপর দিকে সদর মাতৃ মঙ্গল মা ও শিশু পরিবার পরিকল্পনা স্বাস্থ্য ক্লিনিক এ চলাচলের পথ।বেশিরভাগ শাখা প্রশাখা রাস্তা গুলো এসে সংযুক্ত হয়েছে উত্তর ও দক্ষিণ মেইন মহাসড়ক বাজার রোডে। যার ফলে সবকিছু এক জায়গায় থাকার কারণে লক্ষ্মীপুর বাজারে অটোরিকশার যানজট। বিভিন্ন জায়গায় থেকে আশা যাওয়া একমাত্র উপায়।অন্যান্য গ্রাম ও শহর মহল্লার সড়ক গুলোতে না গিয়ে প্রতিদিন সকাল আটটা থেকে শুরু করে রাত ১০ টা ১১ টায় পর্যন্ত দাঁড়িয়ে অটোরিকশার ড্রাইভার'গণ।দেখা যায় লক্ষ্মীপুর থাকে দালাল বাজারে যেতে অটোরিকশা ১০ টাকা সিএনজি ১৫ টাকা ভাড়া নেয়। অথচ উত্তর স্টেশন প্রেস ক্লাব সামনে থেকে চক বাজার পর্যন্ত একজন আসলে ১০ টাকা, দুইজন আসলে ২০ টাকা দেওয়া লাগে। যে কারণে বাজার রোড ছাড়া কোথাও দেখা যাচ্ছে না অটোরিকশা গুলো। এছাড়াও আরও রয়েছে লক্ষীপুর গোডাউন রোড ব্রিজ সংলগ্ন পর্যন্ত মেইন মহাসড়কের দুই পাশে ভ্যান যোগে তরকারি বাজার মিলেয়ে বসা।আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নাকের ডগায় বসিয়ে দেখিয়ে দিল ক্ষমতা কাকে বলে। এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে প্রতিদিন ভ্যান গাড়ি করে তরকারি বিক্রয়দের কাছ থেকে পৌরসভার নামে বেনামে ডেলী ৩০ থেকে ৪০ টাকা এবং মাসিক নেওয়া হচ্ছে টোল।যে কারণে তরকারি ভ্যান ও অটোরিকশা প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে ঘন্টার পর ঘন্টা দাঁড়িয়ে থাকে রোডের দুই পাশে। তবে এইসব যানজট অনিয়মের অনৈতিক কর্মকান্ডে দায়ী করেছেন পৌরসভার পৌর মেয়র মোজাম্মেল হায়দার মাসুম ভূঁইয়া কে।যানবাহন ও পথচারীদের চলাচলের পথে হাজারো এরকম অটোরিকশা লাইসেন্স বিহীন চলছে প্রতিদিন। কিসের ক্ষমতার বলে এইসব অটোরিকশা বাজার রোডে এসে জেম করে রাখেন। পথচারীরা ও বাজারে বিভিন্ন বস্রবিতানের মালিক দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান, মনে হচ্ছে অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো সাহসী ব্যক্তির অভাব,না হলেই কি করে এইসব অটোরিকশার বানিজ্য মেলা পেশা বাজার বসে।তারা আরও বলেন এতে আমরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হই,তেমনি এ বাজারে আমাদের মতো আরও বিভিন্ন দোকান ব্যবসায়ীরা ও সাধারণ মানুষ হুমকির মুখে পড়ে ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছে। লক্ষ্মীপুর পৌরসভা বাজার ব্যবসায়ীদের অভিযোগ অতি দ্রুত অটো রিক্সা যে কোন একটা নির্দিষ্ট জায়গায় নেওয়ার একান্ত আবশ্যক ও জরুরী বলে দাবী জানিয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তা কামনা করেছেন পথচারীগণ ও পৌরসভার পৌর বাজার ব্যবসায়ীরা। তবে যে কোন সময় বাজার ব্যবসায়ীরা অটোরিকশা যানজটের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মিছিল শুরু করতে পারে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com