লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আওতায় দিন ৬ নং বাংঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের হোগল্ডরী মৌজার তিন নং ওয়ার্ড উত্তর মাচ্ছা হোগল্ডরী গ্রামে ফসলী নাল জমি থেকে বালু উত্তোলন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বালু উত্তোলন কারী হলেন কিশোর গ্যাং এর প্রধান গডফাদার ফরিদ মাওলানা ও রুপে হাকীম হুমায়ুন কবির পিতা ফারুক মাওলানা। বিভিন্ন এলাকায় থেকে ড্রেজার মেশিন ভাড়া করে এনে চলছে ড্রেজার দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন। দেখা যায় কখনো পুকুর, রহমত খালী ছোট খাল, ডোবা খাল, থেকে শুরু করে ফসলি নাল জমি থেকেও অবৈধ ভাবে ঐক্য দল বদ্ধ হয়ে একটি চক্র বালু উত্তোলন করেছে। আর এতে ফরিদ মাওলানা কে সহযোগীতা করছেন স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যাক্তিরা। ড্রেজার দিয়ে বালু ও মাটি উত্তোলনের ফলে এসব জায়গায় ভূমিক্ষয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাটি দিয়ে জমি ভরাটের চাইতে তুলনামূলক খরচ অনেক কম হওয়ায় বালু দিয়ে জমি ভরাটে উৎসাহী হচ্ছে স্থানীয় মানুষেরা। অন্যত্র থেকে বালু কিনতে গেলে প্রতি ফিট বালুর দাম পড়ে ৮-১০ টাকা আর ড্রেজার দিয়ে উত্তোলন করা বালু পাওয়া যাচ্ছে প্রতি স্কয়ার ফিট ৫-৬ টাকায়। অনেকে নিজ পুকুর কিংবা ছোট ডোবা থেকে ড্রেজার ভাড়ায় এনে নিচু জমি ভড়াট করে উঁচু করছে। এতে তাদের খরচ পড়ছে ২.৫০ পয়সা থেকে ৩ টাকা।লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলাতে যেন চলছে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের প্রতিযোগিতা। মেইন সড়ক থেকে সংযোগ লক্ষ্মীপুর ইসলাম গঞ্জ মার্কেট হয়ে ৬ নং বাংঙ্গাখাঁ সড়কে ডুকলেই চোখে পড়ে ৩ নং ওয়ার্ড হোগল্ডরী গ্রামের মাচ্ছা ডগীর এমন অনেক দৃশ্য। নাল জমি অথবা ভিটি বাড়ী ভরাটের কন্টাক্ট নিয়ে নাল জমি থেকে বালু উঠিয়ে দিয়ে রিতিমত আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ হচ্ছে এই ফরিদ মাওলানা। অধিকতর মুনাপা হওয়ায় ক্ষমতাসীন দলের স্থানীয় নেতারা ঝুকেছে এই পেশায়। এছাড়াও অবৈধ বালু উত্তোলনে স্থানীয় জনপ্রতি নিধিদের সমর্থন রয়েছে বলে বহু অভিযোগ পাওয়া যায় ফরিদ মাওলানার বিরুদ্ধে ।নিয়ম নিতির তোয়াক্কা না করে এতোদিন পুকুর, ডোবা, নদী,খাল থেকে বালু উত্তোলন করলেও এখন ড্রেজার মালিকেরা নতুন এক অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করছে। ফসলি জমি থেকে বালু উত্তোলনের অভিনব পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে তারা। ফসলি জমির মাঝে ছোট্টখাট্টো একটা গর্ত হলেই হলো এই গর্ত’ই ধিরে ধিরে বড় হবে ঘ্রাস করবে আশেপাশের সব ফসলি জমি। এতে ফসলি জমির পাশাপাশি হুমকির মধ্যে পড়েছে আশপাশের বসতবাড়িও। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বালু উত্তোলনের এই অভিনব পদ্ধতির মাধ্যমে,সাবেক ইউপি সদস্য কামাল মেম্বার বাড়ীর বাসিন্দা ফরিদ মাওলানা।৬ নং বাংঙ্গাখাঁ ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড হোগল্ডরী গ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য মেম্বার কামালের বাড়ির পাশে চলছে এই অপকর্ম কান্ড নামের বালু উত্তোলনে ড্রেজার। ঈদের গরু বাজারে সংবাদ পরিদর্শন করতে গিয়ে কানে আসলো শ্যলো মেশিনের আওয়াজ।সেখানে গিয়ে বিশাল বড় পার হয়ে দেখা মিললো ২টি সেই শ্যলো মেশিন। এই শ্যলো মেশিনের আওয়াজ শুনে যে কারো মনে হতে পারে হয়তোবা অত্যাধুনিক কোন পদ্ধতিতে চাষাবাদ হচ্ছে আসলে বস্তুত পক্ষে চাষাবাদ নয় চাষের জমি ফসলি জমি ধ্বংস হচ্ছে। বালু পাইপের সাহায্যে নিয়ে যাচ্ছে ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার দূরে।আবার দেখা যায়, এক স্থান থেকে নিকটস্থ অন্য স্থানে ফেলা হচ্ছে উত্তোলন কৃত বালু। প্রথমে নির্ধারিত স্থানে একটি নাল জমিনে গর্ত করে একটি মেশিনের সাহায্যে পাইপ দিয়ে পানি এনে গর্তে ফেলে। তারপর আরেকটি শ্যলো মেশিন দিয়ে ওই পানিতে ঘূর্নয়ন / স্রোতের সৃষ্টি করে। এরপর বড় আরেকটি শ্যলো মেশিন দিয়ে শুরু হয় বালু উত্তোলন। ধিরে ধিরে ছোট্ট গর্তটির পাড় ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে বড় পুকুর জলাশয়ের রুপ ধারন করে। দেখে মনে হবে এ যেন নদীর পাড় ভাঙ্গার দৃশ্য। এই ভাবে ভাঙ্গতে ভাঙ্গতে বিলিন হয়ে যাচ্ছে চর অঞ্চল থেকে আবাসিক এলাকার ফসলি জমিন। এই কর্মযোজ্ঞ চলতে থাকলে বাংলাদেশের রাজধানী খ্যাত লক্ষ্মীপুরের “স্যায়া ল্যান্ড” ব্যান্ডিং হারিয়ে যেতে বেশি সময় লাগবে না। স্থানীয়দের অভিযোগ,স্থানীয় প্রভাবশালীদের সহযোগীতায় একটি চক্র বিভিন্ন ফসলি জমি থেকে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে অবাধে বালু উত্তোলন করছে।প্রতিবাদ করতে গেলেই তারা তেড়ে আসে হুমকি দেয়। প্রশাসনিকভাবে নিষেধ থাকলেও কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছেনা তাদের বালু উত্তোলন। মানছে না বালু উত্তোলন কারীরা প্রশাসক আইন।প্রশাসনিক আইন কে বৃদ্ধা আঙুল দেখিয়ে চলছে বালু উত্তোলন কারীদের বালু বানিজ্য।এলাকাবাসী জানান, ড্রেজার মেশিন দিয়ে ফসলি মাঠ, পুকুর, খাল ও নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। ফরিদ মাওলানার সঙ্গে জড়িত রয়েছে বড় ধরনের সিন্ডিকেট। বালুদস্যুরা বিপণনের উদ্দেশ্যে বালু উত্তোলন করায় একদিকে যেমন পরিবেশ বিপন্ন হচ্ছে, অন্যদিকে রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ভূমি কর্মকর্তা ( এসিল্যান্ড) বালু উত্তোলনকারীদের ড্রেজার মেশিন আটক, যন্ত্রাংশ ধ্বংস, ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আসছে। এর পরও বালুদস্যুরা বিভিন্ন অপকৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে এ অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।জমির দামের চাইতে বেশি টাকার বালু বিক্রী করা যায় তাই জমির মালিকেরা বালু বিক্রী করছে। এক একর জমির বর্তমান মূল্য ৫ লক্ষ টাকা আর এই জমি থেকেই তারা ৭/৮ লক্ষ টাকার বালু বিক্রী করছে। এতে করে ফসলি জমি হচ্ছে জলাশয়। অত্র ইউনিয়নের ৭৩ শতাংশ মানুষ কৃষি কাজ করেই জীবন জীবিকা র্নিবাহ করে, ফসলি জমি কমে গেলে তাদের উপর এর বিরুপ প্রভাব পড়বে বলে মনে করেন স্থানীয়রা।বালু উত্তোলনকৃত স্থানে বসবাস করা অপরিচিত রহিমা বেগম ও খোরশেদ, জামাল, সুমন, রহমান, কাশেম, মোস্তফা, মাসুদ, নিজাম, তারেক, বাবলু,আমির, আমজাদ,রিয়াজ,সিরাজ সহ আরো অনেকে জানান, আমরা বাপদাদার আমল থেকে এখানে বসবাস করছি আমরা আমাদের ছেলে মেয়েদের নিয়ে এখানে এসে অনেক কষ্ট করে বাড়ী সাজিয়ে নিয়েছি নিজে মাটি কেটে এনে এই জায়গা ভরাট করে ঘর করেছি।এখন এই জমির মালিক কে-বা কাহারা আমাদের জানা নেই তবে শুনছি জমি থেকে বালু বিক্রী করছে ফরিদ মাওলানার কাছে।ফরিদ মাওলানা আমাদের বসত বাড়ী ঘর ভেঙ্গে দেওয়ার পরিকল্পনা করে এখান থেকে বালু উত্তোলন করছে।বালু শ্রমিকের নাম জানতে চাইলে, নাম না বলে তিনি জানান, এই ড্রেজার মেশিনের মালিক হচ্ছে ফারুক মাওলানার ছেলে ফরিদ মাওলানা। এখানে আমরা কাজ করি। অবৈধ বালু উত্তোলনকারী মোঃ ফরিদ মাওলানা বলেন, নাল ফসলী জমি থেকে বালু উত্তোলন করা অবৈধ কিন্তু মালিকানা জমি থেকে বালু উত্তোলন করলে কোন সমস্যা নাই। তিনি আরো বলেন, আমি একজন হাকিম কবিরাজ আমাকে সবাই হাকিম হুমায়ান কবির বলে ডাকেন।এছাড়া আমি আপনাদের মত সাংবাদিক আমি অনলাইন বিডি নিউজ এ রিপোটার হিসেবে ভূয়া সংবাদ কর্মীর দ্বায়িত্ব পালন করছি বলে একটি নাম করণ শুনাম অনলাইন বিডিনিউজ এর সম্পাদকের নাম পরিচয় দিয়ে , ডিসি অফিস (জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পরিচয় আছে বলে এসপি অফিস (পুলিশ সুপারের কার্যালয় তার বেশ পরিচিত তাই বালু উত্তোলন করে আসছেন। এছাড়াও মালিকানা জমি থেকে বালু উত্তোলনের ব্যাপারে তাদের কোন আপত্তি নাই। কে বলেছে এমন প্রশ্নে ফরিদ মাওলানা বলেন আমি সব ধরনের আইন জানি।তাড়াছা ইওনোর কাছে গেলে তিনিও আমি ফরিদ কে একই কথা বলেন। মালিকানা জমি নিয়ে তাদের কোন আপত্তি নাই। ডিসি এসপি নাকি তাকে বলছেন তাই আমার শ্যলো মেশিন বন্ধ থাকেনা দিন রাত ২৪ ঘন্টা বালু উত্তোলন হচ্ছে।এদিকে বালু আরও এক মারাত্মক বালু উত্তোলন কারী ১নং উত্তর হামছাদী ইউনিয়ন বাসিন্দা যুব লীগ নেতা তসলিম রয়েছে। যেই তসলিম নুর ইসলাম উকিল হত্যা মামলার সাথে জড়িত হয়ে দীর্ঘদিন ধরে জেল হাজতে ছিলেন। তছলিম জামিনে পেয়ে এলাকায় আশার পর হইতে দীর্ঘ টানা১০ থেকে ১৫ বছর যাবত ধরে এই বালু উত্তোলনের সাথে জড়িয়ে বালু উত্তোলনের পদ বেচে নিয়েছেন বর্তমানে তার পেশা ফরিদ মাওলানার মতো বালু উত্তোলন কারী হিসেবে এক নাম্বার। তার কাছে যেই সংবাদ কর্মী যাওয়া হয় তাকেই ৫০০-১০০০ টাকা দিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন কে বৈধ মনে করে চালিয়ে যাচ্ছে অবৈধ বালু উত্তোলন। তার বিরুদ্ধে যেই প্রতিবাদ করার চেষ্টা করে তাকে গালমন্দ হত্যার হুমকি দেন বিদায় কেউ তার ভয়ে মুখ খুলছেন না।এমন কি যে ৯ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মেম্বার ও চেয়ারম্যান’রা পর্যন্ত বিষয়টি দেখে ও না দেখার বায়না ধরে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টায় আছে। বাংলাদেশে ২০১০ সালের বালুমহাল আইনে বলা আছে, বিপণনের উদ্দেশ্যে কোনো উন্মুক্ত স্থান, চা-বাগানের ছড়া বা নদীর তলদেশের নাল জমি থেকে থেকে বালু বা মাটি উত্তোলন করা যাবে না। এ ছাড়া সেতু, কালভার্ট, ড্যাম, ব্যারাজ, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক, বন, রেললাইন ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা অথবা আবাসিক এলাকা থেকে বালু ও মাটি উত্তোলন নিষিদ্ধ। নদী ও খাল, বীল, নাল জমি সহ তলদেশ হইতে বালু বা মাটি উত্তোলনের ক্ষেত্রে যথাযথ ঢাল সংরক্ষণ সাপেক্ষে, সুইং করিয়া নদীর তলদেশ সুষম স্তরে (River Bed Uniform Level) খনন করা যায় এইরূপ ড্রেজার ব্যবহার করিতে হইবে। এবং ড্রেজিং কার্যক্রমে বাল্কহেড বা প্রচলিত বলগেট ড্রেজার ব্যবহার করা যাইবে না।দেশের যে কোন চর এলাকা অথবা যে কোন স্থলভাগ হইতে বালু বা মাটি উত্তোলন বা বিপণনের প্রয়োজন দেখা দিলে উক্ত বিপণনের জন্য একক কর্তৃপক্ষ হইবে ভূমি মন্ত্রণালয়। কিন্তু বাংলাদেশে বাড়ি, রাস্তা, ব্রিজসহ যেকোনো ধরনের কংক্রিট নির্মাণসংক্রান্ত অবকাঠামো সম্পূর্ণ বৈধ বালু দিয়ে করা হয়েছে বলে কেউ দাবি করতে পারবে না। ভারতের উত্তরাখন্ড রাজ্যের হাইকোর্ট এক যুগান্তকারী রায়ে গঙ্গা ও যমুনা নদীসহ বাস্তুতন্ত্রকে জীবন্ত মানুষের মর্যাদা দিয়েছেন। ফলে মানুষের যেসব আইনি অধিকার রয়েছে, সেসব নদীর তেমনি আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার অপর দিকে নাল জমির বেলায়ও ঠিক তাই। অবৈধ বালু উত্তোলনসহ অন্যান্য দূষণ থেকে নাল জমি বাঁচাতে এ রায় দেওয়া হয়েছে।অবৈধ বালু উত্তোলন নিয়ে সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে অনেক খবর দেখা যায়। অবৈধ বালু উত্তোলন ক্ষতিকর-এ ব্যাপারে মোটামুটি সবাই সচেতন। কিন্তু তা মানছেন না এক পক্ষের শ্রেণির ভূমিদস্যুরায়, কতটা ক্ষতিকর বা এর প্রভাব আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশে কতটা পড়ছে, তা নিয়ে আরও গুরুতর ভাবনা জরুরি হয়ে পড়েছে।বালু উত্তোলনে সৃষ্ট বায়ুদূষণে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে। উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলের মধ্যে পরিবর্তন ঘটার ফলে তাদের আবাসস্থল যেমন ধ্বংস হচ্ছে, তেমনি তাদের খাদ্যের উৎসও ধ্বংস হচ্ছে। ফলে মৎস্য প্রজনন-প্রক্রিয়া পাল্টে যাওয়ার পাশাপাশি চাষাবাদের জমিও নষ্ট হচ্ছে। পানিদূষণসহ নদীগর্ভের গঠনপ্রক্রিয়া বদলে যাচ্ছে এবং নদী ভাঙছে। পুরো হাইড্রোলজিক্যাল কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বালু উত্তোলনের কাছাকাছি মাটির ক্ষয় যেমন ঘটছে, তেমনি মাটির গুণাগুণও নষ্ট হচ্ছে। গবেষণায় দেখা যায়, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাওয়ায় মাটির উর্বরতা নষ্ট হয়ে যায়। এ ছাড়া নলকূপে পানি পাওয়াও কষ্টকর হয়। এমন কী উপকূলীয় অঞ্চলের পানির লবণাক্ততা বাড়িয়ে তুলছে। বালু উত্তোলনের কারণে তলদেশের গাছপালার সংখ্যা কমিয়ে দিচ্ছে, যা নদীর তলদেশের বাস্তুতন্ত্রে সমস্যার সৃষ্টি করছে। বালু উত্তোলনের কারণে নদীভাঙন ও বন্যার ফলে অনেক লোকজন বসত ভিটা হারিয়ে অভ্যন্তরীণ শরণার্থী হয়ে অন্যত্র আশ্রয় নিচ্ছে।জলবায়ু পরিবর্তনেও এই বালু উত্তোলনের প্রভাব রয়েছে। উত্তোলন-প্রক্রিয়া ও বালু পরিবহন জলবায়ু পরিবর্তনে সরাসরি ভূমিকা রাখে।যার ফলে এসব অবৈধভাবে বালু উত্তোলন কারীদের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা প্রতিবাদ ও প্রতিনিন্দা জানিয়ে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করা একান্ত আবশ্যক ও জরুরী বলে দাবী প্রার্থনা করেছেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক (ডিসি মহোদয়) ও সদর ভূমি কর্মকর্তা ( এসিল্যান্ড মহোদয় ) এবং লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় সহ সকল জনবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট।