নিজস্ব প্রতিবেদকঃ লক্ষ্মীপুরে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা ও উপজেলা কমিটির যৌথ উদ্যোগে নতুন কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠানে শপথ গ্রহণ। রাশেদুল ইসলাম রাশেদ এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার মানবতাবাদী সমন্বয়ক সভাপতি আলহাজ্ব জনাব শামসুল করিম খোকন।
আরও উপস্থিত ছিলেন,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন সদর উপজেলা কমিটির সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত টি এস এ জনাব কামরুজ্জামান,সেক্রেটারি জনাব মোঃ আহসান উল্যাহ তুহিন,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর,সহ সভাপতি জনাব আব্দুর গফুর,বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশক সম্পাদক দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পত্রিকার সম্পাদক রাকিবুল হাসান শেখ,জয়েন্ট সেক্রেটারি জনাব জাহাঙ্গীর আলম।সহ আরও অন্যান্য মানবতাবাদী বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা ও উপজেলার সদস্য ও বিশেষ মেহমান বৃন্দ। ২৬/০৭/২০২৫ইং তারিখ রোজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা ও উপজেলা মানবতাবাদী কমিটির যৌথ উদ্যোগে নতুন কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে রাশেদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখা ও সদর উপজেলা জেলা সদর শাখার মানবতাবাদী সদস্য বৃন্দ।
আরও বক্তব্য রাখেন,অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত টি এস এ কামরুজ্জামান তিনি বক্তব্য বলেন, মানবতা বাদী কাকে বলে,জানা একান্ত জরুরি, তিনি আরও বলেন,মানবাধিকার কর্মীদের কাজ হচ্ছে অসহায় নিরীহ মানুষের পাশে দাঁড়ানো,তাদের পাশে থেকে তাদের অধিকার নিয়ে কথা বলা,বিপদে সাহায্য সহায়তা করা।জয়েন্ট সেক্রেটারি জনাব জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখা সহ সকল মানবাধিকার শাখা গুলি কে ঐক্য বদ্ধ হয়ে এক ভ্যানারে আশা একান্ত আবশ্যক বলে আহবান জানান। মানবতাবাদী বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সহ সভাপতি জনাব অবসরপ্রাপ্ত সাবেক পুলিশ এস আই আব্দুর গফুর বলেন, বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন শাখাসহ সকল মানবতাবাদীকে এক ব্যানারে হইতে হবে,তিনি আরও বলেন মানবতাবাদী মানবাধিকার সকল কর্মীকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে।
তাদের খোঁজ খবর নিয়ে তাদের আর্থিক সহায়তা দিতে হবে।আহছানউল্লা তুহিন বলেন, বর্তমান যে পরিচিতি ভয়াবহ অবস্থা রূপ ধারণ করেছে বাংলাদেশে আমাদের সকলকে মানবতার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করা একান্ত জরুরী হয়ে পড়েছে। মানবতার শুধু বাইরে দেখালেও হবে না, পাশাপাশি আপনার পরিবার আমার পরিবারের ছেলে মেয়ে আপনার আমার আত্মীয়-স্বজন সকলের খোঁজ-খবর নিয়ে সকলের সুঃখে দুঃখে তাদের পাশে দাঁড়াতে হবে।তাহলে মানবতা বলা যায়। মানবতাবাদী বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশক সম্পাদক ও দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পত্রিকার সম্পাদক রাকিব হোসেন সোহেল তিনি বলেন, আমরা মানবাধিকার কর্মী, মানবাধিকার কাকে বলে অনেকেই জানি না। আবার অনেকে জানি,কিন্তু কেউ মেনে চলি না। মানবতার মানবিক সেবক হিসেবে আমরা সকলেই দ্বায়িত্ব পালন করতে সঠিক দ্বায়িত্ব পালন কেউ করিনা। যার ফলে এখানেই মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়ে ব্যাঘাত সৃষ্টি ঘটে।তাই মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা ও উপজেলার শাখা কমিটির সংগঠনের সদস্য হওয়ার আগে জানা প্রয়োজন।মানবাধিকার কাকে বলে, কেনো করবো, তার পর না হয় হবেন সদস্য। তিনি আরও বলেন, লক্ষ্মীপুরের কৃতিত্ব সন্তান লক্ষ্মীপুরের গৌরব ও লক্ষ্মীপুরের অহংকার দীর্ঘ ১৬টি বছর তার অক্লান্ত পরিশ্রমে লক্ষ্মীপুরে মানবাধিকার কমিশন শাখার সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন চেয়ারম্যান মহোদয়। তার বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত কেউ আঙুল তুলে কথা বলার সাহস পায়নি,তিনি এই পর্যন্ত প্রায় ৫০টির ও অধিক পারিবারিক কোলাহলের দুপক্ষের লোকজন কে নিয়ে বৈঠকের মাধ্যমে সঠিক বিচার করে বিচার সমাধান করা হয়েছে। এতে বাদী বিবাদীদের কোন ক্ষোভ ছিলো না, বরং তারা সভাপতি মহোদয় এর জন্য দুই হাত তুলে দোয়া করতেন। তার প্রমাণ করেছে কয়েকটি পারিবারিক শাল্লিসে। চেষ্টা আর মানবতা থাকিলে অসম্ভব কে সম্ভব করা কোনো কঠিন কিছু নয়। তাই আগামীতে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার কমিটি কে আরও শক্তি শালী করতে সকল মানবতাবাদী মানবিক সেবকদের এগিয়ে আসার আহবান জানান চেয়ারম্যান মহোদয়। এদিকে রাশেদুল ইসলাম রাশেদ মানবতাবাদী বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সহ সভাপতি তিনি বলেন, মানবতা যদি নাই করতে পারেন, তাহলে মানবতার পরিচয় দিয়ে কোন লাভ নেই। মানবতার মানব সেবকের কাজে আমাদের ধর্ম, মানবাধিকার কর্মী হিসেবে পরিচয় হবে। মানবাধিকার মানবতাবাদী বক্তাদের বক্তব্যের শেষে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সমন্বয়ক সভাপতি আলহাজ্ব জনাব শামসুল করিম খোকন সভাপতি মহোদয় বলেন, মানবতার কাজ করতে হলে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। সকল ব্যানারে এক ব্যানার হতে হবে,সকল মানবতা বাদী এক মানবতাবাদী হতে হবে।বর্তমানে মানবতাবাদী কর্মী বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে পারিবারিক সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে।তাদের পাশে মানবতাবাদীর সকল দায়িত্ববান ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরো বলেন, যে দেশে মানবতাবাদী কর্মী লাঞ্ছিত হয়, সেই দেশে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়। তাই বাংলাদেশ মানবাধিকার সকল সংস্থাকে এক ব্যানারে আসার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও জানান,পূর্বের সকল কমিটি আজ বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আজকে থেকে আমরা নতুন করে শপথ গ্রহণ করিলাম। আবার নতুন করে সবাই আইডি কার্ড ও ছবি জমা দিয়ে, ফরম নিয়ে, ফরম পূরণ করে জমা দিতে হবে। আমরা আজকে থেকে শপথ গ্রহণ করিলাম যে, বিনা স্বার্থে আমাদের উপার্জনের এক পার্সেন্ট অসহায় জাতি নির্ভীত নির্যাতিত অসহায় নিরীহ গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে দিয়ে তাদের পাশে দাঁড়াবো। এই অঙ্গীকার করিলাম যে, যেখানে অপরাধ দেখব,সেখানে মানবতাবাদী বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন শাখা সদস্যগণ মানব সেবার প্রতিবাদে সত্যের পথে প্রতিবাদ গড়ে তুলবো।নতুন কমিটির প্রস্তুতি আলোচনা সভায় শেষে বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন বৃহত্তর নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার সমন্বয়ক শামসুল করিম খোকন সভাপতি মহোদয় সমাপ্তি ঘোষণার শেষে সকলের উদ্দেশ্য খাওয়ার আয়োজন করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com