দুর্জয় হোসেন চাঁন মিয়া
রায়পুর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড চরলক্ষী গ্রামে মাঝী বাড়ি রোড হইতে মদিনা বাজার পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা বেহাল দশা স্থানীদের ভোগান্তির শেষ নেই। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে থাকে। তখন যানবাহন তো দূরের কথা, হেঁটেও চলাচল কষ্টকর। তবে গ্রামবাসী বলছেন, কাঁচা রাস্তাগুলো পাকা করার জন্য দীর্ঘদিন ধরে তারা জনপ্রতিনিধিদের কাছে দাবি করে আসছেন, কিন্তু কোনো কাজ হয়নি। তাদের প্রত্যাশা, সম্প্রতি ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী জনপ্রতিনিধিরা দ্রুত রাস্তাগুলো পাকা করে দুর্ভোগ লাঘব করবেন।
সরেজমিন দেখা যায়,মেঘনা উপকূলীয় অঞ্চলের ৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড চরলক্ষী গ্রামে মাঝী বাড়ি রোড হইতে মদিনা বাজার পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা বেহাল দশা।রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে গর্ত। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্তে পানি জমে থাকে। ঝুঁকি নিয়ে এসব রাস্তা দিয়ে স্থানীয় জনসাধারণ চলাচল করছেন। শুধু তাই নয়, এসব এলাকার প্রাথমিক স্কুল ও কলেজগামী শিক্ষার্থীরাও এ রাস্তাগুলোর ওপর নির্ভরশীল। এলাকার কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে এ রাস্তাগুলো ব্যবহার করে থাকেন। রোগীদের এসব রাস্তা দিয়ে চিকিৎসার্থে হাসপাতালে নেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ।
পশ্চিম ও দক্ষিণ চরলক্ষী চরবংশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দিকে বড় ঝুঁকি নিয়ে আশা যাওয়া করেন স্কুল শিক্ষার্থীরা।ঐ এলাকার কয়েকজন স্কুল শিক্ষার্থীরা বলেন, সামান্য বৃষ্টি হলেই ইউনিয়নের কাঁচা রাস্তাগুলোতে পানি জমে কর্দমাক্ত হয়ে যায়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চলাচলরত সাধারণ মানুষ ও আমাদের মত স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।
প্রতিনিয়ত ছোটখাটো দুর্ঘটনাও ঘটে।দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড চরলক্ষী গ্রামের স্থানীয় ছোট ছোট দোকান ব্যবসায়ীরা বলেন,কাঁচা রাস্তায় চলাচল করতে প্রতিদিন আমাদের ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। রাস্তা দ্রুত পাকা করা হোক। এ জন্য আমরা ৫শেই আগষ্ট বৈষম্য ছাত্র আন্দোলনে নতুন স্বাধীন বাংলাদেশে নতুন সরকার ড,ইউনুস এর কাছে হস্তক্ষেপ কামনা করছি।৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড চরলক্ষী গ্রামে মাঝী বাড়ি রোড হইতে মদিনা বাজার পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি হয় রোগীদের।
এলাকার স্থায়ী প্রতিবেশী গণ বলেন, বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি কষ্ট হয় অন্তঃসত্ত্বা নারীদের। জরুরি মুহূর্তে অ্যাম্বুলেন্স বা কোনো সিএনজি অটোরিকশায় তাদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এ রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স বা অটোরিকশা ঢোকানো যায় না। রোগী নিয়ে খুবই ভোগান্তিতে পড়তে হয় স্বজনদের।তাই সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তা কর্দমাক্ত হয়ে যায়। রাস্তা পাকা হলে চলাচলে সুবিধা হবে।পথচারীরা বলেন, ইউনিয়ন পরিষদের প্রায় রাস্তা কাঁচা রয়েছে। পাকাকরণের জন্য ব্যবস্থার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না।পরবর্তী সংখ্যা দেখতে চোখ রাখুন দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পেইজে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com