প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১, ২০২৬, ১:১২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ১৯, ২০২৫, ৫:৫৭ অপরাহ্ণ
রামগঞ্জ দরবেশপুর এলাকায় পারিবারিক কোলাহলের জের ধরে ওয়ারিশ কৃতক ও খরিদ সুত্রে মালিকনা সম্পত্তির উপর জোর পূর্বক বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ চলছে


রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর পারিবারিক কোলাহলের বিরোধের জের ধরে রাফি নামের এক ব্যাক্তিদের বসতবাড়ির ফলের বাগানে থাকা বিভিন্ন জাতের গাছ গাছালি কেটে নিয়ে উচ্ছেদ করার চেষ্টায় বহুতল ভবন নির্মাণের কাজ চলছে প্রভাবশালী ছকির আহমেদ এর ছেলে আলমগীর হোসেন ও প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা বেগম, নুরুল ইসলাম এর কন্যা মনি আক্তার, আব্দুর রশিদ এর মেয়ে নুরজাহান, ফয়জল করিম এর ছেলে ইয়াসিন,ও সালে আহম্মদ আরও অন্যান্য দলের ভাড়াটিয়া কিশোর গ্যাং এর এক গ্রুপ।এমন অভিযোগের সত্যাতা পাওয়া গেছে সরজমিন গিয়ে। ভুক্তভোগী রাফি দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান, আবুল বাশার ও রাকিবুল হাসান গ্রুপের কাছে আমি ও আমার পরিবারের স্বজনরা জিম্মি,প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী নিকট। সেই আমাদের ফল বাগানের বিভিন্ন ফল গাছ ও ঘরে ব্যবহার কৃত শীল করোই ,হোলা করোই, সহ নানান জাতের বিভিন্ন আইটেম এর গাছ কেটে নিয়ে আমাদের জায়গায় বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করতেছে।রাফি গংরা সাংবাদিকদের বলেন,ভুয়া দাগ দিয়ে আমাদের ওয়ারিশ কৃতক ও ক্রয় কৃত জমিনে ঘর করার প্রায় তারা করেছে প্রবাসীর স্ত্রী স্বপনা বেগম ও তার দলবলেরা।আসলে তারা আমাদের ওয়ারিশের কেউ নয়, এবং আমাদের কাছে কোনো জমি পাবেনা। মূল মালিক গং হইলাম আমরা।বুধবার (২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ইং)তারিখ থেকে আমাদের উপর অতর্কিত দফায় দফা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আসছে আমাদের প্রতি পক্ষরা।ফলে বাগান লুটপাট করে কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা কে কেন্দ্র করে ভুক্তভোগী রাফি পরিবারের ৫- ৬ সদস্য আহত হন।আহতরা গ্রামের পল্লী চিকিৎসকের নিকট প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,দরবেশপুর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা পালের বাড়ি আবদুর রউফ রাফি বাবা প্রবাসী রফিক উল্যার বিভিন্ন গংদের ওয়ারিশ কৃতক মালিক হয়। এবং আরও কিছু ক্রয় করেছেন বিভিন্ন মালিকদের নিকট।বাদী রাফির বাবা প্রবাসী রফিক উল্যা দেশে না থাকার কারণে রাফিদের সাথে ৬৮ শতক জমি নিয়ে বিগত কয়েক মাস পূর্ব থেকে বিরোধ চলছে।এনিয়ে দফায় দফা গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও রামগঞ্জ থানায় এস আই আনোয়ার হোসেন এর টেবিল সহ কয়েকটি উকিল লাইব্রেরিতে দুই পক্ষের উকিলদের মাধ্যমে বৈঠকীয় সালিশ হয়।এতে কোনো সমাধানের সুফল আসেনি ভুক্তভোগী রাফি পরিবারের স্বজনদের পক্ষে।উভয় পক্ষের পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। এদিকে আব্দুল জলিল গং অভিযোগ করেন জায়গাটি আমার বাবার ওয়ারিশ কৃতক সম্পদত্তি।কি করে সম্ভব হয়েছে বসতবাড়ীর ফল বাগানে প্রায় ৭ থেকে ৮ লাখ টাকার গাছ গাছালি কেটে নিয়ে যাওয়া। এবং বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করার চেষ্টা করে নির্মাণ কাজ শুরু করেছে বিবাদী গংরা। আমরা এর উপযুক্ত বিচার চায়, পুলিশ প্রশাসনের নিকট।বিবাদী স্বপনা বেগম ও আলমগীর হোসেন সহ শাহাজান প্রবাসী পরিবার সদস্য গংদের বিরুদ্ধে।রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশ ৭ নং ওয়ার্ডের ৩ নং ওয়ার্ডে দখলের ঘটনাটি ঘটে। পরিবার সদস্যরা বলেন,জায়গাটি ছিল আমাদের বসতবাড়ি ফলের বাগান। বিবাদী প্রবাসী শাহাজান এর স্ত্রী স্বপনা বেগম গং সন্ত্রাসী কায়দায় দখল করার চেষ্টায় দীর্ঘদিন ধরে পায়তারা করে আসছেন। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে নাছির আহমেদ বলেন, রামগঞ্জ দরবেশপুর ৬৯ নং মৌজার মালিকানা ওয়ারিশ কৃতক সম্পত্তির প্রবাসী রফিক উল্যা ও আবদুল জলিল গংরা মালিক।যাহার খতিয়ান নং ১২৫৫ জোত নং ৯৩৭,খতিয়ানে জমির পরিমান-৬৮ শতাংশ,যার দাগ হয় ২৯৩৭,২৯৩৮,২৯৪২ দাগ। আর এস খতিয়ান নং ১০১৩ এর ৯৫ শতক জমির মালিক হই।যাহার দাগ হয় ২৯৩৬,২৯৩৭,২৯৩৮, ২৯৪২দাগ। গত ৪০ বছর ধরে ওই দখলীয় জমির বসতবাড়িতে বসবাস করে আসছি।গত তিন মাস পূর্বে আমাদের দখলীয় জমিতে জোর পূর্বক ঘর নির্মাণের চেষ্টা চালায় প্রতিপক্ষ প্রবাসী শাহাজান এর স্ত্রী আলমগীর হোসেন এর গ্রুপ গং। জবর দখলের চেষ্টার বিষয়টি নিয়ে ২৮ ডিসেম্বর রোজ শনিবার সকালে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এর বরাবর উপস্থিত হইয়া ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানিয়ে একটি অভিযোগ করা হয়। অভিযোগের কপি নিয়ে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসির নিকট জমা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে রামগঞ্জ থানার পুলিশ এস আই জায়েদ ভূঁইয়া কে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা ঘটনার সম্পর্কে বননা দিয়ে জানান,প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা বেগম কুচক্রী মহলের ইন্ধনে আমাদের লোকজনের মালিকানা জায়গায় ঘর নির্মাণ করলে আমরা তাঁদের বাধা দেই। এতে স্বপনা বেগম ও আলমগীর হোসেনের গ্রুপ মিলে তারা একদল কিশোর গ্যাং নিয়ে এসে আমাদের ফল বাগানে গাছ গাছালি কেটে তাদের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ করতেছে। যার ফলে আমাদের উপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালায়।পরে পুলিশ ঘটনার স্থলে যাওয়ার পর অবৈধ দখল কৃত জায়গার নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখেন।এবং দুপক্ষের মালিকানা সকল দলিল ও খতিয়ান নিয়ে থানায় হাজির থাকার জন্য আদেশ প্রদান করেন। এদিকে বিবাদীদের সম্পর্কে গোপন সুত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে আলমগীর হোসেন সহ প্রবাসী শাহাজান এর স্ত্রী স্বপনা বেগম তাদের পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নও যে কারণে পুলিশ প্রশাসন কে বৃদ্ধ আঙুল তুলে দেখিয়ে দিলো অপরাধ আর ক্ষমতাশীল সন্ত্রাসী দল কাকে বলে।এঘটনার পর হইতে অভিযুক্তদের সঙ্গে কথা বলে জানতে চাইলে প্রবাসী শাহাজান এর স্ত্রী স্বপনা বেগম জানান,আমাদের ক্রয় কৃত মালিকানা জমিতে আমাদের ভবন নির্মাণ কাজ চলছে রাফিদের জায়গা সম্পত্তি এখানে নেই। ফলে বাগান কাটলেন কেন জানতে চাইলে তিনি কোনো কথার জবাব না দিয়ে তাদের মালিকানা খরিদ সুত্রে মালিক বলে দাবি করেছেন। যাহার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com