নিজস্ব প্রতিবেদক : লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার ৮নং দক্ষিণ চরবংশী ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে মিযার হাট বাজার এলাকায় মালিকানা সম্পত্তির জবরদখলের চেষ্টা বাদশা গাজী গ্রুপের কাছে প্রবাসী মাঈন উদ্দিন এর পরিবার সদস্যদের কে জিম্মি করার অভিযোগ উঠেছে। এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা বাদশা গাজী গ্রুপদের বিরুদ্ধে। অভিযোগ সুত্রে সরোজমিনে গিয়ে জানা যায়,মিয়ার হাট বাজারে খরিদ সূত্রে ক্রয়কৃত জায়গা দোকান ঘর নির্মাণ কাজে বাধা দিলে ভুক্তভোগী পরিবারদের উপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে প্রবাসী মাঈন উদ্দিন পরিবার স্বজনদের কে প্রাণনাশের হুমকি।
ভুক্তভোগী প্রবাসীর পিতা নিজাম উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, দীর্ঘদিন ধরে প্রভাব খাটিয়ে আমাদের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দখল করে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে আসছে আমার বিবাদী সন্ত্রাসী গ্রুপ। আমাদের একমাত্র সম্বল এই জায়গা, বর্তমানে আমি ও আমার পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি।
কিন্তু অভিযুক্ত কারীরা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সিদ্ধান্ত অমান্য করে নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন। ফলে কোনো সমাধান না পেয়ে পরিবারটি এখন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আইনি সহায়তার দ্বারস্থ হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে এ ধরনের জবরদখল সামাজিক অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে বিষয়টি বড় ধরনের সংঘাতের দিকে মোড় নিতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করছেন।
ভুক্তভোগী পরিবারটি এই হয়রানি থেকে বাঁচতে এবং নিজেদের বৈধ সম্পত্তি ফিরে পেতে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের নিকট জরুরি হস্তক্ষেপ নিয়ে ভুক্তভোগীদের দাবি।
দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও স্থানীয় গ্রাম আদালতে মারামারির ঘটনা কে কেন্দ্র করে রায়পুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মেহেদী হাসান কাউসার ২৫শেই জানুয়ারী রোজ রবিবার দুপুরে সরজমিনে গিয়ে পরিদর্শন করেন এবং ঘটনাস্থলে বাদীর অভিযোগে বিবাদীকে ঢাকা হলে তারা ঘটনাস্থলে আসতে অনিয়া প্রকাশ করেন।
পরে স্থানীয় গণমানুষদের উপস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কেউ যেন বিতর্ক জায়গা ঢুকতে না পারে সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে স্থানীয় আহবান জানান।
স্থানীয় প্রতিবেশী গাজী মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন,জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে দু'পক্ষের মধ্যে জামেলা হয়।জামেলা কে কেন্দ্র করে বিবাদীর লোকজন বাদীর উপর বেশ কিছু চড়া হয়ে হামলা করেছে, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম।
যদি তাদের মালিকানা হয়ে থাকে তাহলে রাতের অন্ধকারে কেনো দোকান ঘর নির্মাণ করতে যাবে। তিনি আরও বলেন,গ্রাম্য আদালত ইউনিয়ন পরিষদের ভিতরে শাল্লিশের বৈঠক শেষে বিবাদী লোকজন পরিষদের ভিতর হামলা করে।
যেহেতু এটা একটি ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারি প্রতিষ্ঠান,গ্রাম্য আদালত,সে হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অভিযোগ যায়।
যার ফলে আজ হাজিমারা পুলিশ পাড়ি থানার ইনচার্জ ও সেনাবাহিনী এবং রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউসার ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বাদশা গাজী গ্রুপ অসহায় নিরীহ মানুষদের চর অঞ্চল ও সরকারি নথি এবং মানুষের বাড়ি ঘর, জমি জমা জোর জুলুম ও জবরদখল করে আসছে বিগত দিনে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন সময় ধরে। ৫ই আগস্ট এর পর বিগত দিনের আওয়ামী লীগ সরকার দেশ থেকে বিতাড়িত করা হলেও এরা এখনো বিতাড়িত হয়নি।
প্রতারণা করে অন্যের মালিকানা জমি দখলের চেষ্টায় দোকান ঘর নির্মাণ কাজ সর্ম্পকে জানতে অভিযুক্ত কারীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাদের সন্ধান খোঁজে পাওয়া যায়নি।বেআইনি ভাবে প্রবাসীর মালিকানা সম্পত্তি দখল দিয়ে দোকান ঘর নির্মাণ কাজ করার চেষ্টার ঘটনা সত্য।
এদিকে মিয়ার হাট বাজারে দোকানঘর নির্মাণ নামে ভুয়া মালিকানা নাম বিনয় করে সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছে বাদশা গাজী একটি সিন্ডিকেট গ্রুপ। সাংবাদিকদের ভিডিও লাইভে এসে ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা এসব কথা জানান।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com