
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পৌর ৬নং ওয়ার্ড সোলতান কমিশনার বাড়ির বাসিন্দা লেপতোশক ব্যবসায়ী ইসমাইল হোসেন এর দ্বিতীয় মেয়ে নিশাত জাহান মিতু ৫ নং পার্বতী নগর ইউনিয়নের মতলব গ্রামের আট নাম্বার ওয়ার্ড বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম এর সঙ্গে ২০শেই ডিসেম্বর ২০২১ সালে রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে বিবাহ হয়। বিয়ে পর হইতে তাদের সংসার জীবন খুবই ভালো ও সুন্দর চলছিল। গত ২বছর ধরে শুরু হয়েছে তাদের সংসারে কাল বৈশাখের ঝড়।আমিনুল ইসলামের পিতা মারা যান ১০ ফেব্রুয়ারীতে। পিতার মৃত্যুর ৪দিন পরে স্ত্রী নিষাদ জাহান মিতু চলে যান তার বাফের বাড়িতে।সেখানে যাওয়ার পর হইতে আর স্বামীর বাড়িতে ফিরে আসার নাম নেই,শুরু হয়েছে জুন মাসের ১তারিখ থেকে পরকীয়ার টানে স্বামী সুখের সংসার ছেড়ে চলে যাওয়ার নামেই তালবাহানা নতুন পরিকল্পনার জ্বাল। এঘটনা কে কেন্দ্র করে নিষাদ জাহান মিতুর স্বামী ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম কয়েকবার এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশী গণ্য মান্যদের নিয়ে বৈঠক বসলেও সেখানে কোনো সমাধানের সুফল মিলেনি।এভাবেই বিভিন্ন জায়গায় থানা সহ আরও কয়েকটি গ্রাম আদালতের মাধ্যমে শাল্লিস হলেও সমাধানে পায়নি ভুক্তভোগী আমিনুল ইসলাম। তবুও মিলেনি শান্তি আমিনুল ইসলামের সংসসারে, মেয়ের পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পরকীয়া করতে বাবার সহযোগীতায় প্রথম স্বামীর ঘর ছাড়তে বাধ্য করছে বাবা। বার বারে স্বামী তার স্ত্রীকে ঘরে ফিরে নিতে চেয়েও চেষ্টা করে ব্যর্থ।পরকিয়া আসক্ত নারী আড়ালে পরকীয়া করে যাচ্ছে একের পর এক প্রথম স্বামী থাকা সত্ত্বেও স্বামীর পরিচয়ে চলছে সহবাস। এমন সহবাসে জন্ম নেয় একটি শিশু সন্তান। শিশু সন্তানের আসল পিতা কে, এনিয়ে স্থানীয় প্রতিবেশীদের চলছে সমালোচনা। প্রথম স্বামীকে ডিভোর্স না দিয়ে কি ভাবে সম্বব হয়েছে পরকিয়ার সন্তান জন্ম দেওয়া। জনতার তোলপাড় খাচ্ছে এমন শিশু সন্তান পৃথিবীতে আাশা নিয়ে। পরে এলাকা বাসীদের সমালোচনার মুখে পড়ে শিশুটির পিতার পরিচয় দিতে সন্তান গর্ভে আসার আট মাস পরে শিশুটি কে অবৈধ করতে প্রথম স্বামী কে গোপন রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করেন ১ মে, ২০২৫ইং তারিখে ইয়াছিন আরাফাত নামের এক যুবক কে। বিয়ে করা ঘটনাও বেশ কিছু দিন গোপন রাখেন নিষাদ জাহান মিতু তার প্রথম স্বামীর নিকট। এদিকে প্রথম স্বামী কে না জানিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করার পরে প্রথম স্বামী আমিনুল ইসলাম এর বিরুদ্ধে একটি যৌতুকের মামলাও দায়ের করেন তিনি। লক্ষ্মীপুর জেলা জজ কোট নারী ও শিশু নির্যাতন আদালতে ১১/০৮/২৪ইং তারিখে স্ত্রী নিষাদ জাহান মিতু তার প্রথম স্বামীর বিরুদ্ধে স্ত্রীর যৌতুকের মামলা ও শারীরিক মানসিক নির্যাতনের কথা বলে মামলাটি দায়ের করেন আসলে তা সত্য নয় খোঁজ নিলে মিলবে নিষাদ জাহান মিতুর পরকীয়ার গোপন তথ্যের সহস্য। যার মামলা সি আর নং- ১৩১০/২৪। এতে প্রথম স্বামী আমিনুল ইসলাম পরকীয়া সন্তানের আসল রহস্য ও জন্মদাতা আসল পিতাকে পরিচয় জানতে চেয়ে ব্যভিচারের একটি মামলা দায়ের করেন লক্ষ্মীপুর জেলা সদর কোট জুডিশিয়াল কোর্ট আদালতে। যার মামলা নং -১১৩৮/২৫। ভুক্তভোগী মামলার তদন্তে পড়ে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তার নিকট।ওই মামলার তদন্ত সঠিক না পাওয়ায় ভুক্তভোগী ওই তদন্তে রিপোর্টের উপর নারাজি প্রদান করে। পরবর্তী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট পুনরায় তদন্ত দিলেন লক্ষ্মীপুর জেলা সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তার নিকট।সিআইডি কাছে লিখিত জবানবন্দী দেয় নিশাত জাহান মিতু। লেখা থাকে যে, সেপ্টেম্বর মাস ২০২৪ ইং তারিখে সন্তান গর্ভে আসে। ১মে ২০২৫ইং তারিখে তার বিয়ে হয়। একুশে আগস্ট ২০২৫ ইং তারিখে শিশু ছেলে সন্তান পৃথিবীতে আসে। এতে বুঝা যায় স্বীকারোক্তি জবানবন্দী অনুযায়ী নিজ মুখে স্বীকার করেন বিয়ের পূর্বে সন্তান গর্বে আসা ঘটনা সত্য।তবে ঘটে যাওয়া ঘটনার সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে অভিযুক্ত নিষাদ জাহান মিতু এর বাফের বাড়িতে গিয়ে তার পিতা ইসমাইল হোসেন এর খোঁজ করিলে বাড়িতে নেই বলে জানান এক অপরিচিত ব্যক্তি। কোথায় আছে জানতে চাইলে বাড়ির অপরিচিত একজন বলেন গোডাউন রোডে তার লেপতোশকের দোকানে আছে সেখানে দেখা করতে পারেন। একপর্যায়ে সেখানে গিয়েও নিষাদ জাহান মিতুর পিতা ইসমাইল হোসেন এর সন্ধান পাওয়া যায়নি।যার ফলে প্রথম স্বামী আমিনুল ইসলাম এর অভিযোগ আসলে কতটু সত্য তা জানা সম্ভব হয়নি। পরবর্তী সংখ্যা দেখতে চোখ রাখুন দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পেইজে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com