রামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর এলাকায় পারিবারিক কোলাহলের বিরোধের জের ধরে বাদী রফিক উল্যার বসতবাড়ির মালিকানা সম্পত্তির উপর ফলের বাগান বিনিষ্ট করে বিবাদী প্রবাসী শাহাজাহানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার রাতে রাতে বহুতল ভবনের নির্মাণ চালাচ্ছে।সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাদীর মালিকানা জায়গায় দখল দেওয়ার চেষ্টা করে বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করেন বীবাদীরা।আরো দেখা যায় বাদীর ফলের বাগানে থাকা বিভিন্ন জাতের গাছ গাছালি কেটে নিয়ে উচ্ছেদ করার চেষ্টায় রাতে রাতে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করছে। প্রভাবশালীরা হলেন, ছকির আহমেদ এর ছেলে আলমগীর হোসেন ও প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার,নুরুল ইসলাম এর কন্যা মনি আক্তার,আব্দুর রশিদ এর মেয়ে নুর জাহান বেগম,মৃত ফয়জল করিম এর ছেলে হ্যাকার গ্রুপের সদস্য ইয়াসিন,ও সালে আহম্মদ সহ আরও অন্যান্য দলের ভাড়া করাই কিশোর গ্যাং এর এক গ্রুপ ২০-২৫ জন সদস্য।এমন অভিযোগের সত্যাতা পাওয়া গেছে সরজমিন গিয়ে। বাদী ভুক্তভোগী জালাল উদ্দীন ও জয়নাল আবেদীন এর ওয়ারিশ কতৃক মালিক, প্রবাসী রফিক উল্যার ছেলে রাফি, ও ভায়ের ছেলে রিয়াদ হোসেন দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা কে জানান,আবুল বাশার ও রাকিবুল হাসান গ্রুপের কাছে আমি ও আমার পরিবারের স্বজনরা জিম্মি হয়ে বেঁচে না থাকার মতো বেঁচে আছি। বিবাদী প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা আক্তারের হাতে নির্যাতনের শিকার আমি ও আমার পরিবারের স্বজনরা।সেই আমাদের ফল বাগানের বিভিন্ন জাতের নারকেল, সুপারি,শীল করোই, বাংলা করোই, আম, জাম, কাঁঠাল,গাছ সহ আনুমানিক ৫০-১০০ টা গাছ কেটে নিয়ে আমাদের জায়গায় বিবাদীরা মাটি দিয়ে ভরাট করে বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করার চেষ্টা করে ইট, বালু, রট, সিমেন্ট, এনে প্রস্তুত করে রেখেছে।রিয়াদ গংরা সাংবাদিকদের বলেন,ভূল বসতে আমাদের আর এস বিবাদীদের নামে হয়।যার ফলে ঐ আর এস খতিয়ান দিয়ে একটি জমা খারিজ করেন বিবাদীগণ। আমাদের ওয়ারিশ কৃতক ও ক্রয় কৃত সম্পত্তিতে দখল দেওয়ার চেষ্টা করে ঘর করার প্রায় তারা করেছে প্রবাসী শাহাজাহানের স্ত্রী স্বপনা বেগম ও তার দলবলেরা।আসলে তারা আমাদের ওয়ারিশের কেউ না। আমাদের কাছে কোনো জমি পাবেনা। মূল মালিক গং হইলাম আমরা।গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর ২০২৪ইং)তারিখ হইতে আমাদের উপর অতর্কিত দফায় দফা সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে আসছে আমাদের প্রতি পক্ষরা।ফল বাগানে থাকা আনুমানিক প্রায় চার লাখ টাকা হইতে পাঁচ লক্ষ্য টাকার ফল গাছ লুটপাট করে কেটে নিয়ে যায় বিবাদীরা। এঘটনা কে কেন্দ্র করে বাদী ভুক্তভোগী রাফি ও রিয়াদ পরিবারের ৫- ৬ সদস্য আহত হন।পরে আহতরা গ্রামের পল্লী চিকিৎসকের নিকট প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়,দরবেশপুর এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা জালাল উদ্দীন ও জয়নাল আবেদীন ওয়ারিশ কৃতক মালিক আবু ইউসুফ সহ ছয় ওয়ারিশ গংদের নিকট হইতে ২৭/০৩/২০১৩ ইং তারিখে রামগঞ্জ স্বাব রেজিষ্টারী অফিসে সাফ কওলা দলিল মুলে ১৬ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন আবদুর রউফ রাফির পিতা প্রবাসী রফিক উল্যা।যাহার দলিল নং ১৯২৭ বাদী রাফির পিতা প্রবাসী রফিক উল্যা দেশে না থাকার কারণে রাফিদের সাথে ১৬ শতক জমি নিয়ে বিগত কয়েক মাস পূর্ব থেকে বিরোধ চলছে বিবাদী প্রবাসী শাহাজাহানের স্ত্রী স্বপনা আক্তারের সঙ্গে।এনিয়ে দফায় দফা গ্রামে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও রামগঞ্জ থানায় এস আই আনোয়ার হোসেন ও এস আই জাহেদ এর গোল টেবিলে দুই পক্ষের উকিলদের নিয়ে কয়েকটি বৈঠকীয় সালিশ হয়।এতে কোনো সমাধানের সুফল আসেনি বাদী ভুক্তভোগী রাফি ও রিয়াদ পরিবারের স্বজনদের পক্ষে।এদিকে বিবাদীদের সম্পর্কে গোপন সুত্রে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,আলমগীর হোসেন সহ প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার ও তার পরিবারের সদস্যরা রাষ্ট্রীয় আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নও। যে কারণে পুলিশ প্রশাসন কে বৃদ্ধ আঙুল তুলে দেখিয়ে দিলো অপরাধ আর ক্ষমতাশীল সন্ত্রাসী দল কাকে বলে। অভিযুক্ত বিবাদীদের সঙ্গে দেখা করে বাদীদের বাগানের গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার বাদীপক্ষদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান,আমাদের ক্রয় কৃত মালিকানা জমিতে আমাদের ভবন নির্মাণ কাজ করি। রাফিদের জায়গা সম্পত্তি এখানে নেই। এমন প্রশ্নের জবাবে ফলের বাগান কাটলেন কেন,জানতে চাইলে তিনি কোনো কথার জবাব না দিয়ে দখল দেওয়ার সত্য ঘটনা কে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে তাদের মালিকানা খরিদ সুত্রে মালিক বলে দাবি করেছেন। যাহার কোনো সত্যতা পাওয়া যায়-নি সরজমিনে।উভয় পক্ষের পরষ্পর বিরোধী বক্তব্য পাওয়া গেছে। এদিকে জালাল উদ্দীন ও জয়নাল আবেদীন এর ওয়ারিশন ছয় গংদের অভিযোগে জানা গেছে, জায়গাটি বাদীপক্ষের পূর্ব পুরুষদের ওয়ারিশ কৃতক সম্পদত্তি। বর্তমানে তারা ছয় পরিবার সদস্য গণ ওয়ারিশ কতৃক সম্পত্তির মালিক হয়ে ১৬ শতাংশ জমি বিক্রি করেন প্রবাসী রফিক উল্যার নিকট। যাহার সিএস, ও এস এ খতিয়ানে জালাল উদ্দীন ও জয়নাল আবেদীন গংদের মালিক ছয় পরিবার সদস্য গণ। প্রায় চার লাখ টাকা, হইতে পাঁচ লক্ষ্য টাকার গাছ গাছালি কেটে নিয়ে যাওয়াই বাদীর বড় ধরনের ক্ষতি গ্রস্ত হয়েছে।কি করে সম্ভব হয় বিবাদীর বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করা।বাদী ভূক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা উপযুক্ত বিবাদীদের বিরুদ্ধে বিচার দাবি প্রার্থনা করেছেন পুলিশ প্রশাসন ও এই মামলার বিচারকদের নিকট।বাদীর ক্রয় কৃত ও ওয়ারিশ কতৃক সম্পত্তির উপর জোর করে বহুতল ভবন নির্মাণের চেষ্টা কে কেন্দ্রে এলাকার স্থানীয় অপরিচিত প্রতিবেশীদের অভিযোগ উঠেছে বিবাদী স্বপনা আক্তার ও আলমগীর হোসেন সহ প্রবাসী শাহাজাহান পরিবারের গংদের বিরুদ্ধে। জানা যায় এই জমির মালিক স্বপনা আক্তার না হয়েও মালিকানা সম্পত্তির মালিক দাবি করে প্রবাসী শাহাজাহানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার স্বামীর পরিবর্তে মামলা পরিচালনা করেন।দখলের ঘটনাটি ঘটে রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশ ৭নং ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডে।বাদী জালাল উদ্দীন ও জয়নাল আবেদীন গংদের পরিবার সদস্যরা সাংবাদিকদের জানান,জায়গাটি ছিল আমাদের বসতবাড়ির ফল বাগান। বিবাদী প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার গংরা সন্ত্রাসী কায়দা করে দখল করার চেষ্টায় দীর্ঘদিন ধরে পায়তারা করে আসছেন বাদীপক্ষ কে। প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা পত্রিকা, ও জাতীয় দৈনিক দেশ বার্তা পত্রিকার সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে। তবে এর পূর্বে প্রকাশিত সংবাদের আলোকে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মহোদয়ের বরাবর লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়। যাহায় লেখা ছিল লক্ষ্মীপুর জেলা জজ কোট, অতিরিক্ত জেলা বিজ্ঞ আদালতে বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট এর বরাবর হাজির হয়ে ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা ফৌঃ কাঃ দঃ আইনে একটি মামলা থাকার সর্থেও বিবাদী প্রবাসী শাহাজাহানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা চাঁদাবাজি ও মসজিদে মারামারি ঘটনার সাথে জড়িত করে দুটি মামলা দায়ের করে বাদীর ওয়ারিশ ও খরিদ সুত্রে মালিকানা সম্পত্তির দখল দেওয়ার চেষ্টায়।এর পর হইতে শুরু হয়েছে বিভিন্ন কলা কৌশল অবলম্বন ব্যবহার করে দখলে যাওয়ার চেষ্টা। নাছির আহমেদ বলেন, রামগঞ্জ দরবেশপুর ৬৯নং মৌজার মালিকানা ওয়ারিশ কৃতক সম্পত্তির মালিক প্রবাসী রফিক উল্যা ও জালাল উদ্দীন ও জয়নাল আবেদীন গং।যাহার খতিয়ান নং ১২৫৫ জোত নং ৯৩৭,খতিয়ানে জমির পরিমান- ১৬ শতাংশ।যার দাগ নং-২৯৩৭,২৯৩৮,২৯৪২ দাগ। আর এস খতিয়ান নং- ১০১৩ এর ৬৪ শতক জমি সহ মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৯৫ শতক জমির মালিক হন জয়নাল আবেদীন ও জালাল উদ্দীন গংরা।যাহার দাগ হয় ২৯৩৬, ২৯৩৭, ২৯৩৮, ২৯৪২দাগ।গত ৪০ বছর ধরে ওই দখলীয় জমির বসতবাড়িতে বসবাস করে আসছে জালাল উদ্দীন ও জয়নাল আবেদীন গং।যাহার বর্তমান খরিদ সুত্রে ও ওয়ারিশ কতৃক মালিক রফিক উল্যা গণেরা।বাদী রিয়াদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন,গত তিন মাস পূর্বে আমাদের দখলীয় জমিতে জোর পূর্বক দখল করে ঘর নির্মাণের কাজ করার চেষ্টা চালায় প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার। যদিও কথা থাকে যে নতুন স্বাধীন বাংলাদের আর কোনো কিশোর গ্যাং সৃষ্টি হবে না। কিন্তু বন্ধ করা যায়নি কিশোর গ্যাং। আবারও দেখা দিয়েছে নতুন একদল কিশোর গ্যাং। গডফাদার ইন্ধন দাতারা হলেন,আলমগীর হোসেন, মাসুদ, সালাহ উদ্দিন,হ্যাকার গ্রুপের সদস্য ইয়াছিন সহ আরো অনেকে।এদের পেশা আর নেশার মূলত উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে অন্যের জায়গা জমি জবর দখল দেওয়া।
দখল চেষ্টার বিষয়টি নিয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় এর বরাবর উপস্থিত হয়ে ঘটনার বিস্তারিত সম্পর্কে জানিয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন বাদীপক্ষ গণ। জেলা পুলিশ সুপার মহোদয় বাদীর অভিযোগ পেয়ে রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসির কে ব্যবস্থা নেওয়া আদেশ প্রদান করেন। একপর্যায়ে রামগঞ্জ থানার পুলিশ এস আই জায়েদ কে বাদী ভুক্তভোগী পরিবারের স্বজনরা ঘটনার সম্পর্কে বননা দিয়ে জানান,প্রবাসী শাহাজানের স্ত্রী স্বপনা আক্তার কুচক্র মহল ইন্ধন দাতা আলমগীর হোসেনের গ্রুপ মিলে বাদীর ফল বাগানে ঢুকে গাছ গাছালি কেটে তাদের বহুতল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু করে।এতে বাদীপক্ষের লোকজন বাঁধা প্রদান করিলে বাদীপক্ষের লোকজনের গায়ের দিকে তেড়ে এসে অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা চালায়।পুলিশ ঘটনার স্থলে যাওয়ার আগেই সবাই দৌড়ে চলে যায়। বাদী নিরুপায় হয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়,এবং বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এর বরাবর ১৪৪ ও ১৪৫ ধারা আইন অনুযায়ী একটি মামলা দায়ের করা হয়। ঐ মামলার কপির মাধ্যমে রামগঞ্জ থানার ওসির বরাবর জমা দিয়ে বিবাদীর চলমান কাজ বন্ধ রাখা হয়। বিবাদী বাদীর বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে দেওয়ানী মামলা দেওয়ার কারণে বাদীর ১৪৪ ও ১৪৫ মামলা তদন্ত রিপোর্ট ছাড়াই হস্তবস্তায় বজায় রাখার আদেশ প্রদান করেন অতিরিক্ত জেলা বিজ্ঞ আদালত। তবে এলাকার অপরিচিত স্থানীয় প্রতিবেশীরা সাংবাদিকদের জানান, কার ইন্ধনে রাতে রাতে বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ চলছে। তা কি করে সম্ভব হচ্ছে। এই বিবাদীরা বাদীর মালিকানা সম্পত্তির উপর বহুতল ভবন নির্মাণ কাজ করিতে থাকিলে বর্তমান ও ভবিষ্যতে বাদীর ক্ষতির আশংকা শান্তি বঙ্গের কারণ দেখা যাচ্ছে।যে কোনো সময় বাদী ও বিবাদী দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি ঘটনা ঘটে রক্তাক্ত হয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার মুখোমুখি হইতে পারে। স্থানীয়দের দাবি এই মামলার সঠিক তদন্ত করে উপযুক্ত বিচার দাবি জানিয়ে বাদীর মালিকানা সম্পত্তির রক্ষা করা একান্ত আবশ্যক ও জরুরী বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয়রা।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com