নিজস্ব প্রতিবেদক:
বরাবর,
ভূমি কর্মকর্তা লক্ষ্মীপুর সদর লক্ষ্মীপুর।
বিষয়ঃ নিষিদ্ধ ড্রেজার মেশিন দিয়ে সরকারি নদী ও খাল দখল করে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে।
জনাব,
বিনীত নিবেদন এই যে সার আমি মোঃ সাকায়েত উল্যা পিতা: রফিক উল্যা মাঝি সহ আমরা একই ইউনিয়নের ৩২টি পরিবারের সদস্য গণ আপনার নিকট হাজির হইয়া এই মর্মে জানাচ্ছি যে সরকারি ভূমি দখল কারী ও বালু উত্তোলন কারীদের বিরুদ্ধে দৈনিক লক্ষ্মীপুরের কথা, ডেইলি প্রেজেন্ট টাইমস, দৈনিক দেশ বার্তা,দৈনিক মুক্তি লড়াই,ও দৈনিক তথ্য অনুসন্ধান পত্রিকা সহ আরও অন্যান্য পত্রিকার সংবাদ প্রকাশ করেও বন্ধ হয়নি ভূমি দখল কারী খোরশেদ আলম ছৈয়াল, ও ইন্ধন দাতা আলামিন ছৈয়াল গ্রুপদের বালু উত্তোলন। বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে আমাদের নিরাপত্তার সার্থে ভূমি দখল কারীদের নিকট নাম পরিচয় গোপন রাখা আপনার সহযোগিতা কামনা করছি। দেশের রাষ্ট্রীয় নাগরিক হিসেবে মানবতার মানবিক মর্যাদা কাজে সরকারি নদী ও খাল দখল দেওয়া ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করা দেশের রাষ্ট্রীয় নাগরিক হিসেবে আমাদের দ্বায়িত্ব ও কর্তব্য। আওয়ামী লীগ বিএনপি দলের পদ পদবী না থাকার স্বর্থেও, আওয়ামী লীগ বিএনপি দলের পরিচয় দিয়ে এখন পর্যন্ত আমাদের এলাকার খোরশেদ আলম ছৈয়াল বালু উত্তোলন করিতেছে।খোরশেদ আলম ছৈয়াল পিতা মৃত -মোহাম্মদ ছৈয়াল। গ্রাম ঃ চররমনী ৪নং- ওয়ার্ড বাড়ি ছৈয়াল বাড়ী।পেশা ড্রেইজার ব্যবসা,রুচিসম্মত দল আওয়ামীলীগ যুবলীগ। ও ইন্ধন দাতা আলামিন পিতা আবু ছৈয়াল,বাড়ি : ছৈয়াল বাড়ী, পেশা ড্রেজার ব্যবসা। রুচিসম্মত দল বিএনপি যুবদল। ঘটনার স্থল ২০নং চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডে চররমনী মোহন মৌজার গাজীর খাল থেকে দীর্ঘ ৭ হইতে ১০বছর যাবত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা থাকা কালীন সময় হইতে এখন পর্যন্ত সরকারি ভূমি দখল কারী খোরশেদ আলম এর বালু উত্তোলন বন্ধ হয়নি।সরজমিন গিয়ে দেখা যায় গাজীর খাল নামে সুপরিচিত ১নং খাশ খতিয়ান অন্তর ভুক্ত সরকারি খাল।খোঁজ নিয়ে জানা গেছে বিএনপির যুব দলের পরিচয় দিয়ে ঐ এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা আলামিনের যোগসাজশে খোরশেদ আলম সরকারি খাল দখল করে বালু উত্তোলন করে আসছে। তবে ইন্ধন দাতা আলামিন ও আওয়ামী লীগ যুবলীগের পরিচয়ে বালু উত্তোলন কারী প্রদান গডফাদার খোরশেদ আলম ছৈয়াল কে আইনের আওতায় আনা একান্ত আবশ্যক ও জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন এলাকার স্থানীয় প্রতিবেশী গণ।তাদের ভয়ে এলাকার কেউ মুখ খোলা থাক দুরের কথা কোনো সরকারি পুলিশ প্রশাসনিক দপ্তরে অভিযোগ দেওয়ার চেষ্টা করিলে শুনতে হয় হুমকি। শুধু তাই নয় তথ্য দান কারীদের গায়ের দিকে তেড়ে আসা সহ বিভিন্ন ধরণের মামলা হামলার হুমকি খেতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত। যে কারণে বর্তমান পরিস্থিতি ভালো না থাকায় এখন আর কেউ অভিযোগ দিতে চায়না আইনশৃঙ্খলা বাহিনী রক্ষক কারীদের নিকট।তবে এই ভাবে সরকারি নদী ও খাল থেকে নিষিদ্ধ ড্রেইজারে বালু উত্তোলন বন্ধ না করা গেলে সরকারি যেমন ভূমি হারাবে তেমনি হারাবে সাধারণ মানুষের ঘর বাড়ি নাল ফসলী জমি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com