লক্ষ্মীপুর সদর প্রতিনিধিঃ ১/স্বামীর যখন টাকা থাকে না তখন তার দুনিয়াতে বউ এবং বাচ্চা ছাড়া আর কেউ আপন থাকে না।২/ এমনকি তার মা, বাপ, ভাই, বোন, ভাবি কেউ না। পুরো ফ্যামিলির সবাই আপনার হাজবেন্ডের প্রতি কম গুরুত্ব দেবে। যখন দেখবে আপনার হাসবেন্ডের পকেটে টাকা আসা শুরু করেছে তখন তার মায়ের মুখে শুরু হয়েছে মিষ্টি কথা আহ্ আমার ছেলে। ভাই কিন্তু পিঠে হাত দিয়ে বলবে, আমার ভাইটা তো জোস, ভাতিজা তো কাকা কাকা বলতে পাগল । পুরো ফ্যামিলি তখন এক হয়ে যায় শুধু মাত্র বউ আর বাচ্চা আউট।৩/ পুরুষের টাকা হইলে সবচেয়ে আগে দূরে যায় তার বউ আর বাচ্চা। ৪/ আপনি যখন বিপদে ছিলেন তখন এই দুটো মানুষই আপনার সাথে ছিল। আর আপনার বউ আর বাচ্চা আপনার কবরের আগ পর্যন্ত থাকবে। বাদ বাকী সবাই মধু খাওয়া মৌমাছি
কথাটা তেতো লাগলো সত্য।
কিন্তু এই বিষয়টা প্রায় পরিবারেই লক্ষ্য করা যায়,৫/ যেই সন্তানের আর্থিক অবস্থা খারাপ থাকে তার প্রাধান্য ,তার প্রায়োরিটি সবকিছুই কম থাকে । যে সন্তান বেশি খরচ দিতে পারে , বেশি টাকা দিতে পারে পরিবারে তার মূল্যায়ন সবচেয়ে বেশি থাকে, এমনকি বাবা মার কাছেও। আমাদের বাংলাদেশে যত মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত সংসার আছে তাদের কোন সংসারেই তাহলে বউ বাচ্চা থাকার কথা না ৬/ অভাব থাকলে হয়তোবা বউ একটু বেশি ঘ্যানর ঘ্যানর করতে পারে কারণ অভাবটা কারোই কাম্য না । স্বামী স্ত্রীর কারো ক্ষেত্রেই তখন মন মানসিকতা ঠিক থাকে না তাই বলে কিন্তু সব ক্ষেত্রে ছেড়ে যায় না।
একজন পুরুষ যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন তার সেবা কিন্তু একমাত্র করে থাকে তার স্ত্রী কিংবা তার সন্তানরা। কোন ভাইয়ের বউ কিংবা কোন ভাই , কোন বোন কিংবা মা-বাবা এসেও কিন্তু সেই পুরুষের সেবা করে না । তাই কবরে যাবার আগ পর্যন্ত একজন পুরুষের স্ত্রী এবং সন্তানরাই পাশে থাকে
সম্পাদক ও প্রকাশক: রাকিব হোসেন সোহেল
কার্যালয় : রুম নং ২১, উত্তর স্টেশন মার্কেট ২য় তলা, লক্ষ্মীপুর
www.lakshmipurerkotha.com